1. [email protected] : AK Nannu : AK Nannu
  2. [email protected] : arifulweb :
  3. [email protected] : F Shahjahan : F Shahjahan
  4. [email protected] : Mahbubul Mannan : Mahbubul Mannan
  5. [email protected] : Arif Prodhan : Arif Prodhan
  6. [email protected] : Farjana Sraboni : Farjana Sraboni
সোমবার, ১৮ অক্টোবর ২০২১, ১২:৩৫ পূর্বাহ্ন

পাঁচবিবিতে ক্ষেত থেকে ধান চুরি হওয়ায় দিশেহারা নিরীহ কৃষক(পাঁচবিবির আরও 1টি খবর)

  • Update Time : সোমবার, ২০ নভেম্বর, ২০১৭
  • ১৯ Time View

পাঁচবিবি (জয়পুরহাট) প্রতিনিধিঃ জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার মুগর চন্ডিপুর গ্রামের ঝাঞ্জইর মৌজার মাঠে প্রায় আড়াই বিঘা জমি থেকে চুরি করে ধান কেটে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত শনিবার মধ্য রাতে ধান চুরির ঘটনা ঘটে বলে মুগর চন্ডিপুর গ্রামের মৃত ছহির উদ্দিনের ছেলে ও জমির মালিক শাহজাহান আলী বাবু অভিযোগ করেন।

সরেজমিনে জানা গেছে, চন্ডিপুর গ্রামের ঝাঞ্জইর মৌজার মাঠে শাহজাহান আলীর বাবু’র প্রায় আড়াই বিঘা জমির ধান ক্ষেত এবরো-থেবরো ভাবে কাটা রয়েছে। এই ঘটনা জানাজানি হলে রোববার সকাল থেকে চুরি হওয়া ওই ধান ক্ষেত দেখতে আশ পাশের গ্রাম থেকে ভীর করছেন শত শত শিশু-কিশোর ও নারী-পুরুষ। তারা সান্তনা দিলেও বুক চাপরিয়ে আহাজারী করছিলেন ক্ষতিগ্রস্থ নিরীহ কৃষক শাহজান আলী বাবু।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘ অনেক রক্ত-ঘাম ঝরিয়ে ও দায়-দেনা করে ৩ মাস ধরে বর্না জাতের উচ্চ ফলনশীল আমন ধান চাষ করছেন তিনি। ধান পাকতে এখনো ১৫/২০ দিন বাঁকী রয়েছে। এ অবস্থায় পূর্ব শত্রুতার জের ধরে গত শনিবার দিবাগত গভীর রাতে একই গ্রামের মৃত মোজাম্মেল প্রধানের ছেলে প্রতিবেশী ফেরদৌস প্রধান ১০/১৫ জন লোকসহ তার ক্ষেত থেকে ধান কেটে ফেরদৌস এর বাড়িতে নিয়ে গেছেন বলে গ্রামের বেশ কয়েকজন মানুষ দেখে তাকে জানিয়েছেন।

একই গ্রামের শেখ ফরিদ হোসেন, আশরাফুল ইসলাম, পাশর্^বর্তী জাতাইর গ্রামের ছানোয়ার হোসেন ও দেলোয়ার হোসেন ঘটনার সত্যতা স্বীকার জানান, ফেরদৌস তার লোকজন নিয়ে শাহজাহান আলী বাবু’র জমি থেকে তারা ধান কেটে নিয়ে যেতে দেখলেও ফেরদৌস প্রভাবশালী হওয়ায় ভয়ে তারা কিছু বলতে পারেননি। তারা এ জঘন্যতম অপরাধের জন্য দোষী ব্যাক্তিদের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি দাবী করেন।

ক্ষতিগ্রস্থ কৃষক শাহাজাহান আলী বাবু আরো জানান, ওই কাঁচা-পাকা ধান আর ১০/১৫ দিন পর কাটলে তিনি কমপক্ষে ত্রিশ মন ধান পেতেন, যা দিয়ে ভর বছর ভাতের সংস্থান হতো। ক্ষেত থেকে রাতে ধান চুরি হওয়ায় তার মহা সর্বনাশ হয়েছে। তিনি ক্ষতিপূরন দাবী করে এ ঘটনার জন্য দায়ী ফেরদৌস ও তার লোক জনের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি দাবী করেন।

অভিযুক্ত ফেরদৌস প্রধান তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তার বাড়িতে খরসহ যে ধান কাটা রয়েছে সেগুলো তার নিজের জমির ধান।

পাঁচবিবি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ফরিদ হোসেন জানান, বিষয়টি শুনেছি, এ ব্যাপারে অভিযোগ পাওয়া গেছে, তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পাঁচবিবিতে দৃষ্টি প্রতিবন্ধী প্রীতি ও হাসান পিএসসি পরীক্ষার্থী

পাঁচবিবি (জয়পুরহাট) প্রতিনিধিঃ জন্ম থেকেই অন্ধ, চোখে দেখতে না পারলেও অদম্য শক্তিতে পড়াশুনা থেকে পিছিয়ে নেই জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার প্রীতি কিৎপট্টা ও মেহেদী হাসান। দু’জনই অংশ নিয়েছে এবছরের অনুষ্ঠিত পিএসসি পরীক্ষায়।

শুধু লেখাপড়া নয়, নিত্যদিনের সব কাজেই পারদর্শী তারা। জীবনের সব বাধা পেরিয়ে প্রতিষ্ঠিত হবার স্বপ্ন তাদের। পরিবারের চাওয়া পড়ালেখা করে একদিন সমাজে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে তাদের সন্তান।

ভাগ্যের নির্মম পরিহাস সুন্দর এ পৃথিবীর আলো বাতাস পেলেও তা দৃষ্টি দিয়ে তা দেখার সৌভাগ্য হয়নি কোমল মতি এ শিশু দু’টির। চোখ থেকেও নেই দৃষ্টি শক্তি, তবে সুস্থ্য-সবলদের মতো জীবন চলার নিরন্তর সংগ্রাম আছে তাদের মধ্যেও।

উপজেলার আটাপুর ইউপির দরিদ্র আদিবাসী বিমান কিসপট্টার মেয়ে প্রীতি কিসপট্টা পড়ছে খিরাপাথার গ্রামে ও মোনাজ্জল হোসেনের পুত্র মেহেদী হাসান পড়ছে মাঝিনা গ্রামের ব্র্যাক স্কুলে। দৃষ্টি প্রতিবন্ধকতা জয় করে অংশ নিয়েছে এবারের পিএসসি পরীক্ষায়।

প্রীতি ও মেহেদী হাসান জানায়, তারা বড় হয়ে শিক্ষক হবে, দৃষ্টি প্রতিবন্দীসহ সকল অসহায় শিশুদের তারা শিক্ষা দিয়ে মানুষের মত মানুষ করতে বদ্ধপরিকর।

প্রীতির বাবা বিমান ও মেহেদী হাসানের বাবা মোনাজ্জল বলেন, তারা খুব দরিদ্র মানুষ, যতদুর সাধ্য কুলায় ততদুর পর্যন্ত তারা তাদের সন্তানদের লেখাপড়া লেখাপড়া চালিয়ে যাবেন।

শ্রেণী শিক্ষক আব্দুর রাজ্জাক বলেন, তারা দৃষ্টি প্রতিবন্ধী হলেও অন্যান্য শিক্ষার্থীদের মতো পড়াশুনাতে ভালো, শুধু সূচে সুতা লাগানো ছাড়া সব কাজই করতে পারে তারা।

তিনি আরো বলেন ক্লাশে অন্য ছাত্রদের জন্য শিক্ষক থাকলেও এ দু’জনকে আলাদা ভাবে ব্রেইল পদ্ধতির মাধ্যমে শিক্ষা দেওয়া হয়। ব্র্যাকের পক্ষ থেকে শিশু দু’টির শিক্ষার ব্যায় ভার বহন করা হলেও অদূর ভবিষ্যতে তাদের উচ্চশিক্ষার জন্য সরকারি অনুদানের প্রয়োজন অনস্বীকার্য।

আটাপুর ইউপি চেয়ারম্যান আ,স,ম সামছুল আরেফিন চৌধুরী আবুসহ এলাবাসী জানান, সাধ্যমত তারা শিশু দু’টিকে সহযোগীতা করবেন।

এ ছাড়া হত দারদ্র পরিবারের দৃষ্টি প্রতিবন্দী শিশু দু’টির লেখাপড়া চালিয়ে যাওয়া তাদের পরিবারের পক্ষে সম্ভব নয়, তাই উচ্চশিক্ষার জন্য সরকারি-বেসরকারি অনুদানেরও মানবিক আবেদন জানান এই দুই জনপ্রতিনিধিসহ এলাকাবাসী।
ছবি সংযুক্ত

পাঁচবিবি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ফরিদ হোসেন জানান, বিষয়টি শুনেছি, এ ব্যাপারে অভিযোগ পাওয়া গেছে, তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

More News Of This Category
© All rights reserved © 2016-2020 asianbarta24.com

Developed By Pigeon Soft