1. [email protected] : AK Nannu : AK Nannu
  2. [email protected] : arifulweb :
  3. [email protected] : F Shahjahan : F Shahjahan
  4. [email protected] : Mahbubul Mannan : Mahbubul Mannan
  5. [email protected] : Arif Prodhan : Arif Prodhan
  6. [email protected] : Farjana Sraboni : Farjana Sraboni
শুক্রবার, ২২ অক্টোবর ২০২১, ১০:০০ পূর্বাহ্ন

তালাক কার্যকর হওয়া ঠেকাতেই রাবি ছাত্রীকে ‘অপহরণ(রাজশাহীর আরও 8টি খবর)

  • Update Time : রবিবার, ১৯ নভেম্বর, ২০১৭
  • ১৮ Time View


মঈন উদ্দীন, রাজশাহী ব্যুরো: তালাক কার্যকর হওয়া ঠেকাতেই রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) বাংলা বিভাগের ছাত্রী শাহী উম্মে আম্মানা সোভাকে (২১) অপহরণ করে নিয়ে যান তার স্বামী। ঢাকায় নিয়ে তালাক প্রত্যাহারে তাকে কাজী অফিসেও নেন স্বামী সোহেল রানা। সেখান থেকেই পুলিশের হাতে ধরা পড়েন সোহেল। রোববার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান রাজশাহী নগর পুলিশ কমিশনার মাহাবুবর রহমান। তিনি বলেন, ঢাকা থেকে উদ্ধারের পর ওই ছাত্রী ও তার গ্রেফতারকৃত স্বামীকে শনিবার রাতে রাজশাহীতে নেয়া হয়। এরপর থেকে ছাত্রী রাজশাহীর ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে রয়েছেন। তিনি আরো জানান, ছাত্রী অপহরণের ঘটনায় দুই জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এরা হলেন- ওই ছাত্রীর সাবেক স্বামী সোহেল রানা এবং মাইক্রোবাসচালক জাহিদুল ইসলাম।
এদিকে, শোভাকে অপহরণের ঘটনায় গ্রেফতার তার হওয়া তার স্বামী সোহেল রানা ও মাইক্রোবাসের ড্রাইভার জাহিদুল ইসলামের ১দিনের রিমান্ড মুঞ্জুর করেছে আদালত। রোববার সকালে তাদের আদালতে হাজির করে ৫ দিনের রিমান্ডের আবেদন করে মতিহার থানার ওসি মেহেদি হাসান। আদালত ১দিনের রিমা- মঞ্জুর করেন।
সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ কমিশনার মাহবুবর রহমান বলেন, এক বছর আগে রাবি’র ছাত্রী সোভার সাথে সোহেলের বিয়ে হয়। কিছু দিন আগে স্বামীকে তালাক দেন ওই ছাত্রী। তালাক কার্যকর হওয়ার আগেই বিচ্ছেদ ঠেকাতে স্ত্রীকে শুক্রবার ক্যাম্পাস থেকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যান সোহেল রানা।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে আরএমপি কমিশনার বলেন, সোহেলের স্ত্রী হওয়ার পরও যেহেতু তাকে তার অনিচ্ছায় জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে তার কারণেই এটি অপহর হিসেবে ধরা হয়। অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, রাবি শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের কারণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর এ ত=তপরতা এটা ঠিক নয়, আইনশৃঙ্খলা রাক্ষাকারী বাহিনী প্রতিটি ঘটনাতেই ততপর থাকে কোনটা দ্রুত আসামীদের গ্রেফতার করে আদালতের হাতে তুলে দেয়া হয় আবার কোনটা চেষ্টা থাকার পরও আসামীদের গ্রেফতার করা সম্ভব হয় না।
মাহাবুবুর রহমান জানান, উদ্ধারকাজ পরিচালনার জন্য নগর পুলিশের বিশেষ টিম কাজ করেছে। পুলিশ সদর দফতরের সহায়তায় মতিহার থানা পুলিশ ঢাকার মোহাম্মদপুর থানার শেখেরটেক রায়েরবাজার এলাকার একটি কাজী অফিস থেকে ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করে। সেখান থেকে তার সাবেক স্বামী সোহেলকেও গ্রেফতার করা হয়।
এ সময় জানানো হয়, গত শনিবার দুপুরে রাজশাহী বিশ^বিদ্যালয়ের অপহৃত ছাত্রী সোভাকে ঢাকার মোহাম্মদপুরস্থ একটি কাজী অফিস থেকে উদ্ধার করা হয়। এসময় তার সাবেক স্বামী সোহেল রানাকে ঘটনাস্থল থেকে গ্রেফতার করা হয়। পরে অপহরণের কাজে ব্যবহৃত মাইক্রোবাসের ডাইভার জাহিদুলকেও গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের পর ওই দিন রাতেই তাদের পুলিশের সহায়তায় মতিহার থানায় নিয়ে আসা হয়। পরে রাবি ছাত্রী শোভাকে ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে পাঠানো হয়।
এদিকে অপহৃত ছাত্রীর স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিসে ভর্তি করা হয়েছে। ওই ছাত্রীকে তার পরিবারের জিম্মায় দেয়া হয়েছে। রোববার বেলা ১১টায় রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের সদর দফতরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আরএমপি’র পুলিশ কমিশনার মাহবুবর রহমান পিপিএম এতথ্য জানান।
এদিকে, মহানগর পুলিশের মুখপাত্র ও সিনিয়র সহকারী কমিশনার ইফতেখায়ের আলম জানান, মামলায় গ্রেফতারকৃতদের রোববার সাড়ে ১২টার দিকে আদালতে নেয়া হয়। আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদেও জন্য মতিহার থানার ওসি আসামীদের ৫ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করলে আদালত আসামীদের ১ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
এর আগে গত শুক্রবার সকালে বাংলা বিভাগের পরীক্ষায় অংশগ্রহণের উদ্দেশ্যে তাপসী রাবেয়া হল থেকে বের হন শোভা। এ সময় শেখ ফজিলাতুন্নেছা হলের সামনে থেকে তার সাবেক স্বামী সোহেল রানার নেতৃত্বে ৩ থেকে ৪ জনের একটি দল মাইক্রোবাস করে জোরপূর্বক তাকে তুলে নিয়ে যায়। এদিকে এ ঘটনায় শুক্রবার রাতে অপহৃত ছাত্রী সোভার পিতা আমজাদ হোসেন বাদী হয়ে তার সাবেক স্বামী সোহেল রানাসহ তিন জনের নাম উল্লেখ্য করে মোট ৬জনের বিরুদ্ধে মহানগরীর মতিহার থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় ওই রাতেই নওগাঁর পতœীতলা থেকে সোহেলের পিতা এ্যাড. জয়নাল আবেদীনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

রাজশাহীর বাগমারায় প্রধানমন্ত্রীর আর্থিক অনুদান পেল অসহায়-দুঃস্থরা

রাজশাহী ব্যুরো: রাজশাহীর বাগমারায় ১৭ জন অসহায়-দুঃস্থ ব্যক্তিকে সু-চিকিৎসার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আর্থিক তহবিল হতে অনুদানের চেক প্রদান করা হয়েছে। গত শনিবার আর্থিক অনুদানের চেক বিতরণ উপলক্ষে উপজেলার শিকদারী কোল্ড স্টোরেজ প্রাঙ্গনে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
প্রধান অতিথি হিসেবে অসহায়-দুঃস্থ ব্যক্তিদের মাঝে চেক বিতরণ করেন বাগমারা আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হক। উপজেলা আ’লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ গোলাম সারওয়ার আবুলের পরিচালনায় এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা আ’লীগের সহ-সভাপতি অনিল কুমার সরকার, ভবানীগঞ্জ পৌর আ’লীগের সভাপতি মেয়র আব্দুল মালেক মন্ডল, উপজেলা আ’লীগের সহ-সভাপতি রিয়াজ উদ্দীন আহম্মেদ, সহ-দপ্তর সম্পাদক নুরুল ইসলাম, সহ-প্রচার সম্পাদক ফরহাদ হোসেন মজনু, মাড়িয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আসলাম আলী আসকান, জেলা পরিষদ সদস্য মাহমুদুর রহমান রেজা, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি আল-মামুন প্রমুখ। উক্ত অনুষ্ঠানে উপজেলার ১৭ জন অসহায়-দুঃস্থ ব্যক্তিকে ৩ লাখ ৮৫ হাজার টাকার অনুদানের চেক বিতরণ করা হয়।

রাবি সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন

রাবি প্রতিনিধি : রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় দৈনিক যুগান্তরের প্রতিনিধি ও সাংবাদিক সমিতির (রাবিসাস) সভাপতি হাসান আদিবের নামে হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহার ও সম্প্রতি ডেইলি স্টারের রাবি প্রতিনিধি আরাফাত রহমানের উপর হামলাকারী ছাত্রলীগ নেতার বহিষ্কার আদেশ প্রত্যাহারের ঘটনায় প্রতিবাদ জানিয়ে মানববন্ধন করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত সাংবাদিকবৃন্দ। বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে রোববার দুপুর ২টার দিকে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি কায়কোবাদ আল মামুনের সভাপতিত্বে ও রাবিসাসের সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজ রনির সঞ্চালনায় মানবন্ধনে বক্তব্য রাখেন, রাবি প্রেসক্লাবের সভাপতি তাসলিমুল আলম তৌহিদ, রাবিসাসের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম, সহ-সভাপতি মুস্তাফিজ মিশু, রাবি প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ইমদাদুল হক সোহাগ এবং রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক হোসাইন মিঠু। মানববন্ধন বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত অর্ধ-শতাধিক সংবাদকর্মী উপস্থিত ছিল।
মানবন্ধনে বক্তারা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের দৈনিক যুগান্তর প্রতিনিধি হাসান আদিবের বিরুদ্ধে ছাত্রলীগের মামলা একটি হাস্যকর ঘটনা। যে সংবাদের কারণে তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে তা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয় কতৃক প্রকাশিত প্রতিবেদন। যদি মামলা করতেই হয় তাহলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিরুদ্ধে করা উচিত। হামলা মামলার ভয় দেখিয়ে সাংবাদিকদের বস্তুনিষ্ঠতার জায়গা থেকে সরিয়ে আনা যাবে না।
বক্তরা আরো বলেন, ডেইলি স্টারের সাংবাদিক আরাফাত রহমানের উপর ছাত্রলীগের হামলা একটি নির্লজ্জ ঘটনা। হামলার ঘটনায় বহিস্কৃত ছাত্রলীগ নেতাকে সম্প্রতি কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ তার বহিষ্কারাদেশ তুলে নিয়েছে। এঘটনা প্রমাণ করে যে, ছাত্রলীগ অপরাধীকে আশ্রয় দেয়। এসময় সংবাদ নেতারা অবিলম্বে সাংবাদিকদের উপর মামলা তুলে নিতে এবং সাংবাদিক নির্যাতনের সাথে জড়িতদের শাস্তির দাবি জানান।
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় এবং রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ইয়াবা চক্রের বিষয়ে সংবাদ প্রকাশের জেরে রাজশাহীতে তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেন ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি রবিউল আউয়াল মিল্টন ও সাংগঠনিক সম্পাদক মুশফিক তাহমিদ তন্ময়।

বাগমারায় বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে পাউবো’র জমি দখল করে বিল্ডিং নির্মাণের অভিযোগ

রাজশাহী ব্যুরো: রাজশাহীর বাগমারার কাছারী কোয়ালীপাড়া ইউনিয়নের পীরগঞ্জ বাজার সংলগ্ন পাউবো’র (পানি উন্নয়ন বোর্ডের) ৩০ শতক জমি দখল করে নিয়ে এলাকার এক প্রভাবশালী বিএনপি’র নেতা পাকা বিল্ডিং নির্মাণ কাজ শুরু করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ভূমি দস্যুর কবল থেকে পাউবো’র দখলকৃত জমিটি উদ্ধারের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়ে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলীর কাছে লিখিতভাবে একটি আবেদন করা হয়েছে। এলাকাবাসীর পক্ষে আবেদনটি করেছেন বীরকয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রফাতুল্যাহ্ প্রামানিক। আবেদনের অনুলিপি বাগমারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, উপজেলা চেয়ারম্যান, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও বাগমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বরাবরেও দেওয়া হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার কাছারী কোয়ালীপাড়া ইউনিয়নের পীরগঞ্জ বাজার সংলগ্ন নানসর মৌজার জেএল নং ৮৯, আর.এস খতিয়ান নং ৩৩৫, দাগ নং ৪৫৭৭ এবং আর এস খতিয়ান নং ৩৭৫, দাগ নং ৪৫৭৬ উল্লেখিক এ দু’টি দাগের ০৭ শতক ও ২৩ শতক মোট ৩০ শতক জমির উপর কয়েক বছর আগে স্থানীয় লোকজনের উদ্যোগে একটি প্রতিবন্ধী স্কুলঘর নির্মাণ করা হয়েছিল। কিন্তু সম্প্রতি কাছারী কোয়ালীপাড়া ইউনিয়নের কালিকাপুর গ্রামের সমশের আলীর ছেলে বিএনপি নেতা আশরাফুল ইসলাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের জমির উপর থাকা ওই প্রতিবন্ধী স্কুলঘর ভেঙ্গে ফেলেন। আশরাফুল ইসলাম স্থানীয় বিএনপি’র একজন প্রভাবশালী নেতা হওয়ায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের ওই জমিটি দখলের উদ্দেশ্যে কৌশলে স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মিদের সাথে সক্ষতা গড়ে তোলেন। এরপর অর্থের বিনিময়ে তাদের ম্যানেজ করে ওই জমির উপর পাকা বিল্ডং নির্মাণের কাজ শুরু করেন এবং এ পর্যন্ত সেখানে মোট ৬ টি পিলার নির্মাণের কাজ আংশিক সম্পন্ন হয়েছে। তবে প্রশাসনের নজর এড়াতে সেখানে দিনের পরিবর্তে কাজ করা হচ্ছে রাতে।
বাগমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নাছিম আহম্মেদ বলেন, বিষয়টি দেখার দায়িত্ব মূলত পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃপক্ষের। তবে এলাকাবাসীর এক আবেদনের প্রেক্ষিতে সরকারি (পাউবো’র) জমি রক্ষার স্বার্থে সেখানে বিল্ডিং নির্মাণ কাজ সাময়িকভাবে বন্ধ রাখতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃপক্ষের কাছে থেকে নির্দেশনা পাওয়া গেলে পরবর্তী পদক্ষে নেওয়া হবে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের স্থানীয় কর্মকর্তা (এসও) আমজাদ হোসেন বলেন, বিষয়টি উদ্ধর্তন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। তবে সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে এখনো কোনো নির্দেশ পাওয়া যায়নি।

রাজশাহীতে পরিত্যক্ত চুলে স্বাবলম্বী হাজারো পরিবার

রাজশাহী ব্যুরো: ফেলে দেয়া চুলে স্বাবলম্বী হয়ে উঠেছে হাজারো পরিবার। নারীদের এই উচ্ছিষ্ঠ চুল দিয়েয় গড়ে উঠেছে জমজমাট চুলের হাট। রাজশাহী তানোর উপজেলার চৌবাড়িয়ায় এ চুলের হাট। মঙ্গলবার বাদে সপ্তাহে ৬ দিন এখানে চলে চলের বেচা-কেনা। চুলের হাটকে নিয়ে গড়ে উঠেছে প্রায় ১৫টি প্রক্রিয়াজাত কেন্দ্র। পুরুষদের পাশাপাশি সেখানে কাজ করছেন নারীরাও। যেখানে হাজারো পরিবারের সদস্যরা চুলের কাজ করে সাবলম্বী হচ্ছেন। সব মিলিয়ে এখানে বেচা-কেনা হচ্ছে প্রায় ১ কোটি টাকার চুল।
নওগাঁর নিয়ামতপুর ও মান্দা উপজেলায় প্রক্রিয়াজাত কেন্দ্র থেকে চুল আসে চৌবাড়িয়া হাটে। চুল কিনতে দেশের উত্তর অঞ্চল রংপুর ও দিনাজপুর এলাকা থেকেও পাইকাররা আসেন এ হাটে। হাটে প্রতিদিন অন্তত ২০ কেজি করে করে চুল বিক্রি হয়। মাসে এখানে এক কোটি টাকার চুল বেচা-কেনা হয়। এদিকে চৌবাড়িয়া বাজারে ৪৬ জন চুল ব্যবসায়ীকে নিয়ে গড়ে উঠেছে চুল ব্যবসায়ী সমিতি।
চুল ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, নারীদের উচ্ছিষ্ঠ চুল ফেরিওয়ালারা বাড়ি বাড়ি ঘুরে সংগ্রহ করেন। এরপর বাড়ি থেকে সংগ্রহ করা চুলগুলো চৌবাড়িয়া হাটের ৪৬টি আড়তে বিক্রি করেন। সেখান থেকে চুল ব্যবসায়ীরা চুল কিনে নিয়ে আসেন নিজ কেন্দ্রে। তারপর কয়েকটি ধাপে চুল প্রক্রিয়াজাতকরণ করা হয়।
চুলের কাজে নিয়োজিত মাদারীপুর গ্রমের কাজলী বেগম, চকরহমত গ্রামের নিলুফা ইয়াসমিন, রুমা খাতুন, জাহানারা বেগম জানান, তারা জটবাঁধা ও নোংরা চুল আলাদা করেন। এতে নাকে-মুখে ধূলাবালি ঢুকে শরীরে অসুখ হয়। পরিশ্রমের তুলনায় টাকা কম পান। পেটের দায়েই তারা কাজ করছেন।
তানোর উপজেলার চন্দনকোঠা গ্রামের চুল ব্যবসায়ী মজিদুল ইসলাম ও মাদারীপুর গ্রামের চুল ব্যবসায়ী সেলিম হোসেন জানান, তারা চুল কেনেন ৪ হাজার ৩শ’ টাকা কেজি। প্রক্রিয়াজাতের পর ১ কেজি চুলর ওজন কমে ৬শ’ গ্রাম হয়। সেই চুল প্রতি কেজি সাড়ে ১০ হাজার টাকায় বিক্রি করেন। তবে ১২ ইঞ্চির বেশি লম্বা হলে ১৮ হাজার টাকা পর্যন্ত প্রতি কেজি বিক্রি হয়।
চৌবাড়িয়া বাজার চুল ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি তোফাজ্জল হোসেন বলেন, চুল ব্যবসাকে কেন্দ্র করে এলাকার সুবিধাবঞ্চিত নারী, পুরুষ ও শিক্ষার্থীরা এই পেশার সাথে জড়িত। কিন্তু পরিশ্রমের তুলনায় পারিশ্রমিক খুব কম পান। যদি সরকারি-বেসরকারি ভাবে প্রশিক্ষণ ও ঋণের ব্যবস্থা করা যেত তাহলে এ ব্যবসায় আরো সুফল বয়ে আনতো।
বাংলাদেশ থেকে চুল রপ্তানি হয় ভারত, শ্রীলংকা, মায়ানমার, ভিয়েতনাম, চীন, জাপান ও কোরিয়ায়। বটিচুল, পরচুলা ও অন্য সৌখিন জিনিস তৈরিতে ব্যবহৃত হয় এ চুল। ধীরে ধীরে আন্তর্জাতিক বাজার বাংলাদেশের চুলের চাহিদা বাড়ছে।
বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো বা ইপিবির তথ্য অনুযায়ী, ২০১৫-১৬ অর্থবছরে এ খাতে রপ্তানি বাবদ আয় হয়েছে ১ কোটি ৭৫ লাখ ডলার বা ১৪০ কোটি টাকা। চলতি অর্থবছরে (২০১৬-১৭) রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১ কোটি ৯০ লাখ ডলার বা ১৫২ কোটি টাকা।
এব্যাপারে তানোর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা শওকাত আলী বলেন, তানোরের চুল ব্যবসা একটি সম্ভাবনাময় খাত। এতে যুক্ত হয়ে গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর জীবনমানের উন্নতি হচ্ছে। কিন্তু পৃষ্ঠপোষকতা না থাকায় এখনও চুল ব্যবসা আলাদা শিল্প হিসেবে গড়ে ওঠেনি। সহজ শর্তে ব্যাংক ঋণ ও অন্যান্য সুবিধা নিশ্চিত করা গেলে এ খাত অনেক দূর এগিয়ে যাবে।

রাজশাহীর পুঠিয়ায় ইউপি নির্বাচন: প্রথম দিনে ৩০ জনের মনোনয়ন পত্র উত্তোলন

রাজশাহী ব্যুরো: স্বীমানা সংক্রান্ত জটিলতায় উচ্চ আদালতে মামলা থাকায় দীর্ঘ ১৪ বছর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি পুঠিয়ার শিলমাড়িয়া ভালুকগাছী ইউনিয়নে। সকল আইনি জটিলতা কাটিয়ে গত ১২ নভেম্বর তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। সবকিছু ঠিক থাকলে চলতি বছরের ২৮ ডিসেম্বর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এ দুটি ইউনিয়নে।
নির্বাচনকে ঘিরে বড় দু’দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপির সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীরা দলীয় প্রতীক পেতে দোড়ঝাপ চালাচ্ছে। তবে অনেক প্রতিক্ষার নির্বাচনে উৎসাহ দেখা যাচ্ছে না সাধারন ভোটারদের মাঝে। ভালুকগাছী, শিলমাড়িয়া ইউনিয়ন ঘুড়ে দেখা গেছে দু’দলের একাধিক প্রার্থী এলাকার মোড়ে মোড়ে ব্যানার ফেস্টুন টাঙ্গিয়ে নির্বাচনে প্রার্থীতার জানান দিচ্ছেন। ইউপি নির্বাচনে দলীয় প্রতীকে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে তাই দলীয় মনোনয়ন পেতে মড়িয়া হয়ে উঠেছে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীরা।
এদিকে উপজেলা নির্বাচন অফিস সুত্রে জানা গেছে, প্রথম দিনে দুই ইউনিয়নে ৩০ জন প্রার্থী মনোনয়ন পত্র উত্তোলন করেছেন। এদের মধ্যে ৭ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী ২১ জন সাধারণ সদস্য পদপ্রার্থী ও ২ জন সংরক্ষিত আসনে সদস্য প্রার্থী।
উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ফাতেমা খাতুন জানান, আজ বিকেল সাড়ে ৩ টা পর্যন্ত শিলমাড়িয়া ও ভালুকগাছি ইউনিয়নের মোট ৩০ জন প্রার্থী মনোনয়ন পত্র উত্তোলন করেছেন। এদের মধ্যে শিলমাড়িয়া ইউনিয়নে ১৯ জন ও ভালুকগাছি ইউনিয়নের ১১ জন। শিলমাড়িয়া ইউনিয়নের ১৯ জনের মধ্যে ৫ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী ১৩ জন সাধারণ সদস্য প্রার্থী ও ১ জন সংরক্ষিত মহিলা আসনের সদস্য প্রার্থী। ভালুকগাছি ইউনিয়নের ১১ জন প্রার্থী মনোনয়ন পত্র উত্তোলন করেছেন, এদের মধ্যে ২ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী ৮ জন সাধারণ সদস্য প্রার্থী ও ১ জন সংরক্ষিত মহিলা আসনের সদস্য প্রার্থী।
তিনি জানান, আগামী ২৭ নভেম্বর পর্যন্ত মনোনয়ন পত্র উত্তোলন করা যাবে। ৬ ডিসেম্বর মনোনয়ন যাচাই বাছাই পর ৭ ডিসেম্বর প্রতিক বরাদ্দ করা হবে এবং ২৮ ডিসেম্বর ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন স্থগিত হওয়ার কোন সম্ভাবনা আছে কি না ? জনতে চাইলে এ কর্মকর্তা জানান সকল আইনি জটিলতা কাটিয়ে নির্বাচন কমিশন তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচনের আগে আর কোন মামলা করার সুযোগ নেই। কারো কোন অভিযোগ থাকলে নির্বাচনের পরে করতে পারবে।

রাজশাহীতে ছিনতাইকারী গ্রেফতার

রাজশাহী ব্যুরো: রাজশাহী মহানগরীতে রবিন নামের এক ছিনতাইকারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আজ রোববার সকালে নগরীর রাজপাড়া থানার টুলটুলি পাড়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে রাজপাড়া থানা পুলিশ। গ্রেফতারকৃত ছিনতাইকারী রবিন (২২) নগরীর রাজপাড়া থানার সিলিন্দা এলাকার বাসিন্দা জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে।
সে ডাকাতি মামলার এজাহারভুক্ত আসামীও বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাজপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি হাফিজুর রহমান।
থানা সুত্রে জানা যায়, গত শনিবার রাতে নগরীর টুলটুলি পাড়া এলাকার স্থানীয় এক ডিম ব্যবসায়ীর কাছে থাকা ১৫০০ টাকা ছিনতাইকরে রবিন। পরে ওই ডিম ব্যবসায়ী রাজপাড়া থানায় অভিযোগ করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে রোববার সকাল ৯ টার দিকে ওই এলাকায় অভিযান চালিয়ে রবিনকে গ্রেফতার করা হয়।
রাজপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি হাফিজুর রহমান জানান, গ্রেফতার রবিন রাজপাড়া থানার ডাকাতি মামলার এজাহারভুক্ত আসামী। সে ফের টুলটুলি পাড়া এলাকার এক ডিম ব্যবসায়ীর টাকা ছিনতাই করেছে। গ্রেফতারের সময় ছিনতাইকৃত টাকাও উদ্ধার করা হয়েছে বলেও তিনি জানান।

গোদাগাড়ী ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তাকে স্বামী দাবি করে তরুনীর অনশণ

রাজশাহী ব্যুরো: রাজশাহীর গোদাগাড়ী ফায়ার সার্ভিস ষ্টেশন অফিসার মোঃ আতাউর রহমান কে স্বামী দাবি করে সুমি আক্তার নামে শনিবার বিকেল হতে অনশণ শুরু করেছে। এই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।
সুমি আক্তার শনিবার বিকেলে গোদাগাড়ী ফায়ার সার্ভিস ষ্টেশন অফিসের নাম এসে আতাউর রহমান কে স্বামী দাবি করে তাঁর খোঁজ নেয় সে কোথায় আছে। আতাউর রহমান বিষয়টি বুঝতে পেরে সুমি আক্তার কে অফিসের ভেতরে ঢুকতে না দিয়ে গেটের বাইরে দাঁড়িয়ে রাখে। দীর্ঘক্ষণ এক তরুনী গেটে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা সেখানে ভীড় জমায়। পরে তরুনীকে ভিতরে নিয়ে একটি বাসায় রাখে।
ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তা মোঃ আতাউর রহমান কে স্বামী দাবি করা সুমি আক্তারের বাড়ী কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুর উপজেলার উমানন্দপুর গ্রামে। সে ওই গ্রামের মুনসুর আলীর একমাত্র মেয়ে। সুমি আক্তারের সাথে কথা বলে জানা যায়, কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজে পড়া অবস্থায় একই উপজেলার মধুপুর বাকারা গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে আতাউর রহমানের সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। সেই সম্পর্ক অনেক গভীরে পৌছায়। সে সময়ে বিয়ের কথা বললে আতাউর রহমান কৌশলে এড়িয়ে যেত। আতাউর রহামান একই কলেজের ছাত্র। পাশাপাশি মেসে থাকার সুবাধে আতাউর রহমান বিয়ের প্রভলন দেখিয়ে তাকে নিজ স্ত্রীর মত ব্যবহার করত। সুমি আক্তারের দাবি আমার সাথে প্রেমের সম্পর্ক গভীর হওয়ার পরেও অন্য মেয়েকে বিয়ে করে ঠকিয়েছে।
এইসব অভিযোগ নিয়ে গত ২৯ আগষ্ট ২০১৭ ইং তারিখে মিথ্যা প্রভোলন দেখিয়ে জাল নিকাহ নামার মাধ্যমে বিবাহ করে আমাকে ভোগ করেছে মর্মে উপ-পরিচালক রাজশাহী ফায়ার সার্ভিস এর নিকট ডাকযোগে একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন।
লিখিত অভিযোগে বলা হয়. ২০১১ সালের ৫ এপ্রিল হতে প্রেমের সম্পর্ক তৈরী হয়। তখন হতে সে আমাকে বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখিয়ে মেলামেশা করে আসছে। আতাউর কে বিয়ের প্রস্তাব দিলে সে বলে বিয়ে করব কিন্তু শর্ত থাকবে যে আমার চাকরি না হওয়া পর্যন্ত প্রকাশ করা যাবে না। চাকুরী হলেই বাড়ীতে নিয়ে আসবো। তার কথা মত আমিও রাজি হই। এই কথা হবার পর সে আবার মেলামেশার প্রস্তাব দেয় তখন বিয়ের কথা তুলে ধরে যে আমাকে বিয়ে করে মেলামেশা করে তখন সে হুমকি প্রদান করে। বিভিন্ন ধরনের বাজে ছেলেদের ভয় দেখায় তাদের হাতে তুলে দিতে চাই। এভাবেই সে মেলামেশা করত। গত ৫-২-২০১৪ তারিখে ছাত্রী নিবাস হতে বাড়ী আসবো শুনে আতাউর আমাকে বলে আমিও বাড়ী যাব আমার রুমে আসো একসাথে যাব। আমি যেতে না চাইলে একই ভাবে ভয় ভীতি দেখায়। আমি বাধ্য হয়ে কুড়িগ্রাম মুমু ছাত্রাবাসে যাই।
আমি রুমে প্রবেশ করা মাত্রই আতাউর রহমান তালাবন্ধ করে বাইরে চলে যাই। সে নিজের মোবাইল ও আমার মোবাইল নিয়ে বন্ধ করে রাখে। সন্ধ্যার পর রুমে আসলে আমি অনেক কান্নাকটি করে পায়ে পরে আকুতি করি ছেড়ে দিতে। কিন্তু সে অস্ত্র দেখিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে বলে যদি কথা বলো তাহলে জবাই করে বস্তায় ঢুকিয়ে নদীতে ভাসিয়ে দেব। তখন আমি কোন কথা বলতে পারিনি। সেদিন রাত আনুমানিক রাত ৮ টার দিকে তিনজন ছেলে ও একজন হুজুর রুমে আসে। আমি ভয়ে কাঁপছিলাম তখন আতাউর বলল ভয় করনা তোমার বিয়ে হবে।আমার সাথে। এই কথা বলে মোটা বইয়ের মধ্যে আমার সই নিল ও আতাউরও সই করলো। ছেলেগুলো বললো কোন চিন্তা কর না আমরা আছি। এই বলে সেদিন বিয়ে রেজিস্ট্রি এবং পড়ান সম্পন্ন করা হয়।
পরের দিন সকাল ১০ টায় উলিপুর গবার মোড়ে রেখে যায়। এরপর আতাউর রহমান আমাকে বিবাহের নকল দিয়ে বলে যে আজ থেকেআর যেন জোর করা না লাগে সব ডকুমেন্টস পেয়ে গেছো। বিবাহের পর সে বলে আমার চাকরি হচ্ছে তুমি আমাকে তোমার জমানো টাকা দাও কারন আমার মানে তোমার। তুমি তোমার মাকে বলো। এই কথা শুনে সরল বিশ্বাসে আমার মাকে হাত পা ধরে রাজি করিয়ে গত ২৫-৯-২০১৪ ইং তারিখে ৬ লক্ষ টাকা দিয়েছি। কথা চলাকালিন অবস্থায় একদিন হঠাৎ করে ২০১৬ সালের প্রথম দিকে কাথা না বলার ভাব ভঙ্গীমা দেখে আমি কয়েকজন ব্যক্তিকে বিষয়টি জানিয়েও কোন সমাধান করতে পারিনি। এমনকি আতাউর রহমানের ভগ্নিপতি,বাড় ভাই, সহ সকলকে জানিয়েছি কিন্ত কোন সমাধান করতে পারিনি।
এই সব বিষয় নিয়ে আমার এলাকায় ব্যাপক জানাজানি হয়েছে। আমার পিতা মাতা আর বাড়ীতে থাকতে দেয় না। কোন রকম বিড়ালের মত এক চিমটা ভাত খেয়ে বেঁচে আছি। গ্রামের লোক জনেরও মুখেও কটু কথা শুনতে হয়। মুখ দেখাতে পারিনা। আমাকে গোপন করে সে আরেকটি বিয়ে করে ফেলেছে। আমার আর বিয়ে আসে না যে আমি নষ্ট মেয়ে।
আতাউর আমাকে নষ্ট করেছে। সে সহ তার ভায়েরা আমাকে মিথ্যা অপবাদ দিয়েছে। আমি আর কিছু চাই না তাকে স্বামী হিসেবে গ্রহণ করে ঘর সংসার করতে চাই । তার আরেকটি বৌ আছে বললে জানায় তার ৫ টি বৌ থাক আমি তারই সংসার করব।
সুমি আক্তারের এমন অনষণের খবর শুনে ফায়ার সার্ভিস রাজশাহী উপ পরিচালক নুরুল ইসলাম শনিবার সন্ধ্যায় গোদাগাড়ী ফায়ার সার্ভিস স্টেশন এসে দুই জনের মধ্যে সমঝোতার চেষ্টা করে ব্যর্থ হন। টাকা পয়সার বিনিময়ে বিষয়টি বাড়বাড়ী না করার জন্য সুমি আক্তার কে বারবার প্রস্তাব প্রদান করা হলেও সুমি আক্তার বলেন কোটি টাকা দিলেও আমি তাতে রাজি নই। আমি তাকেই বিয়ে করব।
এদিকে ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তা আতাউর রহমান দাবি করেন। কালেজে পড়া অবস্থায় আমার দুই চার দিনের পরিচয় তার সাথে তেমন সম্পর্ক ছিলো না। বিয়ে করা প্রসঙ্গে জানতে চাইলে বলে আমি বিয়ে করিনি সে মিথ্যা কাবিন নামা দিয়ে এমন দাবি করছে। এর আগেও এমন দাবি করেছিলো এটি আদালতে মিমাংসা হয়েছে বলে জানান। তবে সুমি আক্তার বলেন কোন মিমাংসা হয়নি। তবে কাগজপত্র দেখে বোঝা যাই কোন মিমাংসা হয়নি।
আতাউর রহমান সুমি আক্তার কে স্ত্রীর স্বীকৃতি দিতে নারাজ এবং বিয়েও করব বলে দাবি করেন এদিকে সুমি আক্তার বলেন স্ত্রীর স্বীকৃতি ছাড়া আমি একপাও পিছু হটবা না। এই নিয়ে এখন দুজনের মধ্যে চলছে তুমুল দ্বন্দ।
এদিকে রাজশাহী ফায়ার সার্ভিসের উপ-পরিচালক নুরুল ইসলাম, সহাকরি উপ-পরিচালক আহসান কবির ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা উপসাকারি পরিচালক মনোরঞ্জন সরকার শনিবার গোদাগাড়ী ফায়ার সার্ভিস ষ্টেশনে এসে মিমাংসা না করতে পারায় দুঃচিন্তায় রয়েছেন। রাজশাহী উপ পরিচালক নুরুল ইসলাম বলেন আমরা চেষ্টা করছি সমঝোতা করার তবে শেষ পর্যন্ত কি হয় তা বলতে পারব না। সুমি আক্তার কে শনিবার রাতে ফায়ার সার্ভিস এর এক সদস্যর বাড়ীতে গোদাগাড়ী মডেল থানার ওসি কে অবগত করে রাখা হয়েছে।

তানোরে আ.লীগের মাসিক মতবিনিময় সভা

রাজশাহী ব্যুরো: রাজশাহীর তানোর উপজেলার কলমা ইউনিয়ন আ”লীগের মাসিক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে । রোববার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ইউপির চোরখৈর গ্রামের পুরাতন ইউপি চত্বরে ইউপি আ”লীগ সভাপতি মাইনুল ইসলাম স্বপনের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা যুবলীগ সভাপতি কলমা ইউপির চেয়ারম্যান লুতফর হায়দার রশিদ ময়না । ইউপি আ”লীগ সাধারন সম্পাদক আহসান হাবিব রওশনের পরিচালনায় আরো বক্তব্য রাখেন ইউপি আ”লীগ সিনিয়র সহসভাপতি মামুনুর রশিদ, সহ সভাপতি আতাউর রহমান, ইউপি যুবলীগ সভাপতি এনামুল হক রেনু, ইউপি সৈনিকলীগ আহবায়ক ফারুক হোসেন সেন্টু, যুগ্ন আহবায়ক তানভীর,ইউপি মহিলালীগের সাধারন সম্পাদক শাহনাজ পারভীন , আ”লীগ নেতা টিপু প্রমুখ। চেয়ারম্যান ময়না নেতাকর্মীদের বলেন আগামী নির্বাচনে কলমা ইউপির কৃতি সন্তান সাংসদ ফারুক চৌধুরীকে দলমত নির্বিশেষে একযোগে ঐক্যবদ্ধ ভাবে কাজ করতে হবে। কারন সাংসদ কলমা ইউপির গর্ব । আমরা বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে বলতে পারি সাংসদের নিজ ইউপির লোক আমরা। যত রকম ভেদাভেদ আছে সব কিছু দূর করে এক কাতারে এসে কাজ করার আহবান জানান এবং আ”লীগের সদস্য সংগ্রহ ও নবায়ন করার নির্দেশনা আসামাত্রই বাড়ী বাড়ী গিয়ে সদস্য সংগ্রহ করতে হবে। বিকালে বঙ্গবন্ধু সৈনিকলীগের কলমা ইউপির ৭নং ওয়ার্ডের ত্রি বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় বনগাঁ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে। এতে প্রধান অথিতি হিসেবে বক্তব্য রাখেন চেয়ারম্যান ময়না । এপ্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত সম্মেলন চলছিল ।

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

More News Of This Category
© All rights reserved © 2016-2020 asianbarta24.com

Developed By Pigeon Soft