1. [email protected] : AK Nannu : AK Nannu
  2. [email protected] : arifulweb :
  3. [email protected] : F Shahjahan : F Shahjahan
  4. [email protected] : Mahbubul Mannan : Mahbubul Mannan
  5. [email protected] : namecheap :
  6. [email protected] : Arif Prodhan : Arif Prodhan
  7. [email protected] : RM Rey : RM Rey
  8. [email protected] : Farjana Sraboni : Farjana Sraboni
শনিবার, ১৯ জুন ২০২১, ০৬:৪৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ বার্তা :
সিরাজগঞ্জ বাঘাবাড়ী বেড়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের সরকারি গাছ কাটার হরিলুট রোশানকে নিয়ে ইকবালের তিন ছবি ইতিহাসের পাতায় সলঙ্গা বিদ্রোহের মহানায়ক মাওলানা আব্দুর রশীদ তর্কবাগীশ বানেশ্বরে শীতার্তদের মাঝে এনসিসি ব্যাংকের কম্বল বিতরণ নতুন তিন সিনেমায় সাইমন-মাহি জুটি পুঠিয়ায় ট্রাক্টর ও কারের মুখোমুখি সংঘর্ষে গুরুতর জখম দুইজন ফুলবাড়ীতে কর্মজিবী আদিবাসীদের মাঝে আর্থিক অনুদানের চেক প্রদান দৌলতদিয়ায়-পাটুরিয়া ফেরি চলাচল বন্ধ, মাঝ নদীতে ৪ ফেরি রাজবাড়ী পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ডে প্রতিবছর কোটি টাকার উন্নয়ন করা হবে -প্রার্থী পলাশ ঘন কুয়ায় দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ফেরি ও লঞ্চ চলাচল আবারও বন্ধ নলডাঙ্গায় ট্রেনের ধাক্কায় আহত নারীর মৃত্যু

ঐতিহাসিক জাহাজ মারা দিবসসের ঘটনা

  • Update Time : শুক্রবার, ১১ আগস্ট, ২০১৭
  • ৯ Time View

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি: ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের একিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ ও গৌরবোজ্জল ঘটনা। আজ ১১ আগস্ট ছিল ভূঞাপুরে ঐতিহাসিক জাহাজ মারা দিবস।
পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী অত্যাধনিক মরাণাস্ত্র, গোলাবারুদ, জ্বালানি ও রসদ বোঝায় সাতটি যুদ্ধ জাহাজ নারায়নগঞ্জ, ঢাকা সদর ঘাট, ধলেশ্বরী যমুনা নদী দিয়ে সিরাজগঞ্জ হয়ে বিখ্যাত ফুলছড়ি ঘাটের মাধ্যমে বৃহত্তর উত্তরবঙ্গ রংপুর, দিনাজপুর, সৈয়দপুরসহ সিমান্তবর্তী পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীদের ঘাটি সমূহে পৌছানোর পরিকল্পনা ছিল।
মুক্তিযুদ্ধের সময় টাঙ্গাইল যমুনা ধলেশ্বরী নদী পথের মাটিকাটা নামকস্থানে নদী পথে করা নজরদারীর দায়িত্বে দিলেন কাদেরিয়া বাহিনীর দুর্দর্ষ সাহসী চৌকস কমান্ডার মেজর হাবিবুর রহমান বীর বিক্রমের উপর তার অত্যন্ত দুরদর্শিতা। অল্পসংখ্যক সাহসী মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে জীবনবাজি রেখে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীদের দুটি অস্ত্রবোঝায় জাহাজ এসটি রাজন ও ইউএস ইঞ্জিনিয়ার এলসি-৩ ধ্বংস করার মাধ্যমে হানাদারদের পরিকল্পনা নস্যাৎ করে দেয়া হয়। জাহাজগুলো আক্রমণ ও ধ্বংস করে ১ লাখ ২০ হাজার বাক্সে ২১ কোটি টাকা মূল্যের (তৎকালীন) অস্ত্র-শস্ত্র ও গোলা-বারুদ মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ন্ত্রণে আসে। বাংলাদেশ এতিহাসে দীর্ঘ ৯ মাসে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীদের সামগ্রীভাবে অন্য কোথাও মুক্তিবাহিনীদের হাতে এতবড় ক্ষতি ও বিপর্যয়ের সম্মুখীন হতে হয়নি। পরবর্তীতে যুদ্ধ জাহাজ ও অস্ত্র-শস্ত্র উদ্ধার করার জন্য পাকিস্তানি কমান্ডের লে. জেনারেল আমীন আব্দুল্লা খান নিয়াজী ও বিগ্রেডিয়ার কাদের খানের নেতৃতে ৪৭ ব্রিগেড, ৫১ কমান্ডো ব্রিগেড ও হানাদার বিমান বাহিনী দুটি এফ-৮৬ স্যাবর জেট বিমান দ্বারা মুক্তিবাহিনীদের উপর চতুর্দিকে আক্রমণ করে। হাবিবুর রহমানের নেতৃত্তের কাছে পাকিস্তানি বাহিনী পিছু হটতে বাধ্য হয়।
বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে এই যুদ্ধকে পট পরিবর্তনকারী অধ্যায়ন হিসেবে গন্য করা হয়। কমান্ডার হাবিবুর রহমানের অসীম বলিষ্ঠ সাহসীকতা নেতৃতের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর বিক্রম ও জাহাজ মারা হাবিব উপাধীতে ভূষিত করেন।
এ বিষয়ে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলার কমান্ডার আব্দুল মজিদ মিয়া এশিয়ান বার্তা কে, আমরা কয়েকজন হাবিবের নেতৃতে জাহাজ দুটি আক্রমণ করি এবং আক্রমনে আমরা সফলভাবে জয়ী হই। এই জাহাজ দুটি ধ্বংস না করা হলে ৯ মাসেই স্বাধীনতা পেতাম কিনা তা সন্দেহ আছে। মাটিকাটা যুদ্ধে স্মৃতিস্তম্ভটি সংরক্ষণের এবং সরকারিভাবে এই দিবটি পালনের জন্য সরকারের কাছে দাবি জানাচ্ছি।

এ বিষয়ে মুক্তিযোদ্ধা গবেষক ও লেখক শফি তরফদার এশিয়ান বার্তা কে বলেন, কাদেরিয়া বাহিনীর কোম্পানি কমান্ডার হাবিবুর রহমানের নেতৃতে ১১ আগস্ট জাহাজ দুটি ধ্বংস করে প্রায় ২১ কোটি টাকার অস্ত্র-শস্ত্র উদ্ধার করে। যা মুক্তিযুদ্ধের একটি অবস্মরনীয় ঘটনা।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

More News Of This Category
© All rights reserved © 2016-2020 asianbarta24.com
Theme Customized By BreakingNews