1. [email protected] : AK Nannu : AK Nannu
  2. [email protected] : arifulweb :
  3. [email protected] : F Shahjahan : F Shahjahan
  4. [email protected] : Mahbubul Mannan : Mahbubul Mannan
  5. [email protected] : namecheap :
  6. [email protected] : Arif Prodhan : Arif Prodhan
  7. [email protected] : RM Rey : RM Rey
  8. [email protected] : Farjana Sraboni : Farjana Sraboni
সোমবার, ২১ জুন ২০২১, ০৪:৪১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ বার্তা :
সিরাজগঞ্জ বাঘাবাড়ী বেড়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের সরকারি গাছ কাটার হরিলুট রোশানকে নিয়ে ইকবালের তিন ছবি ইতিহাসের পাতায় সলঙ্গা বিদ্রোহের মহানায়ক মাওলানা আব্দুর রশীদ তর্কবাগীশ বানেশ্বরে শীতার্তদের মাঝে এনসিসি ব্যাংকের কম্বল বিতরণ নতুন তিন সিনেমায় সাইমন-মাহি জুটি পুঠিয়ায় ট্রাক্টর ও কারের মুখোমুখি সংঘর্ষে গুরুতর জখম দুইজন ফুলবাড়ীতে কর্মজিবী আদিবাসীদের মাঝে আর্থিক অনুদানের চেক প্রদান দৌলতদিয়ায়-পাটুরিয়া ফেরি চলাচল বন্ধ, মাঝ নদীতে ৪ ফেরি রাজবাড়ী পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ডে প্রতিবছর কোটি টাকার উন্নয়ন করা হবে -প্রার্থী পলাশ ঘন কুয়ায় দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ফেরি ও লঞ্চ চলাচল আবারও বন্ধ নলডাঙ্গায় ট্রেনের ধাক্কায় আহত নারীর মৃত্যু

মোটরসাইকেল চুরির দিন শেষ

  • Update Time : বুধবার, ৯ আগস্ট, ২০১৭
  • ১৪ Time View

মেহেরপুর প্রতিনিধি : শখের মোটরসাইকেলটিকে চোরের হাত থেকে রক্ষা করতে কতই না ভাবনা-চিন্তা। বাসার বাইরে গিয়ে কোথাও রাখলে মনের মধ্যে চুরির ভয় কাজ করে। অতিরিক্ত (এক্সট্রা লক) তালা লাগিয়েও অনেক সময় মোটরসাইকেল চুরি ঠেকানো যায় না।

প্রচলিত যে তালা (লক) রয়েছে তা ভেঙে মোটরসাইকেল চুরি হচ্ছে হরহামেশাই। তাই মোটরসাইকেল নিয়ে মালিকদের দুঃশ্চিন্তার শেষ নেই।

তবে এবার মোটরসাইকেল চুরি ঠেকাতে আবিষ্কৃত হয়েছে ‘এন্ট্রি থিপ সিস্টেম’ (এটিএস)। তালা ভেঙে মোটরসাইকেল চালুর লাইনের তার জুড়েও চালু করা সম্ভব নয়।

‘এটিএস’ ইতোমধ্যে ব্যবহারকারীদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। বিষ্ময়কর এই ডিভাইসটি আবিষ্কার করেছেন মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার মহাম্মদপুর গ্রামের তরুণ বিজ্ঞানী সাহাব উদ্দীন। দীর্ঘ প্রায় আট বছর ঢাকার উত্তর মোটর্সের অধীনে গবেষণার পর সম্প্রতি সারা দেশে বাজারজাত শুরু হয়েছে সাহাব উদ্দীনের ‘এটিএস’। আর এরই মধ্যে সারা দেশে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে এই ডিভাইসটি।

‘এটিএস’ ব্যবহার বিষয়ে সাহাব উদ্দীন বলেন, ‘একটি ছোট্ট ডিভাইস মোটরসাইকেলের গোপন স্থানে বসানো হয়। ‘আরএফআইটি’ কার্ডের সঙ্গে যুক্ত আরেকটি এন্টেনা ডিভাইস থাকে গাড়ির স্টাট লকের পাশে। চাবি রিংয়ের সঙ্গে যুক্ত প্রোগ্রামিং করা ডিভাইস। চাবি অন করে দুটি ডিসাইস পান্স করে মোটরসাইকেল চালু করতে হয়। পান্স করা ছাড়া কোন অবস্থায় মোটরসাইকেল চালু হবে না।’

‘অপরদিকে, অন্য কোন ডিভাইস দিয়ে কেউ চেষ্টা করলেও মোটরসাইকেল চালু করতে পারবে না। বরং মোটরসাইকেলের হর্ন অনবরত বাজতে থাকবে। প্রতিটি ‘এটিএস’ কম্পিউটারে ভিন্ন ভিন্ন গোপন প্রোগ্রাম কোড দেয়া। তাই কোনভাবেই একটি দিয়ে অন্যটি পান্স কিংবা অন হবে না। ফলে মোটরসাইকেল চালু করে চুরি করা একেবারেই সম্ভব নয়।’

সাহাব উদ্দীন মহাম্মদপুর গ্রামের রহমতুল্লাহর ছেলে। ছোটবেলা থেকেই বিভিন্ন যন্ত্রপাতির প্রতি তার ঝোঁক ছিল। এটা-ওটা নাড়াচারা করাই ছিল তার অন্যতম কাজ।

২০০৭-২০০৮ সালের দিকে বেকার তরুণ সাহাব উদ্দীন নিজ বাড়িতে বসে মোবাইল ডিভাইস দিয়ে মোটরসাইকেল চুরি প্রতিরোধী লক আবিষ্কার করেন। আবিষ্কারের সংবাদ ‘দৈনিক মাথাভাঙ্গা’ ও একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশ হয়।

এতে বাংলাদেশের স্বনামধন্য অটোমোবাইল কোম্পানি উত্তর মোটর্সের চেয়ারম্যান মতিউর রহমানের নজরে পড়েন সাহাব উদ্দীন। লক নিয়ে গবেষণার জন্য তিনি সাহাব উদ্দীনকে কাছে টেনে নেন। উত্তর মোটর্সের তত্ত্বাবধানে একজন গবেষক হিসেবে তখন থেকেই তিনি কাজ শুরু করেন।

গবেষণার পথ চলায় মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন গাড়ির নিরাপত্তা ও উন্নত লাইট আবিষ্কার করে সফলতা অর্জন করেছেন। যার ফলশ্রুতিতে জাতীয় পর্যায়ের পদকও জুটেছে তার ভাগ্যে। পর পর তিন বছর জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলায় দেশসেরা উদ্ভাবক হিসেবে পুরস্কার পেয়েছেন।

এছাড়াও বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে এটিএস এবং এসটিপি’র পেটেন্ট অনুমোদন পেয়েছেন। এখন এর একমাত্র সত্ত্বাধিকারী সাহাব উদ্দীন।

উত্তর মোটর্সের চেয়ারম্যান ও মিডিয়াকর্মীদের প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে সাহাব উদ্দীন বলেন, ‘নিজের উদ্ভাবিত ডিভাইস নিয়ে ব্যবসায় নেমেছি। ডিভাইস বাজারজাত করার জন্য উত্তরা মোটর্সের চেয়ারম্যান সুযোগ করে দিয়েছেন। এটিএস লক ডিভাইস এখন উত্তর মোটর্সের নামেই সারা দেশের নিজস্ব সব শো-রুমে পাওয়া যাচ্ছে। দাম নির্ধারণ করা হয়েছে দুই হাজার টাকা।’

এদিকে, সাহাব উদ্দীনের ‘এটিএস’ এবং ‘এসটিপি’ ব্যবহার সম্প্রতি পর্যবেক্ষণ করে মেহেরপুর পুলিশ সুপার আনিছুর রহমান সন্তোষ প্রকাশ করেন।

এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘মোটরসাইকেল মানুষের শখ ও অতি প্রয়োজনীয় বাহন। তাই এর চুরি নিয়ে চিন্তা থাকে। চুরি প্রতিরোধে ‘এটিএস’ সিস্টেম সময়োপযোগী উদ্ভাবন। মোটরসাইকেলে ‘এটিএস’ স্থাপনের বিষয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা করা হচ্ছে।’

‘এটিএস’ ব্যবহারের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে সাহাব উদ্দীন বলেন, ‘মোটরসাইকেলের জন্য বাজারে প্রচলিত লকে প্রচুর ব্যাটারি চার্জ ফুরায়। ব্যাটারি দুর্বল হয়ে পড়ে। কিন্তু এটিএস’র পাওয়ার ব্যাটারি থেকে দেয়া হয়নি। তাই স্টাট লাইন অফ থাকলে ব্যাটারির চার্জ ফুরায় না।’

এই লক উদ্ভাবনের পাশাপাশি আরেকটি ডিভাইস আবিষ্কার করেছেন সাহাব উদ্দীন। যার নাম দিয়েছেন ‘এসটিপি’। এই নামে তিনি ডিভাইসটি বাজারজাত করেছেন। বর্তমান সময়ে বাজাজ মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন প্রকার মোটরসাইকেল আন্তর্জাতিকভাবে অন লাইটে মার্কেটিং হচ্ছে।

মোটরসাইকেল স্টাট করলেই হেড লাইট জ্বলে থাকে। যা আমাদের দেশের প্রচলিত সিস্টেমের সঙ্গে একেবারেই বেমানান। সাহাব উদ্দীনের উদ্ভাবিত ‘এসটিপি’ ডিভাইস দিয়ে হেড লাইট চালু ও বন্ধ করা যায়।

এছাড়াও একটিমাত্র সুইচের মাধ্যমে ডান-বামের ইন্ডিকেটর জ্বালানো এবং একইসাথে চারটি ইন্ডিকেটর জ্বালানো সম্ভব। এই ডিভাইসটিও সারা দেশে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। উদ্ভাবন বিষয়ের প্রয়োজনে সাহাব উদ্দীনের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন ০১৭২৯-৪৯৫০৮৬ এই নম্বরে।

মেহেরপুর জেলার অনেক মোটরসাইকেল মালিক ‘এটিএস’ স্থাপন করেছেন। তাই এখন মোটরসাইকেল চুরি নিয়ে আর কোন ভাবনা নেই বলে জানালেন ব্যবহারকারী কয়েকজন। যেখানে-সেখানে মোটরসাইকেল রেখে দুঃশ্চিন্তা ছাড়াই কাজ করতে পারছেন মোটরসাইকেল মালিকরা।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

More News Of This Category
© All rights reserved © 2016-2020 asianbarta24.com
Theme Customized By BreakingNews