1. [email protected] : AK Nannu : AK Nannu
  2. [email protected] : arifulweb :
  3. [email protected] : F Shahjahan : F Shahjahan
  4. [email protected] : Mahbubul Mannan : Mahbubul Mannan
  5. [email protected] : namecheap :
  6. [email protected] : Arif Prodhan : Arif Prodhan
  7. [email protected] : RM Rey : RM Rey
  8. [email protected] : Farjana Sraboni : Farjana Sraboni
মঙ্গলবার, ১৩ এপ্রিল ২০২১, ০৪:১৯ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ বার্তা :
সিরাজগঞ্জ বাঘাবাড়ী বেড়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের সরকারি গাছ কাটার হরিলুট রোশানকে নিয়ে ইকবালের তিন ছবি ইতিহাসের পাতায় সলঙ্গা বিদ্রোহের মহানায়ক মাওলানা আব্দুর রশীদ তর্কবাগীশ বানেশ্বরে শীতার্তদের মাঝে এনসিসি ব্যাংকের কম্বল বিতরণ নতুন তিন সিনেমায় সাইমন-মাহি জুটি পুঠিয়ায় ট্রাক্টর ও কারের মুখোমুখি সংঘর্ষে গুরুতর জখম দুইজন ফুলবাড়ীতে কর্মজিবী আদিবাসীদের মাঝে আর্থিক অনুদানের চেক প্রদান দৌলতদিয়ায়-পাটুরিয়া ফেরি চলাচল বন্ধ, মাঝ নদীতে ৪ ফেরি রাজবাড়ী পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ডে প্রতিবছর কোটি টাকার উন্নয়ন করা হবে -প্রার্থী পলাশ ঘন কুয়ায় দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ফেরি ও লঞ্চ চলাচল আবারও বন্ধ নলডাঙ্গায় ট্রেনের ধাক্কায় আহত নারীর মৃত্যু

ঝিনাইদহের মুক্তিযোদ্ধা মাহাতাব উদ্দিন এখন চা বিক্রেতা

  • Update Time : রবিবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০১৬
  • ১৮ Time View

18ঝিনাইদহ প্রতিনিধি: ঝিনাইদহ মহেশপুর উপজেলা ৫ ডিসেম্বর শত্রু মুক্ত হয়,তার আগের দিন রাতে ৪ঠা ডিসেম্বর হানাদার বাহিনীর সাথে মুক্তি বাহনীর তুমুল যুদ্ধ হয়। সেই যুদ্ধের নায়ক মাহাতাব উদ্দিন এখন এখন চা-বিক্রেতা। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে মহেশপুর থানায় একাধিক সম্মুখীন যুদ্ধের অগ্রনী নায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা মাহাতাব উদ্দিন, পিতা মৃত্যু পাচু মন্ডল, মাতা-শহর বানু ৪ ডিসেম্বর রাতে হানাদার বাহিনীর সাথে সম্মুখ যুদ্ধ করে মহেশপুরকে শত্রুমুক্ত করে এবং ৫ডিসেম্বর বিজয়ের পতাকা ওড়াই তৎকালীন মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোঃ ফয়জুর রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বে।

সেই সময় মাহাতাব উদ্দিনের বয়স ছিল ৩৫/৩৬ বছর বিশাল যোয়ান একজন পুরুষ। সবসময় সে এসএমজি চালাতো। আগে থেকেই মুজাহিদ বাহিনীর অভিজ্ঞতা থাকায় ভারতের ট্রেনিং এ তার দক্ষতার পরিচয় ঘটে। মাহাতাব উদ্দিন মহেশপুর পুরাতন সোনালী ব্যাংকের মধ্যে ছোট একটি দোকান দিয়ে এখন চা বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করে। এর আগে ভ্যান চালিয়েছে দীর্ঘ কয়েক বছর। মহেশপুর ৭/৮টি সম্মুখ যুদ্ধ সংঘঠিত হয়। সবকটি যুদ্ধে মাহাতাব উদ্দিন অসীম সাহসিক তার কারণে মুক্তি যোদ্ধারা বিজয় অর্জন করতে সক্ষম হয়।

২০ নভেম্বর ১৯৭১ সালে দত্তনগর যুদ্ধে তার স্ত্রী জাহানারা বেগম সন্তান প্রসবকালীন সময় মৃত্যু বরন করেন। কিন্তু তুমুল যুদ্ধ চলায় সেদিন মাহাতাব উদ্দিন স্ত্রীকে শেষ বারের মতো দেখতে আসতে পারেনি। কারণ যেভাবেই হোক হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করতে হবে এটাই ছিল তার মুল লক্ষ্য। তার সেই ইচ্ছে পূরন হয়েছিল কিন্তু স্ত্রীর সাথে শেষ দেখা হয়নি। বীর মুক্তিযোদ্ধা মাহাতাব উদ্দিন দুঃখের সাথে এসব কথা বলেন, দত্তনগর এলাকায় একাধারে কয়েক দিন যুদ্ধ চলেছিল।

এ সময় তার হাতে গুলি লেগেছিল এবং পায়ে সেলের স্পিলিন্ডার লেগে সে আহত হয়। এখনও তার কোন ভাল ঘর বাড়ী নেই, একটু বৃষ্টি হলেই আগে ঘরের মধ্যে পানি পড়ে সেই অবস্থায় বসবাস করছে। সরকারের দেওয়া ভাতা ছাড়া তারা আর কিছুই পায় না। বর্তমানে তার ৪ ছেলে ১ মেয়ে। চা বিক্রি করে বর্তমান যুগে এত বড় সংসার চালানো খুবই কষ্টকর।

মাহতাব উদ্দিন বলেন, সেই সময় শান্তি বাহিনী ও রাজাকার বাহিনীর অনেকেই আজো বীরদর্পে ঘোরা-ফেরা করে এটাই তার কাছে কষ্টদায়ক।তিনি দেশের জন্য যুদ্ধ করেছে, কিন্তু তার কথা এখন কেউ স্বরন করে না।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

More News Of This Category
© All rights reserved © 2016-2020 asianbarta24.com
Theme Customized By BreakingNews