গাইবান্ধা জেলা পরিষদ নির্বাচনে তৌহিদা বেগম ভোট প্রার্থনায় দারে-দারে

05 গাইবান্ধা থেকে আরিফ উদ্দিন : গাইবান্ধা জেলা পরিষদ নির্বাচনে সাদুল্লাপুর ও পলাশবাড়ী আংশিক সংরক্ষিত আসনে মহিলা সদস্য পদে দোয়াত কলম প্রতীকে মোছাঃ তৌহিদা বেগম। দেশের অন্যান্য এলাকার ন্যায় গাইবান্ধা জেলা পরিষদ নির্বাচনের চলছে নির্বাচনী হাওয়া। জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান, সংরক্ষিত মহিলা সদস্য  ও সদস্যদের সাথে তার নিজের পরিচয়সহ স্থানীয় জনকল্যাণে সম্পৃক্ততা তুলে ধরে পোস্টার ও লিফলেটসহ নানা ভাবে প্রচার-প্রচারণা ও গণসংযোগে অংশগ্রহণ করেছেন। সাদুল্লাপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ সাইদুর রহমান মুন্সী’র সহধর্মিনী তৌহিদা।

পেশা একজন শিক্ষিকা। তিনি শিক্ষকতার পাশাপাশি পারিবারিক অন্যান্য কাজ ছাড়াও স্বামীর সাথে নিজেকে সমাজসেবায় নিয়োজিত হতে চান। তিনি সাদুল্লাপুর উপজেলার ডামুডাঙ্গা গ্রামে স্থায়ী বাসিন্দা। তন্মধ্যে জেলা পরিষদ নির্বাচনে সাদুল্লাপুর ও পলাশবাড়ীর আংশিক সংরক্ষিত আসনে সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদে দোয়াত কলম প্রতীকে আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে ভোটারদের ধারে-ধারে গিয়ে মন জয় ও আঞ্চলিক প্রভাব বিস্তারে ব্যক্তিগত পরিচিতি তুলে ধরছেন।

নানা ভাবে জনসংযোগে অংশ নিচ্ছেন তিনি। প্রতিশ্র“তি দিচ্ছেন, এলাকার অবহেলিত রাস্তা-ঘাট, মসজিদ-মন্দির ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ নানা অবকাঠামো উন্নয়নের। প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত উক্ত সংরক্ষিত মহিলা আসনে দোয়াত কলম প্রতীকে তৌহিদা বেগম অন্যতম একজন প্রার্থী। একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী মহিলা প্রার্থী হিসেবে নম্র-ভদ্র স্বভাবের এবং স্বাভাবিক জীবন-যাপনের অধিকারী তৌহিদা বেগম এই প্রজন্মের অহংকার।

তৃণমূল পর্যায়ে প্রকৃত জনদরদী বলতে যা বুঝায় সব গুণাবলীই তার মধ্যে রয়েছে। সাদা-মাঠা ও সহজ-সরল জীবন-যাপনে অভ্যস্ত তৌহিদা বেগম। সাদুল্লাপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের সহধর্মিনী হিসেবে তিনি সকলস্তরের একজন প্রকৃত জনদরদী মহিলা প্রার্থী। তার এই পথচলায় সার্বক্ষনিক সামাজিক কাজে নিজেকে নিবেদিত রাখতে তিনি সকলের নিকট আন্তরিক ভোট প্রার্থনা করেছেন। চিরঅবহেলিত এই সংরক্ষিত আসনের সম্মানিত ভোটার নারী-পুরুষ তাদের পবিত্র আমানত ভোট সমর্থন প্রদান করলে ইনশাল্লাহ্ নিশ্চয়ই জয়ী হবেন তিনি আশাবাদী।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.