1. [email protected] : AK Nannu : AK Nannu
  2. [email protected] : arifulweb :
  3. [email protected] : F Shahjahan : F Shahjahan
  4. [email protected] : Mahbubul Mannan : Mahbubul Mannan
  5. [email protected] : namecheap :
  6. [email protected] : Arif Prodhan : Arif Prodhan
  7. [email protected] : RM Rey : RM Rey
  8. [email protected] : Farjana Sraboni : Farjana Sraboni
শনিবার, ১৭ এপ্রিল ২০২১, ০৮:৪০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ বার্তা :
সিরাজগঞ্জ বাঘাবাড়ী বেড়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের সরকারি গাছ কাটার হরিলুট রোশানকে নিয়ে ইকবালের তিন ছবি ইতিহাসের পাতায় সলঙ্গা বিদ্রোহের মহানায়ক মাওলানা আব্দুর রশীদ তর্কবাগীশ বানেশ্বরে শীতার্তদের মাঝে এনসিসি ব্যাংকের কম্বল বিতরণ নতুন তিন সিনেমায় সাইমন-মাহি জুটি পুঠিয়ায় ট্রাক্টর ও কারের মুখোমুখি সংঘর্ষে গুরুতর জখম দুইজন ফুলবাড়ীতে কর্মজিবী আদিবাসীদের মাঝে আর্থিক অনুদানের চেক প্রদান দৌলতদিয়ায়-পাটুরিয়া ফেরি চলাচল বন্ধ, মাঝ নদীতে ৪ ফেরি রাজবাড়ী পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ডে প্রতিবছর কোটি টাকার উন্নয়ন করা হবে -প্রার্থী পলাশ ঘন কুয়ায় দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ফেরি ও লঞ্চ চলাচল আবারও বন্ধ নলডাঙ্গায় ট্রেনের ধাক্কায় আহত নারীর মৃত্যু

১৩ ডিসেম্বর লালপুর মুক্ত দিবস

  • Update Time : মঙ্গলবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০১৬
  • ১৮ Time View

 
nator-mapলালপুর (নাটোর) থেকে সালাহ উদ্দিন : ১৩ ডিসেম্বর নাটোরের লালপুর মুক্ত দিবস। এই দিনে পরাজিত পাক হানাদার বাহিনী লালপুর থেকে বিতাড়িত হয়। ২৫ মার্চ থেকে ১৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত পাক বাহিনী দেশীয় দালাল ও রাজাকারদের সহায়তায় লালপুরের বিভিন্ন এলাকায় হত্যা, নির্যাতন, অগ্নিকান্ড ও লুটতরাজ চালায়। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে রাজশাহীর ২৫ নম্বর পাঞ্জাব রেজিমেন্টের অধিনায়ক কর্ণেল বালুচ এবং টুওয়াইসি মেজর রাজা আসলামের নেতৃত্বে পাকবাহিনীর বর্বরতায় শহীদ হন লালপুরের এমএনএ নাজমুল হক সরকার, অবাঙ্গালী হাফিজ সাত্তার, বীরেণ সরকার উকিল, শিল্প ব্যাংকের ম্যানেজার সাইদুর রহমানসহ আরও অনেক সাধারণ জনগণ।

১৭ এপ্রিল দুয়ারিয়া ইউনিয়নের রামকান্তপুর প্রামে পাকবাহিনী হত্যাযজ্ঞ চালিয়ে ১৮ জনকে হত্যা করে। ৩০ মার্চ ময়নায় সম্মুখ যুদ্ধে মুক্তি সেনারা হানাদারদের ২৫ নং রেজিমেন্ট ধ্বংস করে দেয়। সেদিন প্রায় ৮০ জন মুক্তিযোদ্ধা শহীদ ও ৩২ জন আহত হন। ঐদিনই পাক সেনাদের ছোড়া একটি সেলে চামটিয়া গ্রামে ৩ জন শহীদ হন। ১২ এপ্রিল ধানাইদহ ব্রিজের নিকট প্রতিরোধ যুদ্ধে ১০/১২ জন শহীদ হন। নাটোর জেলার যে কয়েকটি স্থানে পাক হানাদাররা নৃশংস হত্যা চালায় তার মধ্যে নর্থ বেঙ্গল সুগার মিলের গণহত্যা ছিল সবচেয়ে নির্মম ও হৃদয় বিদারক।
৫ মে পাক হানাদার বাহিনী সমন্ত চিনিকল এলাকা ঘেরাও করে মিলের তৎকালিন প্রসাশক লে: আনোয়ারুল আজিম সহ কর্মরত প্রায় অর্ধশত শ্রমিক, কর্মচারী ও কর্মকর্তাকে চিনিকলের অফির্সাস কলোনীর পুকুর পাড়ে দাঁড় করিয়ে ব্রাশ ফায়ার করে হত্যা করে। ঐ দিনই গোপালপুর বাজারে ৭ জনকে হত্যা করে এবং গোপালপুর-লালপুর রাস্তার আরও ৫ জন টমটম আরোহীকে গুলি করে হত্যা করে। ২৯ মে খান সেনাদের একটি দল চংধুপইলের পয়তারপাড়া গ্রামে নদীর পাড়ে ধরে এনে ৫০ জনেরও অধিক নিরীহ লোকজনকে গুলি করে হত্যা করে। ২৫ জুলাই গোপালপুর থেকে ধরে এনে ২২ জনকে লালপুর নীলকুঠির নিকটে হত্যা করা হয় এবং ২৬ জুলাই একই স্থানে ৪ জনকে জীবন্ত কবর দেওয়া হয়।
২০ জুলাই রামকৃষ্ণপুর গ্রামে অগ্নিসংযোগ ও ৫ জনকে হত্যা করে। ৩০ জুলাই বিলমাড়িয়া হাট ঘেরাও করে বেপরোয়া গুলি বর্ষন করে ৫০ জনেরও অধিক লোককে হত্যা করে। ৮ ডিসেম্বর পাঞ্জাব পুলিশ ও খানসেনারা থানা ত্যাগ করে। ৯ তারিখে অধিকাংশ রাজাকারও থানা ত্যাগ করে। ১০ই ডিসেম্বর মুক্তিবাহিনী থানা দখল করে। জনতা সেদিন উল্লাসে মেতে উঠে। কিন্তু হঠাৎ ১৩ ডিসেম্বর বর্বর খান সেনারা ঝটিকা আক্রমন করে মহেশপুর গ্রামে ৩৬ জনকে গুলি করে পালিয়ে যায়। এই দিনে লালপুরবাসী আনন্দ উল্লাস করে লালপুরকে মুক্ত ঘোষনা করেন।
১৬ ডিসেম্বর দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ২৪ ডিসেম্বর লালপুর এস এস পাইলট হাই স্কুল মাঠে এক বিজয় উৎসব, আলোচনা সভা ও শহীদদের আতœার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের পর আনুষ্ঠানিকভাবে লালপুরে স্বাধীন বাংলার পতাকা উত্তোলন করা হয়। লালপুর মুক্ত দিবস উপলক্ষে লালপুর পাবলিক লাইব্রেরীর উদ্যোগে ১৩ ডিসেম্বর বিকেল ৩ টায় বিজয় র‌্যালী ও লালপুর উপজেলা প্রেসক্লাবের উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

More News Of This Category
© All rights reserved © 2016-2020 asianbarta24.com
Theme Customized By BreakingNews