1. [email protected] : AK Nannu : AK Nannu
  2. [email protected] : arifulweb :
  3. [email protected] : F Shahjahan : F Shahjahan
  4. [email protected] : Mahbubul Mannan : Mahbubul Mannan
  5. [email protected] : Arif Prodhan : Arif Prodhan
  6. [email protected] : Farjana Sraboni : Farjana Sraboni
সোমবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১০:৩৫ অপরাহ্ন

রাজশাহী রেলস্টেশনে যা দেখছেন সবটাই ভুল, শুধু একদিনই ফুটেছিল ফুল

  • Update Time : শনিবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০১৬
  • ২০ Time View

06রাজশাহী থেকে মঈন উদ্দীন: বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক আমজাদ হোসেন রেলপথে শুক্রবার ভোরে রাজশাহী এসেছিলেন। ওইদিন ভোর পাঁচটায় তিনি রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনে এসে পৌঁছান। ওই রাতেই স্টেশনে ফুটে ওঠে কয়েক ধরনের হাজার হাজার ফুল। এর আগে স্টেশনে ফুল তো দূরের কথা; গাছই ছিল না।

রেলওয়ের কর্মচারিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মহাপরিচালকের আগমনের খবরে তাকে খুশি করতে তৎপর হয়ে ওঠেন পশ্চিম রেলের প্রকৌশলী ও কর্মকর্তারা। বৃহস্পতিবার সারারাত স্টেশনের বাইরে পার্কিং জোনে লাগানো হয় কয়েক হাজার ফুল গাছ। গাছগুলোতে আগে থেকেই ফুটে ছিল ফুল। শুক্রবার ভোরে স্টেশনে নেমে এসব ফুল গাছ চোখে পড়ে মহাপরিচালকের। রাতে লাগানোর পর গাছগুলোতে পানি দেয়া হলেও শুক্রবার দুপুরে গিয়ে দেখা যায়, বগুড়া থেকে আনা এসব ফুল গাছের প্রায় সবই নেতিয়ে পড়েছে।

এদিকে ফুল গাছ সংরক্ষনের জন্য স্টেশন ভবনের প্রবেশপথে বসানো হয়েছে ফেনসিং গ্রিল। এসব গ্রিলের হয়ে উঠল অত্যন্ত বিপজ্জনক, বলছেন রেলে নিয়মিত যাতায়াত করা যাত্রীরা। বৃহস্পতিবার রাত ১২টার দিকে স্টেশনে গেলে আবদুর রহমান (৪৫) নামে এক যাত্রী বলেন, তড়িঘড়ি করে মহাপরিচালককে খুশি করতে এতো আয়োজন। ফলে রাতের অন্ধকারের এসব কাজে ত্রুটি থাকা স্বাভাবিক।

জামাল হোসেন (৩৫) নামে আরেক যাত্রী বলেন, ফেনসিং গ্রিলগুলোর বল্লমের মতো ওপরের অংশে কেউ পড়লে তার মৃত্যু নিশ্চিত। আর ফুল গাছগুলো কতো দিন টিকবে, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়। অথচ আগে থেকে পরিকল্পনা করে এসব কাজ করা হলে রেল স্টেশনের সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে এটি দারুণ ভূমিকা রাখতো।

05এদিকে মহাপরিচালকের আগমনে স্টেশনে শুধু ফুলই ফোটেনি, চকচকে হয়ে উঠেছে প্লাটফরম, ভবন, পার্কিং জোন সবই। রেলের কর্মচারিরা জানিয়েছেন, মহাপরিচালক আসার দু’দিন আগে থেকে স্টেশন ভবনের দেয়ালে দেয়ালে লাগানো পোষ্টার উঠিয়ে রং করার কাজ শুরু হয়। বৃহস্পতিবার রাতেও এসব কাজ করা হয়েছে। অভিযোগ পাওয়া গেছে, বড়কর্তাকে খুশি করতে গিয়ে এসব কাজের নামে রেলের কর্মকর্তারা বিপুল অর্থের নয়ছয় করেছেন।

এসব কাজ কে করছেন জানতে চাইলে রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনের সহকারী স্টেশন মাস্টার ময়েন উদ্দিন বলেন, ‘বিষয়টি আমার জানা নেই। এটা পশ্চিম রেলের প্রকৌশল বিভাগ থেকে করেছে। তবে শুনেছি একজন ঠিকাদারকে কাজগুলো দেয়া হয়েছিল।’

রেলের একটি সূত্র জানিয়েছে, ‘জরুরী মূহুর্তে’ এমন কাজ রেলের কর্মকর্তারা করতে পারেন। সেক্ষেত্রে অন্য কোনো কাজের টাকা এসব কাজে ব্যয় করা হয়। এক্ষেত্রেও তাই করা হয়েছে। আর পুরো কাজটি দেখভালের দায়িত্বে ছিলেন পশ্চিম রেলের প্রধান প্রকৌশলী রমজান আলী।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

More News Of This Category
© All rights reserved © 2016-2020 asianbarta24.com

Developed By Pigeon Soft