1. [email protected] : AK Nannu : AK Nannu
  2. [email protected] : arifulweb :
  3. [email protected] : F Shahjahan : F Shahjahan
  4. [email protected] : Mahbubul Mannan : Mahbubul Mannan
  5. [email protected] : namecheap :
  6. [email protected] : Arif Prodhan : Arif Prodhan
  7. [email protected] : RM Rey : RM Rey
  8. [email protected] : Farjana Sraboni : Farjana Sraboni
বুধবার, ২১ এপ্রিল ২০২১, ১০:৩৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ বার্তা :
সিরাজগঞ্জ বাঘাবাড়ী বেড়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের সরকারি গাছ কাটার হরিলুট রোশানকে নিয়ে ইকবালের তিন ছবি ইতিহাসের পাতায় সলঙ্গা বিদ্রোহের মহানায়ক মাওলানা আব্দুর রশীদ তর্কবাগীশ বানেশ্বরে শীতার্তদের মাঝে এনসিসি ব্যাংকের কম্বল বিতরণ নতুন তিন সিনেমায় সাইমন-মাহি জুটি পুঠিয়ায় ট্রাক্টর ও কারের মুখোমুখি সংঘর্ষে গুরুতর জখম দুইজন ফুলবাড়ীতে কর্মজিবী আদিবাসীদের মাঝে আর্থিক অনুদানের চেক প্রদান দৌলতদিয়ায়-পাটুরিয়া ফেরি চলাচল বন্ধ, মাঝ নদীতে ৪ ফেরি রাজবাড়ী পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ডে প্রতিবছর কোটি টাকার উন্নয়ন করা হবে -প্রার্থী পলাশ ঘন কুয়ায় দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ফেরি ও লঞ্চ চলাচল আবারও বন্ধ নলডাঙ্গায় ট্রেনের ধাক্কায় আহত নারীর মৃত্যু

ঝিনাইদহে শৈলকুপায় পাওয়া লাশটি কার ?

  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১ ডিসেম্বর, ২০১৬
  • ২০ Time View

03ঝিনাইদহ প্রতিনিধি: ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার হাটফাজিলপুর গ্রামে পাওয়া লাশটি আসলে কার ? গত ২০ সেপ্টম্বর লাশটি পাওয়ার ৭২ দিন অতিবাহিত হলেও লাশের পরিচয় উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ। উদ্ধার হয়নি হত্যার মোটিভ ও ক্লু।

এদিকে লাশটি উদ্ধারের পর মাগুরার ইছাখাদা গ্রামের আকমল হোসেনের নিখোঁজ ছেলে হুমায়ন কবীরের বলে তার পরিবারের লেকজন সনাক্ত করেন। সে মোতাবেক লাশ দাফন ও ইছাখাদা গ্রামের বাড়িতে খানা করা হয়। ঘটনার ৬৮ দিন পরে “নিহত” সেই হুমায়ন বাড়ি ফিরে আসেন। ফলে লাশটি যে হুমায়ন কবিরের নয়, তা প্রমানিত হয়।

ঝিনাইদহ শৈলকুপা থানার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই তোবারক হোসেন জানান, হুমায়ন কবীরের লাশ দাবী করে নিয়ে দাফন করার পর তার স্ত্রী ইতির মোবাইল রেকর্ড যাচাই করা হয়। দেখা যায় স্ত্রী ইতি একই নাম্বারে প্রতিদিন একাধিকবার কথা বলেছেন। এরপর কললিষ্ট তুলে জানা যায় হুমায়ন বেঁচে আছেন। তার স্ত্রীও বিষয়টি স্বীকার করেন।

এসআই তোবারক হোসেন বলেন, এরপর হুমায়নকে যশোরের একটি দর্জির দোকান থেকে উদ্ধার করা হয়। তিনি আরো বলেন, মামলাটি এখন সিআইডি তদন্ত করছে। পেশায় দর্জি হুমায়ন বাড়ি থেকে নিরুদ্দেশ হয়ে যশোর, মনিরামপুর ও বেনাপোল শহরে দর্জির কাজ করতো বলে ফিরে এসে পুলিশকে জানায়।

এদিকে হুমায়ন কথিত নিহত হওয়ার পর তার বাবা আকমল হোসেন প্রতিবেশির নামে হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় ইছাখাদা গ্রামের সুবোল কুমার বুস, তার ছেলে ঐশিক বুস, মেয়ে মন্দিরা বসু ও পলাশ শিকদারকে আসামী করা হয়। মামলার এজাহারে বলা হয়, আসামীরা তার ছেলেকে অপহরণের পর হত্যা করেছেন। সামাজিক ভাবে শায়েস্তা করতেই হিন্দু পরিবারের বিরুদ্ধে মামলা করেন আকমল হোসেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

More News Of This Category
© All rights reserved © 2016-2020 asianbarta24.com
Theme Customized By BreakingNews