1. [email protected] : AK Nannu : AK Nannu
  2. [email protected] : arifulweb :
  3. [email protected] : F Shahjahan : F Shahjahan
  4. [email protected] : Mahbubul Mannan : Mahbubul Mannan
  5. [email protected] : Arif Prodhan : Arif Prodhan
  6. [email protected] : Farjana Sraboni : Farjana Sraboni
সোমবার, ২৯ নভেম্বর ২০২১, ১১:১০ পূর্বাহ্ন

নভেম্বরে রাজশাহীতে নারী ও শিশু নির্যাতন শিকার ৫৬ জন: গণধর্ষণ আত্মহত্যায় উদ্বেগ

  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১ ডিসেম্বর, ২০১৬
  • ৩২ Time View

02রাজশাহী থেকে মঈন উদ্দীন : রাজশাহী মহানগরী ও উপজেলায় নভেম্বর মাসে মোট ৫৬ জন নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে নারী ২৮ জন ও শিশু ২৮ জন নির্যাতনের শিকার হয়েছে। নগরীর যমুনা আবাসিক হোটেলে কিশোরী গণধর্ষণের শিকার এবং নারী ও শিশুর আত্মহত্যার ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন। সংবাদপত্রের তথ্যের ভিত্তিতে উন্নয়ন সংস্থা লেডিস অর্গানাইজেশন ফর সোসাল ওয়েলফেয়ার (লফস) এসিডি’র নিজস্বপ্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।

এসিডির প্রকল্প সমন্বয়কারী এস.এম. আহসানুল্লাহ সরকার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানান- রাজশাহীতে ২৮ জন নারী নির্যাতনের মধ্যে মহানগরীতে ৮ জন ও উপজেলার ৯টি থানায় ২০ জন। এর মধ্যে পবায় ৭টি, বাগমারায় ৬টি, বাঘায় ৩টি এবং মোহনপুর, পুঠিয়া, চারঘাট ও দুর্গাপুরে ১টি করে মোট ৪টি নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনার মধ্যে রহস্যজনক মৃত্যু ১টি, ধর্ষণ ২টি, ধর্ষণের চেষ্টা ১টি, অপহরণ ২টি, আত্মহত্যা ৩টি, আত্মহত্যার চেষ্টা ১টি, যৌন হয়রানী ১টি এবং অন্যান্য ১৭টি (যেমন-মারপিট) ঘটনা ঘটেছে।

আর ২৮টি শিশু নির্যাতনের শিকার হয়েছে। এর মধ্যে মহানগরীতে ৫ জন ও মহানগরীর বাইরের ৯ থানায় ২৩ জন। এদের মধ্যে গোদাগাড়ীতে ৬ জন, পবায় ৫ জন, বাগমারা, বাঘা ও দুর্গাপুরে ৩ জন করে মোট ৯ জন, পুঠিয়ায় ২ জন এবং মোহনপুরে ১ জন শিশু নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনার মধ্যে হত্যা ১জন, হত্যার চেষ্টা ১জন, ধর্ষণ জন, ধর্ষণের চেষ্টা ২জন, অপহরণ ২জন, আত্মহত্যা ৩ জন, আত্মহত্যার চেষ্টা ১ জন, যৌন হয়রানী ৬ জন ও অন্যান্য ৯ জন নির্যাতনের শিকার হয়েছেন।

আলোচিত ঘটনার মধ্যে যৌন হয়রানীর জেরে গত ১৫ নভেম্বর মহানগরীর মতিহার থানাধীন শাহাপুর পশ্চিমপাড়া এলাকার নাজমুল হক নাজুর মেয়ে বর্ণা খাতুন (১৩) ও একই এলাকার মুক্তার আলীর মেয়ে উম্মে মারিয়া সম্পা (১৩) একই সাথে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ঝুঁলে আত্মহত্যা করে। উভয়ই কাটাখালীর বেলঘরিয়া আবদুস সাত্তার উচ্চ বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। তাদের সুইসাইড নোটে লিখা হয় বর্ণাকে এলাকার মুন্না ও সম্পাকে বিপ্লব মাস্টার নামের ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে উত্যক্ত করলেও পরিবার কোন গুরুত্ব দিত না। এই কারণে ওইদিন প্রাইভেট শেষে উভয়ই সম্পার বাড়িতে এসে ঘরের মধ্যে আত্মহত্যা করে। পরে এ ঘটনায় হওয়া পৃথক মামলায় অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে পুলিশ।

এছাড়াও গত ২৭ নভেম্বর দিবাগত রাতে মহানগরীর মালোপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির সামনে ‘যমুনা আবাসিক হোটেলে’ বগুড়ার সোনাতলা থানা থেকে আসা এক কিশোরীকে ওই হোটেলের ৭জন কর্মচারী গণধর্ষণ করে। পরে ভিকটিম কৌশলে পালিয়ে বোয়ালিয়া থানায় পৌঁছে মামলা করে। এরপর তাকে রামেক হাসপাতালে ভর্তি শেষে অভিযুক্তদের মধ্যে ৪জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

এসব ঘটনায় সংস্থাগুলো উদ্বেগ প্রকাশ করেন। লফস এর নির্বাহী পরিচালক শাহনাজ পারভীন বলেন রাজশাহীতে নারী ও শিশু নির্যাতনের প্রকাশিত তথ্য হতাশজনক। সংবাদপত্রে প্রকাশিত ঘটনার বাইরেও অনেক ঘটনা ঘটে যা প্রকাশিত হয় না। সম্প্রতি রাজশাহী অঞ্চলে নারী -শিশু নির্যাতন সহ সার্বিক ঘটনাগুলোর সুষ্ঠ তদন্ত ও দায়ীদের দিষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন। তিনি বলেন অপরাধীদের শাস্তি নিশ্চিত করা না গেলে ক্রমশই অপরাধীরা উৎসাহিত হবে এবং অপরাধ মাত্রা বৃদ্ধি পাবে। লফস সকল নারী-শিশু নির্যাতন ঘটনাগুলোর সুষ্ঠু তদন্ত স্বাপেক্ষে অপরাধীর কঠোর শাস্তির দাবী জানান তিনি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

More News Of This Category
© All rights reserved © 2016-2020 asianbarta24.com

Developed By Pigeon Soft