বগুড়ার নন্দীগ্রামে বাক-প্রতিবন্দ্বী মেয়ে ৭মাসের অন্তসত্বা

08নন্দীগ্রাম (বগুড়া) প্রতিনিধি:  বগুড়ার নন্দীগ্রাম পৌরসভার নামুইট গ্রামে এক বাক-প্রতিবন্দ্বী মেয়ে মোবাইল ফোনের ফাঁদে পড়ে ৭মাসের অন্তসত্বার ঘটনার অভিযোগ উঠেছে। এঘটনাটি ধামাচাপা দিতে একটি মহল বিভিন্ন দপ্তরে ম্যানেজের চেষ্টা চালাচ্ছে। এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, নামুইট গ্রামে ৭মাস পূর্বে এক বাক-প্রতিবন্দ্বী মেয়ে ছাগল নিয়ে মাঠে যায়। এই সুযোগে ওই গ্রামের উজ্জল হোসেন নামে এক যুবক তাকে মোবাইল ফোনে প্রায় দিন গান শুনাতো। একপর্যায়ে বাক-প্রতিবন্দ্বী মেয়েটিকে ধর্ষন করে। এরপর বাক-প্রতিবন্দ্বী মেয়েটি বাড়িতে তার পরিবারের লোকজনকে ইসেরা-ইঙ্গিতে বলে।

পরে পরিবারের লোকজন ওই যুবকের পরিবারকে বললে তারা তখন উল্টো ভয়ভীতি দেখিয়ে তারিয়ে দেয়। চলতি মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে বাক-প্রতিবন্দ্বী মেয়েটিকে মেডিকেল চেকাপ করিয়ে ৭মাসের অন্তসত্বা বলে ডাক্তার জানায়। এঘটনাটি জানাজানি হলে ২২ নভেম্বর রাতে গ্রামে সালিশ বৈঠক বসে। সে বৈঠকে বাক-প্রতিবন্দ্বী মেয়েটি ইসেরা-ইঙ্গিতে উজ্জল হোসেনকে দেখিয়ে দেয়। তবে উজ্জল হোসেন ঘটনাটি অস্বীকার করে ডিএনএ পরীক্ষা করার দাবী করেন।

এনিয়ে সে বৈঠকটি ভন্ডুল হয়ে যায়। এরপর থেকে ছেলেটি গা ঢাকা দিয়েছে বলে জানা গেছে। মেয়েটির পেটের বাচ্চার বাবা কে হবেন ? এই প্রশ্ন করে হাওমাই করে-কদে বাক-প্রতিবন্দ্বী মেয়েটির বড় বোন হাজেরা বেগম লম্পট যুবকের শাস্তি চান। এপ্রসঙ্গে ব্র্যাক লিগ্যাল এইড উপজেলা শাখার ফিল্ড অগ্রানাইজার মোমেনা খাতুন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ৭মাস পূর্বে উজ্জল নামে ছেলেটি মোবাইল ফোনে গান শুনার ফাঁদে ফেলে মেয়েটিকে ধর্ষন করে। গ্রাম্য সালিশের পর থেকে ওই ছেলেটি পলাতক রয়েছে। বর্তমানে মেয়েটি ৭মাসের অন্তসত্বা। এব্যাপারে থানা অফিসার ইনচার্জ(ওসি) আব্দুর রাজ্জাক জানান, এবিষয়ে কেউ কোন অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.