গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে চতুর্থ দিনে ১৪৪ বস্তা ধান বুঝে পেল সাঁওতালরা

0200গাইবান্ধা থেকে ফারুক হােসেন: আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার সাহেবগঞ্জ ইক্ষু খামারের অধিগ্রহণকৃত জমির চতুর্থ দিনে কাটা ১৪৪ বস্তা ধান সাঁওতালদের বুঝিয়ে দিল সুগার মিল কর্তৃপক্ষ।

রোববার সন্ধ্যায় সাঁওতালদের পক্ষে গ্রহণ করেন, তাদের নেতা আনসেল হেমব্রম। এর আগে ধানকাটার প্রথম দিন বৃহস্পতিবার ২৬ বস্তা, দ্বিতীয় দিনে ৫৬ বস্তা ও তৃতীয় দিনে ৬৭ ধান সাঁওতালদের বুঝিয়ে দেয় সুগার মিল কর্তৃপক্ষ।

এসময় উপস্থিত আছেন, রংপুর সুগার মিলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুল আউয়াল, গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আব্দুল হান্নান, সহকারী কমিশনার (ভূমি) আহাদ আলী প্রমুখ।

গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আব্দুল হান্নান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, খামারের ৪৫.৫০ একর জমিতে ধান চাষ করেছিল সাঁওতালরা। এর মধ্যে ৩০ একর জমির ধান কাটার উপযোগী হওয়ায় আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী বৃহস্পতিবার থেকে কাটা শুরু কলে মিল কর্তৃপক্ষ।

আজ ৩০ একর জমির  ধান কাটা শেষে হয়েছে। চার দিনে কাটা ২৯৩ বস্তা ধান সাঁওতাল জনগোষ্ঠিকে যথাযথ ভাবে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। বাকী ১৫.৫০ একর জমির ধান কাঁচা রয়েছে। যা ২/১ দিনের মধ্যে কেটে সাঁওতালদের বুঝিয়ে দেওয়া হবে।

গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুভ্রত কুমার সরকার জানান, আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী ধানকাটার বিষয়ে সাঁওতালদের সঙ্গে একাধিকবার আলোচনা করা হয়েছে। এ ব্যাপারে তারা সিদ্ধান্ত গ্রহণ না করায় এবং ধান না কাটায় সুগার মিল কর্তৃপক্ষ ধানকেটে সাঁওতাল জনগোষ্ঠিকে বুঝিয়ে দিচ্ছে।

প্রসঙ্গত: সাঁওতাল নেতৃবৃন্দ আগে থেকে জানিয়ে আসছিল যে, আমাদের বাবা-দাদার জমি ফেরতের ঘোষনা না দেওয়া পর্যন্ত আমরা জমির ধান কাটবো না। কারণ ধান কাটলে আমাদের জমি মিল কর্তৃপক্ষের দখলে চলে যাবে। তারা ওই জমিতে আখচাষ করবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.