1. [email protected] : AK Nannu : AK Nannu
  2. [email protected] : arifulweb :
  3. [email protected] : F Shahjahan : F Shahjahan
  4. [email protected] : Mahbubul Mannan : Mahbubul Mannan
  5. [email protected] : Arif Prodhan : Arif Prodhan
  6. [email protected] : Farjana Sraboni : Farjana Sraboni
সোমবার, ২৯ নভেম্বর ২০২১, ১১:৩৮ পূর্বাহ্ন

বগুড়ার শেরপুরে ভদ্রাবতী খাল খননে বদলে গেছে ১৪ গ্রামের কৃষিজীবীদের জীবন চিত্র

  • Update Time : মঙ্গলবার, ১৫ নভেম্বর, ২০১৬
  • ২১ Time View
SAMSUNG CAMERA PICTURES

 

SAMSUNG CAMERA PICTURES

শেরপুর (বগুড়া) থেকে আব্দুল ওয়াদুদ: বর্তমান সরকার গ্রামীণ জনপদের কৃষিজীবীদের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়নের জন্য স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) অংশগ্রহণমূলক ক্ষুদ্রাকার পানি সম্পদ সেক্টর প্রকল্পের আওতায় বগুড়ার শেরপুর উপজেলার বিশালপুর ইউনিয়নের দুবলাই-ভদ্রাবতী খাল পুনঃখনন ও পাড় উঁচু করায় খালের দুই পাড়ের প্রায় ১৪ টি গ্রামের কৃষিজীবী মানুষের ভাগ্য বদলে গেছে। এ বছর নষ্ট হয়নি আমন ফসল। প্রায় ১৪ কিঃমিঃ খালে সারা বছর পানি থাকায় বাড়ছে মাছের উৎপাদন।

এ ছাড়া খাল তীরবর্তী কিষানীরা হাঁস পালন করে করছে বাড়তি আয়।শেরপুর উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) সূত্রে জানা গেছে, “অংশগ্রহণমূলক ক্ষুদ্রাকার পানি সম্পদ সেক্টর” প্রকল্পের  আওতায় ২০১৫ সালে দুবলাই-ভদ্রাবতী খাল পুনঃখনন ও পাড় উঁচু করা হয়। দুবলাই-ভদ্রাবতী পানিব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতির সভাপতি মোঃ জিয়াউল হক জানান, ভদ্রাবতী খালের দুই পাড়ের দুবলাই, দোয়ালসাড়া, সিংড়াপাড়া, চাটাইল, গন্ধবপুর, মুকুন্দপুর, ঘোলঘরিয়া, সিমলা, সাতবাড়িয়া ও সগুনা গ্রামের প্রায় ১৪টি গ্রামের কৃষিজীবী মানুষ আমন ধান ঘরে তুলতে পারতোনা।

ভদ্রাবতী খাল ভরাট হওয়ার কারণে বর্ষা মৌসুমে সামান্য বৃষ্টিতেই খালের দুই পাড় উপচে পানি ঢুকে পড়তো ফসলী জমি ও বসতবাড়িতে। ফলে আমন ক্ষেত নস্ট হত। কৃষকরা বার বার চারা রোপন করেও আমন ধান ঘরে তুলতে পারতোনা। খাল খনন করে দুই পাড় উঁচু করার কারণে এ বছর মাঠের আমন ফসল নস্ট হয়নি। খাল তীরবর্তী  কৃষকরা এ বছর উৎসব মুখর পরিবেশে আমন ধান ঘরে তুলেতে শুরু  করেছে।

সিমলা গ্রামের কৃষক মোঃ আফসার আলী জানান, তিনি প্রতি বছর প্রায় ১২ বিঘা জমিতে আমন ধান চাষ করে থাকেন। প্রতি বছর ভরাট হওয়া ভদ্রাবতী খালের পানি উপচে মাঠে প্রবেশ করে তার জমির ফসল নস্ট হতো। কিন্তু এবছর আমন মৌসুম শুরু হওয়ার আগে খাল পুনঃখনন করে দুই পাড় উঁচু  করার কারণে পানি মাঠে প্রবেশ করতে পারেনি। এ কারণে এবছর আমনের আবাদ ভাল হয়েছে।

সগুনা গ্রামের কৃষক মোঃ নুরুল ইসলাম  জানান, খাল পুনঃখনন করায় এখন সারা বছর খালে পানি পাওয়া যায়। ফলে এই এলাকার মানুষ সারা বছর খাল থেকে মাছ ধরতে পারছে। সাতবাড়িয়া গ্রামের কৃষক রিপন  জানান, খালে পানি থাকায় খালের তীরে বসবাসকারী নারীরা হাঁস পালন করে আর্থিক ভাবে লাভবান হচ্ছে। ঘোলঘোরিয়া গ্রামের কৃষক জাহাঙ্গীর সহ অনেক কৃষক জানান, খাল পুরঃখননের ফলে প্রকল্প এলাকাভুক্ত কৃষি জমিতে বছরে তিনটি ফসল উৎপাদন করতে পারবে। এছাড়া শুকনা মৌসুমে খালের পানি কাজে লাগিয়ে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি করতে পারবে।

শেরপুর উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ ওবায়দুর রহমান জানান, অংশগ্রহণ মূলক ক্ষুদ্রাকার পানি সম্পদ সেক্টর প্রকল্পের খাল খনন উপ-প্রকল্পের আওতায় প্রায় ১ কোটি টাকা ব্যায়ে শেরপুর উপজেলার কুসুম্বি ও বিশালপুর ইউনিয়নের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত প্রায় ১৪ কিঃ মিঃ দুবলাই- ভদ্রাবতী খালপুনঃখনন করা হয়েছে।
শেরপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ খাজানুর রহমান জানান, ভদ্রাবতী খাল পুনঃখনন করে দুই পাড় উচু করায় আশ-পাশের এলাকায় জলাবব্ধতা দেখা দেয়নি ফলে এবছর প্রায় ৯৮০ হেক্টর জমিতে ৩ হাজার মেঃটন ধান বেশী উৎপাদন হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

More News Of This Category
© All rights reserved © 2016-2020 asianbarta24.com

Developed By Pigeon Soft