পাবনায় ২০ দিন পর অটোবাইক চালকের লাশ উদ্ধার

08পাবনা প্রতিনিধি : পাবনার ঈশ্বরদীতে শান্ত (১৮) নামের শিশু অটোচালককে অপহরনের ২০ দিন পর লাশ উদ্ধার করেছে র‌্যাব। আজ বুধবার অপহরনের সাথে জরিত সন্দেহে আটক মো: শান্ত (২২) নামের যুবকের স্বীকারোক্তিতে লাশ উদ্ধার করা হয়।
নিহত অটোচালক শান্ত ঈশ্বরদী উপজেলার নারিচা এলাকার লুলু মোল্লার ছেলে এবং হত্যার সাথে জড়িত মো: শান্ত উপজেলার জয়নগর বাবুপাড়া এলাকার রবি সর্দারের ছেলে।

র‌্যাব-১২ পাবনা ক্যাম্প সূত্রে জানা গেছে, গত মাসের ২০ তারিখে শান্ত তার নিজস্ব ব্যাটারী চালিত অটো বাইক ভাড়ায় চালানোর জন্য বাহির হয়ে বাড়ি ফেরত না আসায় তার পিতা লুলু মোল্লা ঈশ্বরদী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করেন।

পরবর্তীতে গত ২৩ তারিখে ঈশ্বরদীর কাদিমপাড়া বাজারগামী পাকারাস্তা সংলগ্ন স্থানে শান্তর অটোবাইকের অংশ বিশেষ পাওয়া যায়। বিষয়টি পাবনা র‌্যাব ক্যাম্প অবগত হয়ে এ সংক্রান্ত উক্ত এলাকায় র‌্যাবের গোয়েন্দা নজরদারী অব্যাহত রাখে। এ ব্যাপারে গত ইং ০৫/১১/২০১৬ তারিখ ঈশ্বরদী থানার মামলা নং-১২ ধারা-৩৬৪/৩৭৯/৩৪ রুজু হয়। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে র‌্যাব পাবনা আসামী মো: শান্ত গ্রেফতার করে।

আটকের পর জিঞ্জাসাবাদে শান্ত জানায় যে, গত ২০/১০/২০১৬ ইং সন্ধার দিকে তার সহযোগী পলাতক আসামী চমন (২২) পিতা-মিজান বিশ্বাস, ও শাহজাহান (২১) পিতা- আজিবর প্রাং, উভয় সাং-বড়ইচাড়া থানা- ঈশ্বরদীর একটি ফোন-ফ্যাক্সের দোকান হতে শান্তকে ফোন করে তাদের নিকট নিয়ে আসে। এরপর তারা শান্তকে সলিমপুর হাজীপাড়া টাওয়ার মাঠে লিচু বাগানের নিয়ে যায়।

সেখানে প্যান্টের বেল্ট খুলে আসামী মাসুদ ও শাহজাহান উক্ত বেল্ট দ্বারা শান্তর গলায় প্যাঁচ লাগিয়ে শ্বাস রোধ করে হত্যা করে। আসামীরা শান্তর লাশ সলিমপুর হাজীপাড়া টাওয়ার মাঠে লিচু বাগানের নিচে হলুদ ক্ষেতের পাশে মাটিতে পুতে রেখে পুনরায় রাজুর বাড়িতে এসে অটেবাইকের যন্ত্রাংশ খুলে ফেলে যন্ত্রাংশ বিক্রি করে।

এরুপ স্বীকারোক্তিতে অপহৃত শান্তর লাশ, চোরাই অটোবাইকের যন্ত্রাংশ ও মোবাইল ফোন সেট পাবনা র‌্যাব কর্তৃক উদ্ধার করা হয়েছে। আসামীরা সংঘবদ্ধ চোর দলের সদস্য। তারা পাবনা জেলাসহ পার্শ্ববতী জেলাসমুহে অটোবাইক সহ অন্যান্য মালামাল চুরি আন্ত জেলা চক্র।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.