ঈশ্বরদী ঐতিহাসিক বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত

05ঈশ্বরদী (পাবনা) প্রতিনিধি : বিএনপি ঈশ্বরদী পৌর শাখা সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আয়োজনে যথাযোগ্য মর্যাদায় ঈশ্বরদীতে ঐতিহাসিক বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত হয়েছে। গতকাল সোমবার সকালে রেলগেটস্থ বিএনপি কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন ও বিকেলে যুবদল কার্যালয়ে মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

ঈশ্বরদী পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি আক্তারুজ্জামানের সভাপতিত্বে ঐতিহাসিক বিপ্লব ও সংহতি দিবসের আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, বিএনপি নেতা জাহিদুলইসলাস বিশ্বাস, আতাউর রহমান পাতা, ইসলাম হোসেন জুয়েল, শাহ আলম, মোয়াজ্জেম হোসেন ও দুলাল মন্ডল যুবদল নেতা মতিউর রহমান সন্টু, আবু বক্কার, আকতার হোসেন নিফা, জসিম, মোশারফ ও জুই ছাত্রদল নেতা মোস্তফা নূরে আলম শ্যামল ও মামুনুর রশিদ নান্টু।

বক্তারা বলেন, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান মেজর জিয়াউর রহমানের জন্ম না হলে এদেশ স্বাধীন হতোনা। মেজর জিয়া কালুর ঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনার ঘোষণা প্রদান করেন। ৭ নং সেক্টর কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করে যুদ্ধ চালিয়ে গেছেন। আজকের এই দিনে সবচেয়ে বেশি মনে পড়ছে বাংলার রাখাল রাজা কৃষক-শ্রমিক ও গণমানুষের বন্ধু শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে।

বক্তারা আরও বলেন, স্বাধীনতার পর ঈশ্বরদীতে আওয়ামীলীগের ওরা ২০ জন নামে একটি গ্রুপ এলাকার যুবতী মেয়েদের ইজ্জত হরণ করেছে। জোর পূর্বক সম্ভ্রান্ত পরিবারের মেয়েদের বিয়ে করেছে। ওদের ভয়ে বাজার-ঘাটে যাওয়া আসা মুশকিল হয়ে পড়েছিল।

সে সময় সরকার দেশের সকল সংবাদপত্র বন্ধ করে দিয়ে মাত্র চারটি পত্রিকা চালু রেখেছিলেন আবার সেই পত্রিকা সরকারের নির্দেশ মোতাবেক পরিচালিত হতো। এদেশ যখন তলা বিহিন ঝুঁড়িতে পরিনত ছিল ঠিক সেই মুহুর্তে দেশের প্রয়োজনে শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান দেশ প্রধানের দায়িত্ব নিয়েছিলেন। বর্তমানে দেশে গণতন্ত্র নেই বাকশালী কায়দাকেও হার মানিয়েছে। সন্ত্রাস আর গুম, খুনে দেশ ছেয়ে গেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.