1. [email protected] : AK Nannu : AK Nannu
  2. [email protected] : arifulweb :
  3. [email protected] : F Shahjahan : F Shahjahan
  4. [email protected] : Mahbubul Mannan : Mahbubul Mannan
  5. [email protected] : Arif Prodhan : Arif Prodhan
  6. [email protected] : Farjana Sraboni : Farjana Sraboni
শনিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৪:০৪ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ বার্তা :
সিরাজগঞ্জ বাঘাবাড়ী বেড়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের সরকারি গাছ কাটার হরিলুট ইঞ্জিনিয়ারিং সিলেবাসে রামায়ন মহাভারত থাকলে কুরআন বাইবেল থাকবে না কেনো ? মসজিদের জমিতে শিবলিঙ্গ স্থাপন করে মন্দির বানানোর পাঁয়তারা নিজের হাতেই করুন নিজের জীবন বাঁচানোর পরীক্ষা পরীমনির হাতের মাঝে হৃদয়ের ভাষা খাড়ালেই ভোট দাঁড়ালেই এমপি : রাজনীতিতে নির্বাচনী দৌড়ঝাঁপ শুরু বিশ্বের মুসলিম স্কলারদের অভিনন্দন তালেবানদের : খুলাফায়ে রাশেদার দৃষ্টান্ত স্থাপনের আহবান পাকিস্তানের আগেই তালেবান সরকারকে স্বীকৃতি ভারতের মহাসমারোহে চলছে ফ্রি ফায়ার পাবজি ভুয়া খবরে লাইক শেয়ার কমেন্ট বেশি যে কারনে ধর্মের নামে ব্যবসা : ইমামতি ছেড়ে ২০ হাজার কোট টাকার মালিক মুফতি রাগীব হাসান

পাবনায় দু’হাত নেই,পা দিয়ে লিখে পরীক্ষা দিচ্ছে মিরাজুল

  • Update Time : শনিবার, ৫ নভেম্বর, ২০১৬
  • ৪০ Time View

33পাবনা প্রতিনিধি : জন্মগতভাবে দুটি হাত না থাকায় পা দিয়ে লিখে চলতি জেএসসি পরীক্ষা দিচ্ছেন পাবনার আটঘরিয়ার মিরাজুল ইসলাম। গত মঙ্গলবার থেকে শুরু হওয়া জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) পরীক্ষায় উপজেলার দেবোত্তর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে চান্দাই উচ্চ বিদ্যালয় থেকে পা দিয়ে লিখে পরীক্ষা দিচ্ছে সে। প্রতিবন্ধী স্কুল ছাত্র মিরাজুল আটঘরিয়া উপজেলার লক্ষিপুর ইউনিয়নের যাত্রাপুর গ্রামের মো: তোরাব আলীর ছেলে।

পরিবারে তারা দুই ভাই এক বোন। বড় ভাই সূর্য দশম শ্রেণি পর্যন্ত লেখাপড়া করে বর্তমানে বাবার সঙ্গে যাত্রাপুর বাজারে একটি ছোট ব্যবসা করেন, ছোট বোন মুক্তা ৭ম শ্রেণির ছাত্রী।

মা সূর্যা খাতুন বলেন, ২০০৩ সালের ২৪ জুলাই মিরাজুল ইসলাম বিকলাঙ্গ অবস্থায় জন্ম হয়। আমরা স্বামী-স্ত্রী দুইজনেই লেখাপড়া জানি না। অভাব অনটনের মধ্যে সন্তানদের লেখাপড়া শেখাচ্ছি। তিনি জানান, মিরাজুল হাত না থাকলেও সব কাজ নিজেই করতে পারে।

এলাকাবাসী জানায়, মিরাজুল ইসলাম দরিদ্র পরিবারের ছেলে, সম্পত্তি বলতে শুধু বাড়িটি আছে। বাবা তোরাব আলী ছোট একটি মুদি দোকান দিয়ে সংসার চালান।

যাত্রাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আসলাম হোসেন জানান, ২০০৮ সালে মিরাজুল এই বিদ্যালয়ে ভর্তি হয়। তখন থেকেই ওর পড়ার প্রতি আগ্রহ দেখে আমি আশ্চর্য হয়ে যাই। দেখলাম সে পড়ায় ভালো, স্মরণশক্তি প্রখর। এখন সে জেএসসি পরীক্ষা দিচ্ছে।

শিক্ষার্থী মিরাজুল ইসলাম জানায়, বড় হয়ে সে ডাক্তার হতে চায়। মানুষকে সেবা দিতে চায়। এলাকার দরিদ্র মানুষদের বিনামূল্যে চিকিৎসায় সহায়তা করতে চায় সে।
মিরাজুলের বাবা তোরাব আলী বলেন, আমি গরিব মানুষ। আমার একটাই আশা মিরাজুল লেখাপড়া করে বড় হলে সরকার যেন একটা চাকরির ব্যবস্থা করেন।
চান্দাই উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আশরাফ আলী বলেন, মিরাজুল লেখাপড়ায় অত্যন্ত ভালো। ওর লেখাপড়ার প্রতি আমরা বিশেষ নজর রাখছি।
আটঘরিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার আলীমুন রাজীব বলেন, আমি পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন করেছি। মিরাজুলের লেখাপড়ার প্রতি আগ্রহ দেখে বিস্ময় হয়েছি। তাকে সরকারি ভাবে অনুদান দেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

More News Of This Category
© All rights reserved © 2016-2020 asianbarta24.com

Developed By Pigeon Soft