1. [email protected] : AK Nannu : AK Nannu
  2. [email protected] : arifulweb :
  3. [email protected] : F Shahjahan : F Shahjahan
  4. [email protected] : Mahbubul Mannan : Mahbubul Mannan
  5. [email protected] : Arif Prodhan : Arif Prodhan
  6. [email protected] : Farjana Sraboni : Farjana Sraboni
শনিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৪:১৯ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ বার্তা :
সিরাজগঞ্জ বাঘাবাড়ী বেড়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের সরকারি গাছ কাটার হরিলুট ইঞ্জিনিয়ারিং সিলেবাসে রামায়ন মহাভারত থাকলে কুরআন বাইবেল থাকবে না কেনো ? মসজিদের জমিতে শিবলিঙ্গ স্থাপন করে মন্দির বানানোর পাঁয়তারা নিজের হাতেই করুন নিজের জীবন বাঁচানোর পরীক্ষা পরীমনির হাতের মাঝে হৃদয়ের ভাষা খাড়ালেই ভোট দাঁড়ালেই এমপি : রাজনীতিতে নির্বাচনী দৌড়ঝাঁপ শুরু বিশ্বের মুসলিম স্কলারদের অভিনন্দন তালেবানদের : খুলাফায়ে রাশেদার দৃষ্টান্ত স্থাপনের আহবান পাকিস্তানের আগেই তালেবান সরকারকে স্বীকৃতি ভারতের মহাসমারোহে চলছে ফ্রি ফায়ার পাবজি ভুয়া খবরে লাইক শেয়ার কমেন্ট বেশি যে কারনে ধর্মের নামে ব্যবসা : ইমামতি ছেড়ে ২০ হাজার কোট টাকার মালিক মুফতি রাগীব হাসান

চাটমোহরে স্কুল ছাত্র অপহরন: ঢাকা থেকে কৌশলে পালিয়ে বাঁচল সে

  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ৩ নভেম্বর, ২০১৬
  • ২১ Time View

10পাবনা প্রতিনিধি : পাবনার চাটমোহর উপজেলার আটলংকা গ্রামে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে প্রতিবেশী কর্তৃক জিয়াউর রহমান জিয়া (১৪) নামের এক স্কুল ছাত্রকে অপহরন করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। অপহৃত জিয়া ঐ গ্রামের মালয়েশিয়া প্রবাসী আতাউর রহমান আতার ছেলে ও চলতি জেএসসি পরীক্ষার্থী।

এ ঘটনায় ছেলের মা হাসিনা খাতুন বাদী হয়ে প্রতিবেশি ৫ জনকে আসামী করে চাটমোহর থানায় একটি অপহরন মামলা দায়ের করেছেন।

অভিযুক্তরা হলেন- আটলংকা গ্রামের মৃত. নুরুল ইসলামের ছেলে মকবুল হোসেন (৬০), তার স্ত্রী শামসুন্নাহার (৫০), ছেলে সুজন হোসেন (৩০), রেলবাজার এলাকার জয়দেব (৩৫) ও অজ্ঞাত ১ জন।

গত ৩১ শে অক্টোবর সোমবার দুপুরে অপহরন কারীরা তাকে একটি মাইক্রোবাসে অপহরন করে ঢাকায় নিয়ে যায়। সেখান থেকে কৌশলে জিয়া অপহরন কারীদের হাত থেকে পালিয়ে যায়। পরে তার পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে আসে।

অপহৃত জিয়া জানান, গত সোমবার দুপুরে একজন অপরিচিত লোক মামা পরিচয় দিয়ে আমাকে বাড়ি থেকে ডেকে বাইরে নিয়ে যায়। এরপর আমাকে জোর করে আমার পাশের মকবুল চাচার বাড়িতে নিয়ে সেখানে কয়েকজন মিলে আমার হাত-পা বেঁধে চাচী শামসুন্নাহার আমাকে একটি বড়ি খাইয়ে দেয়। বড়িটি খাবার পরে আমাকে জ্ঞান শুন্য অবস্থায় অপরিচিত তিনজন একটি মাইক্রোবাসে উঠিয়ে নিয়ে যায়। অনেক রাতে আমার জ্ঞান ফিরলে দেখতে পাই মাইক্রোবাসে মহিলাসহ ৩/৪ জন হাত-পা বেঁধে আটকে রেখেছে।

বাইরে তাকাতেই বুঝলাম বড় করে লেখা টঙ্গী ঢাকা। সেখান রাস্তায় দাঁড়ানো অবস্থায় আরো কয়েকজন লোক এসে ২ লক্ষ ২৫ টাকা অপহরন কারীদের দিয়ে নতুন একটা গাড়িতে উঠিয়ে নিল। সেখানে ওঠার পরে তারা একটি ট্যাবলেট ৪ ভাগ করে ১ ভাগ আমার মুখের মধ্যে দিলে আমি কৌশলে ট্যাবলেট টি জিহ্বার নিচে রেখে দিয়ে অজ্ঞান হওয়ার ভান করি।

এসময় তারা সবাই আমাকে গাড়িতে রেখে চা খেতে পাশের দোকানে চলে যায়। এসুযোগে আমি গাড়ি থেকে নেমে দৌড়ায়ে পালিয়ে যাই। প্রায় ৪৫ মিনিট দ্যেড়ানোর পরে এয়ারপোর্ট এলাকার পাশে একটি মহিলা চা দোকানির সাহায্য চেয়ে আবার জ্ঞান হারিয়ে ফেলি। পরে সকালে জ্ঞান ফিরলে উনার ফোন থেকে বাড়িতে ফোন দিলে বাড়ির লোকজন আমাকে এসে নিয়ে যায়।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত মকবুল হোসেন ঘটনার সত্যতা অস্বীকার করে বলেন, এটি একটি পরিকল্পিত চক্রান্ত। আমরা কেন ঐ ছেলেকে অপহরন করতে যাবো। তাছাড়া আমার স্ত্রী গত ঈদের পর থেকেই অসুস্থ, ছেলেও ঢাকাতে রয়েছে। স্ত্রীকে নিয়েই এখন আমি হসপিটালে অবস্থান করছি তার অপারেশন করানোর জন্য।

এ বিষয়ে চাটমোহর থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি (তদন্ত) আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, অপহরন ঘটনায় ৪ জন নামিয় ও ১ জন অজ্ঞাত রেখে থানায় একটি মামলা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত সাপেক্ষে আসামীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

More News Of This Category
© All rights reserved © 2016-2020 asianbarta24.com

Developed By Pigeon Soft