1. [email protected] : AK Nannu : AK Nannu
  2. [email protected] : arifulweb :
  3. [email protected] : F Shahjahan : F Shahjahan
  4. [email protected] : Mahbubul Mannan : Mahbubul Mannan
  5. [email protected] : Arif Prodhan : Arif Prodhan
  6. [email protected] : Farjana Sraboni : Farjana Sraboni
বুধবার, ২৭ অক্টোবর ২০২১, ০৩:৩৪ পূর্বাহ্ন

পঞ্চগড় দক্ষিণ এশিয়ার দেয়াল ঘেরা প্রাচীন নগরী ভিতরগড়

  • Update Time : বুধবার, ২ নভেম্বর, ২০১৬
  • ২৪ Time View
 08পঞ্চগড় থেকে আবু সাঈদ :পঞ্চগড় পঞ্চগড়ের পার্শ্ববর্তী দেয়াল ঘেরা প্রাচীন নগরী ভিতরগড়ের নির্ভরযোগ্য ধারাবাহিক ইতিহাস কোন বইয়ে পাওয়া যায় না। দেড় হাজার বছর পুরনো এই নগরী সম্পর্কে বেশি কিছু জানা না গেলেও এটি আয়তনে এতই বড় ছিল যে মহাশূন্য থেকে এখনো এর ধ্বংসাবশেষ দেখা যায়। গুগল আর্থ ব্যবহার করে যে কেউ এই নগরীর লুপ্ত গৌরব সম্পর্কে ধারনা নিতে পারেন।
গত কয়েক বছরে প্রত্নতাত্ত্বিকরা ভিতরগড়ের মাটি খুঁড়ে নয়টি নতুন কাঠামো আবিষ্কার করেছেন। এই নতুন আবিষ্কারগুলো থেকে ধারনা করা হচ্ছে প্রাচীনকালে দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বড় দেয়ালঘেরা নগরী ছিল এই ভিতরগড়।
পঞ্চগড় থেকে ১৬ কিলোমিটার উত্তরে ভিতরগড়ের অবস্থান। কাদা ও ইটের তৈরি চারটি দেয়াল দিয়ে সুরক্ষিত ছিল পুরো নগরীটি। নগরীর সব থেকে বাইরের দেয়াল ও পরিখা মোট ২৫ বর্গকিলোমিটার এলাকাকে আবদ্ধ করে। শত্রুর আক্রমণ ও বন্যা থেকে রক্ষা পেতে এই দেয়ালগুলো নির্মাণ করা হয়েছিল।
প্রাচীন এই সভ্যতার লোকজন প্রযুক্তিতে এতোটাই উন্নত ছিল যে পার্শ্ববর্তী শালমারা নদীতে পাথরের বাঁধ দিয়ে নদীর গতিপথ পাল্টে ভিতরগড়ের মধ্য দিয়ে নিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছিল। গৃহস্থালি প্রয়োজন ও শুষ্ক মৌসুমে কৃষি কাজের জন্য এই পানি ব্যবহার করতো তারা।
তবে দুঃখজনক ব্যাপার হলো কিছু পাথর ছাড়া এই বাঁধটির এখন আর অস্তিত্ব নেই। ভিতরগড়ে ২০০৮ সাল থেকে নিজের ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে অনুসন্ধান চালাচ্ছেন প্রফেসর শাহনাজ হুসনে জাহান। বেসরকারি ইউল্যাব বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্কিওলোজিক্যাল স্টাডিজ সেন্টারের ডিরেক্টর তিনি।
প্রফেসর শাহনাজ জানান, “মাটি খুঁড়ে আবিষ্কার করা নয়টি কাঠামো মধ্য যুগের শুরুর দিককার। এর মধ্যে আটটি মন্দির ও একটি আবাসিক ভবন ছিল।”
তার ধারনা, ষষ্ঠ থেকে ত্রয়োদশ শতাব্দী পর্যন্ত যারা ভিতরগড় শাসন করেছেন তারা স্বাধীন ছিলেন। তবে ভিতরগড়ের কোন লিখিত ইতিহাস না পাওয়া যাওয়ায় এর ধ্বংসাবশেষ ও স্থানীয়দের মাঝে প্রচলিত উপকথার ওপর নির্ভর করেই অগ্রসর হতে হচ্ছে গবেষকদের।
এই এলাকার বিজ্ঞ লোকেরা বলছে. পঞ্চগড়ের ভিতরগড়টি হতে পারে একটি পর্যটক কেন্দ্র। কালের সাক্ষি হয়ে রয়েছে এই গড়টি। সাম্প্রতিক কালের ইতিহাস বাঁচিয়ে রাখতে এটি সংস্কাকার খুবই জরুরী। দক্ষিন এশিয়ার মান চিত্রে এটি রাখার জন্য প্রত্নতত্ব বিভাগের সংশ্লিষ্ঠ কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

More News Of This Category
© All rights reserved © 2016-2020 asianbarta24.com

Developed By Pigeon Soft