নন্দীগ্রামে সেলুন মালিক হত্যার রহস্য উদঘাটন: নেপথ্য পরকীয়া

16নন্দীগ্রাম থেকে মাসুদ রানা: বগুড়ার নন্দীগ্রামে সেলুন মালিক খোরশেদ আলম হত্যার রহস্য উদঘাটন হয়েছে। স্ত্রীর পরকীয়ার কারনে তাকে হত্যা করা হয় বলে জানা গেছে। উপজেলার ভাটরা ইউনিয়নের দমদমা গ্রামের আব্দুল্লা পোদ্দারের ছেলে খোরশেদ আলম (৩৮) গত ২৮ শে অক্টোবর রাতে বাড়ির বাহিরে যায় ।

এরপর সে আর বাড়ি ফিরে আসেনি। পরেরদিন ২৯ শে অক্টোবর সকালে পার্শ্ববর্তী নাগরকান্দি গ্রামের ধুলির ব্রীজের পাশে বট গাছের নিচে তার মৃতদেহ লোকজন দেখতে পেয়ে থানা পুলিশকে খবর দেয় । এরপর বগুড়া বি-সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার গাজিউর রহমান ও থানার ওসি আব্দুর রাজ্জাক পুলিশ নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে খোরশেদ আলমের মৃতদেহ ময়না তদন্তের জন্য বগুড়া শজিমেক হাসপাতাল মর্গে প্রেরন করে। ওই বিষয়ে খোরশেদ আলমের বড়ভাই আব্দুর রাজ্জাক পোদ্দার বাদী হয়ে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে ।

সেই মামলায় গত সোমবার ওসি আব্দুর রাজ্জাক ও এসআই আবু শাহিন কাদির সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ওই হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে বিষ্ণপুর গ্রামের আজিজার রহমানের ছেলে খোকন আলী (৪২) ও পদ্মপুকুর গ্রামের আহম্মদ আলীর ছেলে আলতাফ হোসেন (৩৫) কে গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদ চালায় ।

জিজ্ঞাসাবাদে তাদের নিকট থেকে হত্যাকান্ডের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী গ্রহন করতে সক্ষম হন। এরপর তারা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছে । খোরশেদ আলমের স্ত্রী মইফুল বেগমের সাথে আলতাফ হোসেনের পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক ছিল। ওই পরকীয়া প্রেমের সম্পর্কের কারনেই খোরশেদ আলমকে ওইদিন রাতে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয় ।

এপ্রসঙ্গে থানার ওসি আব্দুর রাজ্জাক এর সাথে কথা বললে তিনি বলেন, হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটন হয়েছে । পরকীয়া প্রেমের কারনেই খোরশেদ আলমকে হত্যা করা হয়েছে । আসামীরা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছে ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.