1. [email protected] : AK Nannu : AK Nannu
  2. [email protected] : arifulweb :
  3. [email protected] : F Shahjahan : F Shahjahan
  4. [email protected] : Mahbubul Mannan : Mahbubul Mannan
  5. [email protected] : namecheap :
  6. [email protected] : Arif Prodhan : Arif Prodhan
  7. [email protected] : RM Rey : RM Rey
  8. [email protected] : Farjana Sraboni : Farjana Sraboni
শনিবার, ১৭ এপ্রিল ২০২১, ০২:৫৮ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ বার্তা :
সিরাজগঞ্জ বাঘাবাড়ী বেড়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের সরকারি গাছ কাটার হরিলুট রোশানকে নিয়ে ইকবালের তিন ছবি ইতিহাসের পাতায় সলঙ্গা বিদ্রোহের মহানায়ক মাওলানা আব্দুর রশীদ তর্কবাগীশ বানেশ্বরে শীতার্তদের মাঝে এনসিসি ব্যাংকের কম্বল বিতরণ নতুন তিন সিনেমায় সাইমন-মাহি জুটি পুঠিয়ায় ট্রাক্টর ও কারের মুখোমুখি সংঘর্ষে গুরুতর জখম দুইজন ফুলবাড়ীতে কর্মজিবী আদিবাসীদের মাঝে আর্থিক অনুদানের চেক প্রদান দৌলতদিয়ায়-পাটুরিয়া ফেরি চলাচল বন্ধ, মাঝ নদীতে ৪ ফেরি রাজবাড়ী পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ডে প্রতিবছর কোটি টাকার উন্নয়ন করা হবে -প্রার্থী পলাশ ঘন কুয়ায় দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ফেরি ও লঞ্চ চলাচল আবারও বন্ধ নলডাঙ্গায় ট্রেনের ধাক্কায় আহত নারীর মৃত্যু

গাইবান্ধায় মায়ের কোলজুড়ে তিন সন্তান

  • Update Time : মঙ্গলবার, ২৫ অক্টোবর, ২০১৬
  • ২৩ Time View

02গাইবান্ধা প্রতিনিধি : গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার ভাঙ্গামোড় গ্রামের গৃহবধূ পাপিয়া বেগম (২৮) শনিবার একসঙ্গে তিনটি  ছেলে সন্তানের জন্ম দিয়েছেন। সোমবার রাত সাড়ে ১১ টা পর্যন্তÍ মা ও নবজাতকেরা সুস্থ আছে।

গৃহবধূ পাপিয়া বেগম জানান, শনিবার সকালে প্রসববেদনা উঠলে তাকে তড়িঘড়ি করে সাঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করানো হয়। ওই দিন দুপুরের দিকে তিনি স্বাভাবিকভাবে তিনটি ছেলে সন্তানের জন্ম  দেন। নবজাতকদের ওজন কম থাকায় বিকেলে তাদের গাইবান্ধা সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

পরে সেখান  থেকে রাতে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর  মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে  রেফার্ড করা হয়। চিকিৎসকেরা আরও উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। কিন্তু আর্থিক সামর্থ্য না থাকায় নবজাতকদের নিয়ে রোববার সন্ধ্যার দিকে ঝড়াবর্ষা গ্রামে পাপিয়ার বাবার বাড়িতে চলে যান।

সোমবার বিকালের দিকে ওই গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, মা ও তিন নবজাতক সুস্থ আছে। তাদের ফিডারে দুধ খাওয়ানো হচ্ছে। দুই নবজাতকের ওজন এক কেজি করে এবং অপর নবজাতকের ওজন ৭০০ গ্রাম। এই তিন নবজাতককে দেখতে আশপাশের  লোকজন বাড়িতে ভিড় জমিয়েছে।

গৃহবধূ পাপিয়া বেগম জানান, একসঙ্গে  কোলজুড়ে তিন ছেলে পাওয়ার আনন্দের অনুভূতি জানিয়ে বলেন, চেয়েছিলাম একটি, কিন্তু আল্লাহ আমাকে তিনটি সন্তান দিয়েছেন। আমি খুব খুশি। আপনারা দোয়া করেন। আল্লাহ তাদের যুগ যুগ ধরে বেঁচে রাখুক এটাই আমি চাই।

গাইবান্ধার সিভিল সার্জন নির্মলেন্দু চৌধুরী জানান, নবজাতকেরা ভালো আছে। তবে ওজন কম থাকায় ঝুঁকি আছে। ওদের ভালোভাবে দেখভাল ও উন্নত চিকিৎসা করাতে হবে। নবজাতকদের পরিবার চাইলে  জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের উদ্যোগে ঢাকায় পাঠানো যেতে পারে।

আকাশ মিয়া জানান, একসঙ্গে তিন ছেলে পেয়ে আমি খুশি। চিকিৎসকেরা উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের ঢাকায় নিয়ে যেতে বলেছেন। কিন্তু নিয়ে যাব কেমনে? যা আয় করি তা দিয়ে সংসারই চলে না।

পাপিয়া’র পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সাঘাটা উপজেলার ঝড়াবর্ষা গ্রামের পাপিয়ার সঙ্গে প্রায় দুই বছর আগে একই উপজেলার ভাঙ্গামোড় গ্রামের আকাশ মিয়ার বিয়ে হয়। আকাশ ঢাকায় রিকশাভ্যান মেরামতের কাজ করেন। অন্তঃসত্বা পাপিয়া কয়েক দিন আগে বাবার বাড়ি ঝড়াবর্ষা গ্রামে যান। প্রথমবারের মতো আকাশ-পাপিয়া দম্পতির তিন ছেলে হলো।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

More News Of This Category
© All rights reserved © 2016-2020 asianbarta24.com
Theme Customized By BreakingNews