1. [email protected] : AK Nannu : AK Nannu
  2. [email protected] : arifulweb :
  3. [email protected] : F Shahjahan : F Shahjahan
  4. [email protected] : Mahbubul Mannan : Mahbubul Mannan
  5. [email protected] : namecheap :
  6. [email protected] : Arif Prodhan : Arif Prodhan
  7. [email protected] : RM Rey : RM Rey
  8. [email protected] : Farjana Sraboni : Farjana Sraboni
মঙ্গলবার, ১৩ এপ্রিল ২০২১, ০৩:১৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ বার্তা :
সিরাজগঞ্জ বাঘাবাড়ী বেড়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের সরকারি গাছ কাটার হরিলুট রোশানকে নিয়ে ইকবালের তিন ছবি ইতিহাসের পাতায় সলঙ্গা বিদ্রোহের মহানায়ক মাওলানা আব্দুর রশীদ তর্কবাগীশ বানেশ্বরে শীতার্তদের মাঝে এনসিসি ব্যাংকের কম্বল বিতরণ নতুন তিন সিনেমায় সাইমন-মাহি জুটি পুঠিয়ায় ট্রাক্টর ও কারের মুখোমুখি সংঘর্ষে গুরুতর জখম দুইজন ফুলবাড়ীতে কর্মজিবী আদিবাসীদের মাঝে আর্থিক অনুদানের চেক প্রদান দৌলতদিয়ায়-পাটুরিয়া ফেরি চলাচল বন্ধ, মাঝ নদীতে ৪ ফেরি রাজবাড়ী পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ডে প্রতিবছর কোটি টাকার উন্নয়ন করা হবে -প্রার্থী পলাশ ঘন কুয়ায় দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ফেরি ও লঞ্চ চলাচল আবারও বন্ধ নলডাঙ্গায় ট্রেনের ধাক্কায় আহত নারীর মৃত্যু

পত্নীতলার কাশিপুর স্কুলে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে আতংকে শিক্ষার্থীরা

  • Update Time : রবিবার, ২৩ অক্টোবর, ২০১৬
  • ১৬ Time View

%e0%a7%a9%e0%a7%a6পত্নীতলা থেকে ইখতিয়ার উদ্দীন আজাদ : নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলার ৫৫নং কাশিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি নানামুখি সমস্যায় জর্জরিত। বিদ্যালয়টিতে পুরানো ভবনের ৪টি শ্রেণিকক্ষে চলছে ঝুঁকির মধ্যে শিক্ষাদান। বর্তমানে একটি শ্রেণি কক্ষ বেশি ঝুঁকি থাকায় পাঠদান বন্ধ রয়েছে। সরেজমিন ঘুরে দেখে ও বিদ্যালয় কার্যালয় সুত্রে জানা যায়, এই বিদ্যালয়টিতে উপজেলার একমাত্র বর্তমানে ১ম শ্রেণি হতে ৮ম শ্রেণি পর্যন্ত ক্লাস ২০১২ সাল থেকে চালু আছে। বিদ্যালয়টিতে বর্তমানে প্রধান শিক্ষকসহ মোট ১২ জন শিক্ষক কর্মরত আছেন। প্রথম থেকে ৫ম শ্রেণি পর্যন্ত ৬টি ক্লাস হয় ও ৬ষ্ঠ থেকে ৮ম শ্রেণি পর্যন্ত ১৪টি ক্লাস হয় প্রতিদিন। ২০০৮ সালে পুরানা ভবনটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হলেও পরে কিছু সংস্কার করে আবারো ক্লাস চালু হলেও বর্তমানে ঝুঁকি নিয়ে পাঠদান করছেন।

বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা জানায়, আমাদের স্কুলটা মেরামত করা দরকার। ভাঙা-চোরা স্কুলে পড়তে ভালোলাগে না। সবার স্কুল পাকা আর আমাদের স্কুলটা ভাঙ্গা। সামান্য বৃষ্টিতেই ক্লাসরুমের ভিতরে ছাদ চুয়ে পানি পড়ে ও আমরা ভিজে যাই। মাঝে-মধ্যেই ছাদ ও দেওয়ালের প্লাস্টার খসে পড়ে। এতে ক্লাস চলাকালীন মেডাম ও স্যারেরাসহ আমাদের (শিক্ষার্থীদের) মধ্যে অনেকেই আহত হয়েছেন একাধিকবার।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মেহের নীগার জানান, বর্তমানে পুরানা ভবনের ৫টি কক্ষের মধ্যো ৪টি ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। আর নতুন ভবনের ৫টি কক্ষের মধ্যে ৪টি শ্রেণি কক্ষ ও একটি অফিস কক্ষ। বিদ্যালয়টি ১৯২৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। কিন্তু বর্তমানে ওই পুরানা ভবনের ছাদের প্লাস্টার খসে পড়ছে ও সামান্য বৃষ্টিতেই পানি চুয়ে পড়ে। এখন রড ও খুয়াসহ বড় বড় পলেস্টারের খণ্ড খসে পড়ে। এতে যে কোন সময় বড় ধরণের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। এর পরও শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে ক্লাস চালিয়ে যাচ্ছেন।
তিনি আরো বলেন, আমাদের বিদ্যালয়টি আত্রাই নদী সংলগ্ন হওয়ায় কমলমতি শিশুরা নদী দেখতে অনায়াসেই চলে যান। এতে শিশুদের প্রাণ নাশের ভয় রয়েছে। এছাড়া বিদ্যালয়ের মাঠের উপর দিয়ে নদীতে সকল প্রকার মানুষ চলাফেরা করে থাকেন। তাই বিদ্যালয়ের সীমান প্রাচীর নির্মাণ জরুরি। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট একাধিকবার লিখিতভাবে আবেদন করেও কোন প্রতিকার পাওয়া যায়নি।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: আব্দুল মালেক জানান, বিষয়টি অবগত। তবে, সরকারি তহবিল বা বরাদ্দ এলেই সংস্কার করা হবে।

এমতাবস্থায় বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকসহ এলাকাবাসীরা স্থানীয় সাংসদ ও জাতীয় সংসদের হুইপ আলহাজ মো: শহিদুজ্জামান সরকারের সু-দৃষ্টি কামনা করেছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

More News Of This Category
© All rights reserved © 2016-2020 asianbarta24.com
Theme Customized By BreakingNews