1. [email protected] : AK Nannu : AK Nannu
  2. [email protected] : arifulweb :
  3. [email protected] : F Shahjahan : F Shahjahan
  4. [email protected] : Mahbubul Mannan : Mahbubul Mannan
  5. [email protected] : Arif Prodhan : Arif Prodhan
  6. [email protected] : Farjana Sraboni : Farjana Sraboni
বুধবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৬:০০ অপরাহ্ন

ঈশ্বরদীর রবিউল সোনালী মুরগী পালন করে লাভবান

  • Update Time : শনিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০১৬
  • ২৪ Time View

06 ঈশ্বরদী (পাবনা) থেকে সেলিম আহমেদ: ঈশ্বরদী উপজেলার ছলিমপুর ইউনিয়নের ভাড়ইমারী সরদার পাড়া গ্রামের হাজ্বী নকিম উদ্দিন পোল্ট্রি খামারের স্বত্তাধিকারী এস এম রবিউল ইসলাম সোনালী মুরগী পালন করে আজ তিনি একজন সফল ও লাভবান খামারী। তার খামারের সোনালী মুরগীর ডিম ১৫ থেকে ১৬ টাকা পিচ দরে বিক্রি করছেন। রবিউল নিজে সোনালী মুরগী পালন করে এলাকার অন্যান্য বেকার যুবকদেরও সোনালী মুরগী পালনে উৎসাহিত করেছেন।
রবিউল ইসলাম জানান, যুব উন্নয়ন থেকে পোল্ট্রি, গবাদী পশু ও মাছের উপর তিন মাসের প্রশিক্ষন নিয়ে বসত বাড়িতেই ২০০০ সালে লেয়ার জাতের ২৫০টি মুরগী পালন শুরু করেন।

বর্তমানে তার খামারে ১৯ হাজার মুরগী রয়েছে এর মধ্যে সাদা লেয়ার মুরগী ৭ হাজার, লেয়ার মুরগী ৫ হাজার, হ্যাচিং ডিম সোনালী মুরগী ২ হাজার, রোষ্ট সোনালী মুরগী ৫ হাজার। গত ১ বছর ধরে তার খামারে সোনালী মুরগী ডিম দিচ্ছে। তিনি বলেন, পাবনার ভাই ভাই হ্যাচারীর পরামর্শে ডিমের জন্য সোনালী মুরগী পালন করে অধিক মুনাফা পাচ্ছি। বর্তমানে প্রতিদিন ১২ থেকে ১৩’শ সোনালীর ডিম ১৫ থেকে ১৬ টাকা পিচ দরে বিভিন্ন হ্যাচারীর কাছে তিনি বিক্রি করছেন। ডিম বিক্রির টাকা থেকে যে মূনাফা পেয়েছি তা দিয়ে বেশ কয়েক বিঘা জমি ক্রয় করেছি।

সোনালী মুরগী চাষি রবিউল ইসলাম বলেন, ইতোমধ্যে এলাকার বেকার যুবকদের নিজ উদ্যোগে প্রশিক্ষণ চালু করেছি। তিনি বলেন, মুরগীর বিষ্ঠা দিয়ে পরিবেশ বান্ধব একটি বড় মাপের বায়োগ্যাস প্লান্ট করেছি এতে নিজের পরিবারের রান্নার কাজ শেষ করে অন্য নয়টি পরিবারে সাপ্লাই দিতে পেরেছি। এতে কিছুটা হলেও রান্নার কাজে দেশের গাছ, কাঠ বেঁচে যাচ্ছে। রবিউল বলেন, সহজ শর্তে কোন ব্যাংক-বীমা কিংবা সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ঋণ প্রদান করলে আগামীতে একটি হ্যাচারী স্থাপন করে খামারটি প্রসারিত করতে চাই।

একই সাথে এলাকার বেকার যুবকদের আত্ম কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করার ইচ্ছে রয়েছে। তিনি আরও বলেন, চাকরি নামের সোনার হরিণের পেছনে না ঘুরে সোনালী মুরগী চাষ করে স্বাবলম্বী হওয়া সম্ভব। এতে বেকারত্ব ঘুচবে এবং আর্থিক ভাবে লাভবান হওয়া যায়। তিনি শিক্ষিত বেকার যুবকদের সোনালী মুরগী চাষ করার জন্য আহ্বান জানান।

ঈশ্বরদী উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা মোঃ মোস্তফা জামান বলেন, রবিউল ইসলাম সোনালী মুরগী পালন করে সে এখন ঈশ্বরদীর একজন মডেল খামারী হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন। রবিউল ইসলাম সোনালী মুরগীর খামার করে আজ তিনি উপজেলার মধ্যে একজন সফল খামারী। বাজারে অন্য মুরগীর ডিম ৬ থেকে ৭ টাকা পিচ দরে বিক্রি হলেও সোনালী মুরগীর প্রতিটি ডিম ১৫ থেকে ১৬ টাকা দরে বিক্রি করছেন, এতে তিনি অধিক মূনাফা পাচ্ছেন।

হ্যাচারীর মালিকেরা রবিউলের সোনালী মুরগীর ডিম কিনে নিয়ে বাচ্চা ফুটিয়ে বিক্রি করছেন। রবিউলের দেখা দেখি ওই এলাকার যুবকদের মধ্যে সোনালী মুরগী পালনের প্রতিযোগিতা চলে এসেছে। রবিউল নিয়ম মেনে খামারের কার্যক্রম পরিচালনা করলে ব্যাপক লাভবান হবেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

More News Of This Category
© All rights reserved © 2016-2020 asianbarta24.com

Developed By Pigeon Soft