1. [email protected] : AK Nannu : AK Nannu
  2. [email protected] : arifulweb :
  3. [email protected] : F Shahjahan : F Shahjahan
  4. [email protected] : Mahbubul Mannan : Mahbubul Mannan
  5. [email protected] : Arif Prodhan : Arif Prodhan
  6. [email protected] : Farjana Sraboni : Farjana Sraboni
রবিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৯:৩৮ পূর্বাহ্ন

বীরগঞ্জে চা-চাষের সাফল্যে এলাকার অর্থনৈতিক উন্নয়নের সম্ভাবনা

  • Update Time : সোমবার, ১০ অক্টোবর, ২০১৬
  • ৪৯ Time View

08 বীরগঞ্জ (দিনাজপুর) থেকে মোঃ নজরুল ইসলাম খান বুলু: বীরগঞ্জে চা-চাষের সাফল্যে অর্থনৈতিক উন্নয়নের ব্যাপক সম্ভাবনা।
ড্রাগন, মাল্টা ও কমলার চাষ সাফল্যের এবার পরীক্ষা মুলক ভাবে শুরু হয়েছে চা-চাষ। আর এ চা-চাষের সাফল্যে অর্থনৈতিক উন্নয়নের ব্যাপক সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।

এ কারনে উত্তাঞ্চালের জেলা গুলোতে চা-চাষ অর্থনৈতিক উন্নয়নের বিপ্লব ঘটাতে পারে বলে কৃবিদদের মতামত। উপজেলার পলাশবাড়ী ইউনিয়নের ঝলঝলি গ্রামের মোঃ নজরুল ইসলাম দুই বিঘা উচ্চু জমিতে পরীক্ষা মুলক ভাবে এ চা-চাষ শুরু করেছেন। আর তার চা-চাষের সাফল্য দেখে একই উপজেলার পাল্টাপুর ইউনিয়নের পাল্টাপুর আশ্রায়ন এলাকায় চা-চাষ শুরু করেছেন কৃষক মোঃ আজাদ আলী।

চা-বাগান উদ্যোক্তা পলাশবাড়ী ইউনিয়নের ঝলঝলি বহুমুখী সমবায় সমিতির সভাপতি মোঃ নজরুল ইসলাম জানান, উপজেলা কৃষি অফিসের মাধ্যমে এই এলাকায় চা-চাষের ব্যাপক সম্ভাবনার কথা জানতে পেরে আমি দুই বিঘা জমিতে চা গাছের চারা রোপন করেছি।

বর্তমানে সেই চা গাছের চারার বয়স ৮মাস অতিক্রম করছে। চা-চারা বিক্রয়কারী পঞ্চগড় জেলার সাকোয়ার নার্সারীর মালিক শরিফের পরামর্শে ও আমার চা বাগান করার নিজস্ব আগ্রহে এই চা-চাষ শুরু করেছি। পলাশবাড়ী ইউনিয়নের ঝলঝলি বহুমুখী সমবায় সমিতির সহযোগিতায় গত বছরের আগস্ট মাসে চা-চারা রোপন করি। এর মধ্যে চার বার চা-পাতা সংগ্রহ করে পঞ্চগড় নর্থ বেঙ্গল চা কারখানায় বিক্রি করেছি। গাছের বয়স বাড়বে সাথে সাথে চা পাতা সংগ্রহের পরিমানও বাড়বে এবং প্রতি মাসেই চা পাতা বিক্রি করা যাবে।

চা-চাষী নজরুল আরো জানান, চা চাষের জমি প্রস্তুত করার পর চারা রোপনে খরচ হয়েছে প্রায় ৬০ হাজার টাকা। অথচ গত বছরের আগস্টে চারা রোপন করে এরই মধ্যে চার বার চা পাতা তুলে প্রতি কেজি চারা ২৬ টাকা মুল্যে ২৪ হাজার টাকার চা পাতা বিক্রি করেছি। গাছের বয়স দুই বছর হওয়ার পর প্রতি মাসে কমপক্ষে ২৫ হাজার টাকার চা পাতা বিক্রি করা যাবে।

প্রতি বছর দুইবার সার ব্যবহার করলেই চলে। আমি জৈব সার বেশী ব্যবহার করি। এরপর পরির্চচা ছাড়া তেমন কোন খরচ নেই বললেই চলে। চা চাষের উপযোগি এ মাটিতে  সাবধানতা অবলম্বন করতে হয়। যেমন গাছের গোড়ায় যেন পানি না জমে এজন্য জমিতে পানি নিস্কাশনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। বিশেজ্ঞদের পরামর্শে প্রচন্ড রোদে ছায়া দিতে চা গাছের মাঝে মাঝে নিম গাছের চারা লাগিয়েছি।

খড়ার সময় পাইপের সাহায্যে গাছে পানি ছিটিয়ে দিতে হয়। উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান জানান, হিমালয়ের পাদদেশে এ এলাকার অবস্থান হওয়ায় চা চাষের উজ্জল সম্ভাবন রয়েছে। এ উপজেলায় ড্রাগন, মাল্টা ও কমলা চাষের পর চা চাষে উদ্বুদ্ধ করনের লক্ষ্যে কৃষি অফিসের পক্ষ থেকে বিভিন্ন সহযোগিতা দেওয়া হয়। এ অঞ্চলে মাটি ও আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় উপজেলায় চা ভাল উৎপাদন হওয়ার ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

More News Of This Category
© All rights reserved © 2016-2020 asianbarta24.com

Developed By Pigeon Soft