অর্থ সঙ্কটে রাজশাহীর চামড়া ব্যবসায়ীরা বিগত তিন বছরের টাকা বকেয়া


মঈন উদ্দীন: অর্থ সঙ্কটে রাজশাহীর চামড়া ব্যবসায়ীরা। আর্থিক প্রণোদনা ও
ব্যাংক ঋণের কথা ভাবছেন ব্যবসায়ীরা। তাদের দাবি বিগত বছরের ট্যানারি
মালিকদের থেকে টাকা পাবে রাজশাহীর চামড়া ব্যবসায়ীরা। এছাড়া করোনাকালে
বসে থেকে খেয়ে সব পুঁজি শেষ হয়েছে। এমন সঙ্কটময় সময়ে অর্থ সঙ্কটে
রয়েছেন তারা। রাজশাহী জেলা চামড়া গ্রুপের নেতারা জানায়, ২০১৭ সালের
চামড়ার টাকা ট্যানার মালিকদের থেকে পাওয়া যাবে। তার পরেও ২০১৮-১৯ দুবছর
গেছে। সেই বছরগুলোতেও বকেয়া পড়েছে ট্যানার মালিকদের কাছে। এমন অবস্থায়
ব্যাংক ঋণ ও ট্যানার মালিকদের সহাযোগিতা ছাড়া চামড়া কিনতে পারবেন না
রাজশাহীর ব্যবসায়ীরা।
তারা বছলেন, কোনো ব্যবসায়ী চামড়া না কিনলেও এই জাতীয় সম্পদ নষ্ট করা যাবে
না। নিজেরাই চামড়া লবণ দিয়ে সংরক্ষণ করতে পারবেন। লবণজাত করলে চামড়ায় পচন
ধরবে না।
জানা গেছে, গত বছর প্রতি বর্গফুট গরুর চামড়া ঢাকায় ৪৫ থেকে ৫০ টাকা।
ঢাকার বাইরে ৩৫ থেকে ৪০ টাকা দাম ছিলো। আর এবছর চামড়ার দাম গত বছরের
তুলনায় ২৩ থেকে ২৯ শতাংশ পর্যন্ত কমিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে। সে অনুযায়ী
ঢাকায় লবণযুক্ত গরুর চামড়ার দাম প্রতি বর্গফুট ৩৫ থেকে ৪০ টাকা এবং
ঢাকার বাইরে ২৮ থেকে ৩২ টাকা করা হয়েছে।
রাজশাহী জেলা চামড়া গ্রুপের সভাপতি আসাদুজ্জামান মাসুদ বলেন, রাজশাহী
জেলায় প্রতি ইদে ৬০ থেকে ৭০ হাজার পশু কোরবানি করা হয়। সেই চামড়াগুলো
নাটোরের ব্যবসায়ীদের মাধ্যমে ঢাকার ট্যানারি মালিকদের কাছে বিক্রি করা হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.