1. aknannu1964@gmail.com : AK Nannu : AK Nannu
  2. admin@asianbarta24.com : arifulweb :
  3. angelhome191@gmail.com : Mahbubul Mannan : Mahbubul Mannan
  4. info@asianbarta24.com : Dev Team : Dev Team
বৃহস্পতিবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৫:৫৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :

পাঁচবিবিতে সরকারী বন বিভাগের বেহাল অবস্থা

  • আপডেট করা হয়েছে : বৃহস্পতিবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০২২
  • ৩১ বার দেখা হয়েছে
জয়পুরহাট প্রতিনিধি:
জয়পুরহাটের পাঁচবিবি সরকারি বন বিভাগের  বেহাল অবস্থা। এখানে ফলদ, বনজ ও ঔষধি বিভিন্ন গাছের চারা উৎপাদন ও প্রশিক্ষণ দেয়ার কথা থাকলেও বাগান মালি বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে করেছেন ফসলের চাষ। শুধু তাই নয়, অফিস চত্বরটি মাদকসেবী আর অপরাধীদের আখড়ায়

পরিণত হয়েছে।
১৯৯০ সালে পাঁচবিবি উপজেলা পরিষদ এলাকায় প্রায় ১২ বিঘা জমির উপরে সামাজিক বনায়ন ও বাগান কেন্দ্র এবং সামাজিক বনায়ন নার্সারি ও প্রশিক্ষণ  কেন্দ্র প্রতিষ্ঠিত হয়। এখানে ফলদ, বনজ ও ঔষধি বিভিন্ন গাছের চারা উৎপাদন ও প্রশিক্ষণ দেওয়ার কথা থাকলেও সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ১২ বিঘা জমির মধ্যে মাত্র ৩ শতাংশ জায়গায় সামান্য কিছু চারা রয়েছে। অবশিষ্ট জমিতে বাগান মালী মতিউর রহমান ধানের আবাদ করছেন। এদিকে অযত্ন অবহেলায় বন বিভাগের অফিসটিও জরাজীর্ণ অবস্থায় পরে আছে। ইতোমধ্যে সেখানকার কিছু দরজা-জানালাও চুরি হয়ে গেছে। বর্তমানে  এ স্থানটি মাদকসেবী ও অপরাধীদের আখড়ায় পরিণত হয়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
বন বিভাগ এলাকার বাসিন্দা জুলেখা বেগম, তহমিনা বেগম, শারমিন আক্তারসহ অনেকেই বলেন, বন বিভাগে সরকারিভাবে বিভিন্ন চারাগাছ উৎপাদন করার কথা কিন্তু বর্তমানে জনশূন্য ও ভুতুড়ে পরিবেশ হওয়ায় প্রতিদিনই সেখানে মাদকসেবীদের আড্ডা বসে। বাইরের লোকজন এসে বিভিন্ন প্রকার অনৈতিক কাজ করছে। তাদের কিছু বললে বা বাঁধা দিলে তারা বিভিন্ন রকম হুমকি দেয়। আমরা আমাদের ছেলে-মেয়ে;পরিবার পরিজন নিয়ে অনেক সমস্যা, শঙ্কা ও ভয়ের মধ্যে থাকি।
পাঁচবিবি উপজেলা সামাজিক বনায়ন নার্সারি ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের বাগান মালী মতিউর রহমান বলেন, আমি স্যারদের বলেই ফাঁকা জায়গায় ফসলের চাষ করছি। নার্সারির চারদিক উন্মুক্ত থাকায় যেকোনো সময় লোকজন ঢুকতে ও বেরোতে পারে। তাই সবসময় নেশাখোর ও খারাপ লোকজন অবাধ চলফেরা করতে পারে। তাদেরকে কিছু বললে আমিই বিপদে পড়ি।
সামাজিক বনায়ন ও বাগান কেন্দ্র  এবং সামাজিক বনায়ন নার্সারি ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকতা হারুনুর রশিদ বলেন, এখানে খারাপ প্রকৃতির লোকজনের আনাগোনা আছে। জনবল সংকট। একজন মাত্র মালী আছেন। তিনি সবসময় প্রাণের ভয়ে থাকেন। অফিসের হালও ভালো ছিল না। একটা রুমের জানালা-দরজা মেরামত করে আমি কোনরকমে অফিস করছি। সরকারি বরাদ্দ না থাকায় চারা উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে।
পাঁচবিবি উপজেলা চেয়ারম্যান মনিরুল শহিদ মন্ডল মুন্না বলেন, আমার কাছেও মাঝে মাঝে বন বিভাগকে নিয়ে বিভিন্ন অভিযোগ আসে। উপজেলা সমন্বয় মিটিংয়ে পাঁচবিবি বন বিভাগের অবস্থার ব্যাপারে আলোচনা করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বন্ধুদের মাঝে শেয়ার করুন

এরকম আরও বার্তা
স্বত্ব © ২০১৫-২০২২ এশিয়ান বার্তা  

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft