1. aknannu1964@gmail.com : AK Nannu : AK Nannu
  2. admin@asianbarta24.com : arifulweb :
  3. angelhome191@gmail.com : Mahbubul Mannan : Mahbubul Mannan
  4. info@asianbarta24.com : Dev Team : Dev Team
শুক্রবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০১:৪৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
পলাশবাড়ীতে প্রতিবন্ধী সেবা সংস্থা’র ৮ম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে ক্রীড়া-আলোচনা-শীতবস্ত্র বিতরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আমাকে ‘স্যার’ ডাকতে হবে বিধায় জিততে দেয়া হয়নি: হিরো আলম বসুন্ধরা গ্রুপের টিভিসিতে অভিনয় করলেন অভিনেত্রী সুমাইয়া জামান রাজশাহী মহানগীতে চোর সন্দেহে দুই শ্রমিককে পিটিয়ে হত্যা, আটক ৪ সিরাজগঞ্জে গরু চুরিতে বাঁধা দেয়ায় গৃহকর্ত্রীকে হত্যার অভিযোগে ৪জন আটক চট্টগ্রামের আনোয়ারায় ভূমি দস্যুদের চিত্র বার ও ব্রেঞ্চের সমন্বয় ন্যায় বিচার নিশ্চিত করে: নাটোরে আইনমন্ত্রী(ভিডিও)  মহেশখালীতে আগ্নেয়াস্ত্রসহ ৩ জলদস্যু আটক : উদ্ধার ১৬ জেলে নড়াইলে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ জাল দলিল ও নকল সরঞ্জাম জব্দ ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ নওগাঁ জেলা সম্মেলন ২০২৩ অনুষ্ঠিত

১ ডিসেম্বর ‘মুক্তিযোদ্ধা দিবস’ রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দিন : বাংলাদেশ ন্যাপ 

  • আপডেট করা হয়েছে : বৃহস্পতিবার, ১ ডিসেম্বর, ২০২২
  • ২৮ বার দেখা হয়েছে
মারুফ সরকার, ঢাকা:
মুক্তির নায়কদের সম্মান জানাতে ১ ডিসেম্বর জাতীয়ভাবে ‘মুক্তিযোদ্ধা দিবস’ হিসেবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি প্রদানের জন্য সরকারের কাছে জোর দাবী জানিয়ে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ মন্তব্য করেছে, ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে একসাগরের রক্তের বিনিময়ে স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ ও লাল-সবুজের পতাকা প্রতিষ্ঠিত করেছেন বীর মুক্তিযোদ্ধারা। বার্ধক্যের কারণে দিনে দিনে মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা কমছে। বীর মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণীয় করে রাখতে বিজয়ের মাসের প্রথম দিনটি মুক্তিযোদ্ধা দিবস ঘোষণা এবং রাষ্ট্রীয়ভাবে পালনের দাবী যৌক্তিক।
বৃহস্পতিবার (১ ডিসম্বর) গণমাধ্যমে প্রেরিত এক বিবৃতিতে পার্টির চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া এ আহ্বান জানান।
তারা বলেন, মুক্তিযোদ্ধাদের ত্যাগ আর কষ্টে জন্ম বাংলাদেশের। অথচ সেই মুক্তির নায়কদের সম্মান ও স্মরণ করার নির্দিষ্ট একটি দিন নেই বাংলাদেশে। ২০০৪ সাল থেকে ১ ডিসেম্বরকে ‘মুক্তিযোদ্ধা দিবস’ হিসেবে ঘোষণার দাবি জানিয়ে আসছেন মুক্তিযোদ্ধারা। সরকারের সংশ্লিষ্টরা দাবির সঙ্গে একমত পোষণ করলেও দেড় দশকেরও বেশী সময় ধরে উপেক্ষিত রয়েছে এই দাবি।
নেতৃদ্বয় বলেন, স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তির আগেই এই দাবির বাস্তবায়ন করা উচিত ছিল। কিন্তু, দু:খ জনক হলেও সত্য তা বাস্তবায়ন হয় না। বিজয়ের মাসের প্রথম দিন ‘মুক্তিযোদ্ধা দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করা সরকারের দায়িত্ব হলেও সরকার কেন তা করছে না দেশবাসীর কাছে তা বোধগম্য নয়। দেশমাতৃকার বীর সন্তান মুক্তিযোদ্ধাদের এখনও যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করা হচ্ছে না। ১ ডিসেম্বর জাতীয়ভাবে মুক্তিযোদ্ধা দিবস পালনের যে দাবি উঠেছে এই দাবি অবিলম্বে মেনে নেয়া উচিত।
তারা আরো বলেন, আমরা প্রতিদিন কত দিবসই পালন করি। তেমনি মুক্তিযোদ্ধাদের জন্যও একটি দিবস থাকলে তারা আরও বেশি সম্মানিত হবেন। ‘মুক্তিযোদ্ধা দিবস’ জাতীয়ভাবে পালন করতে পারলে নতুন প্রজন্ম অন্ত:ত এই দিনটিতে হলেও দেশের স্বাধীনতা অর্জনে মুক্তিযোদ্ধাদের ভূমিকার কথা স্মরণ করবে। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের বর্তমান সরকার দীর্ঘ সময়েও মুক্তিযোদ্ধাদের এই দাবি মেনে না নেয়া দু:খজনক ও হতাশা ব্যঞ্জক।
নেতৃদ্বয় বলেন,  মুক্তিযোদ্ধাদের নামের আগে ‘জাতীয় বীর উপাধি’ প্রদানের মাধ্যমে বিজয়ের মাসের প্রথম দিন ‘মুক্তিযোদ্ধা দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করা সরকারের উচিত। দেশমাতৃকার বীর সন্তান মুক্তিযোদ্ধাদের এখনও যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করা হচ্ছে না। তাদের ভাতা প্রদান করা হচ্ছে, কিছু আয়োজনে অতিথি করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। কিন্তু এটা সম্মান জানানোর যথাযথ উপায় নয়।
তারা বলেন, নতুন প্রজন্মের কাছে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস তুলে ধরা, একটি স্বাধীন দেশের জন্য কতটা ত্যাগ-তিতিক্ষা-মূল্য দিতে হয়েছে সেই ইতিহাস তুলে ধরার জন্য মুক্তিযোদ্ধা দিবস প্রয়োজন।

বন্ধুদের মাঝে শেয়ার করুন

এরকম আরও বার্তা
স্বত্ব © ২০১৫-২০২২ এশিয়ান বার্তা  

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft