1. aknannu1964@gmail.com : AK Nannu : AK Nannu
  2. admin@asianbarta24.com : arifulweb :
  3. angelhome191@gmail.com : Mahbubul Mannan : Mahbubul Mannan
  4. info@asianbarta24.com : Dev Team : Dev Team
সোমবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২২, ১০:২২ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
হিজাব ছাড়া প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ায় বাড়ি ভেঙে দিয়েছে ইরান সরকার পোশাক রপ্তানি যুক্তরাষ্ট্রে ৫১ শতাংশ বেড়েছে আজ শেষ ষোলর ম্যাচে ক্রোয়েশিয়ার মোকাবেলা করবে জাপান হাফ টাইমে ১-০ জিরোডের গোলে এগিয়ে যায় ফ্রান্স নেদারল্যান্ডসকে হারিয়ে সেমিফাইনালে খেলবে আর্জেন্টিনা: কোচ স্কালোনি টেকনাফে আগুনে পুড়ে গেল পর্যটক জাহাজ আমরা আপনাদের দোয়া, সহযোগিতা ও ভোট চাই: প্রধানমন্ত্রী রাজধানীর  খিলগাঁও হতে চাঞ্চল্যকর গণধর্ষণ মামলার আসামী গ্রেফতার গোবিন্দগঞ্জে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠির ২শ ৮০ জন সুবিধাভোগীর মাঝে ভেড়া বিতরণ নাটোরের বাগাতিপাড়ায় প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির অবৈধ কমিটি বাতিল ও নির্বাচনে অংশ নেওয়ার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

ডলার সংকটে এলসি খুলতে পারছেন না ছোট ব্যবসায়ীরা

  • আপডেট করা হয়েছে : বৃহস্পতিবার, ২৪ নভেম্বর, ২০২২
  • ২৮ বার দেখা হয়েছে

 

ডেস্ক রিপোর্ট; দেশে ডলারের উচ্চ দাম ও সঙ্কটের কারণে আমদানির জন্য লেটার অব ক্রেডিট (এলসি) খুলতে পারছেন না ব্যবসায়ীরা। ডলারের খরচ বাড়ায় অনেক ব্যবসায়ী তাদের ব্যবসার পরিধি কমিয়ে ফেলছেন। আবার চাহিদামতো ঋণপত্র খুলতে না পেরে সঙ্কটে পড়েছেন তারা। যদিও বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, ইমপোর্টর ক্ষেত্রে এসেন্সিয়াল কমোডিটিস আন্তর্জাতিক রেট বিবেচনা সাপেক্ষে এলসি খোলা বহাল আছে। তবে ব্যবসায়ীরা বলছেন, ডলারের দাম অনিয়ন্ত্রিত থাকায় এলসি খোলা যাচ্ছে না। বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসেবে গত মাসের চেয়ে এ মাসে এলসি খোলার হার ৩১.১৬ শতাংশ কমে গেছে। পাশাপাশি দেশের রপ্তানি কমেছে ৬.২৪% ও রেমিটেন্স কমেছে প্রায় ২৫ ভাগ।

বাজারের অস্থিরতা কমাতে রিজার্ভ থেকে মার্কিন ডলার বিক্রি করছে বাংলাদেশ ব্যাংক। তবুও ডলার সঙ্কট কমছে না। পাশাপাশি রফতানি আয় ও রেমিটেন্স কমায় দিন দিন রিজার্ভে চাপ বাড়ছে। বর্তমানে জ্বালানি তেল, সারসহ অতিপ্রয়োজনীয় পণ্য আমদানি করার জন্য রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোকে কেবল ডলার দেয়া হচ্ছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের চলতি ২০২২ সালের প্রথম থেকে এ পর্যন্ত রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১০ দশমিক ১৬ বিলিয়ন ডলার। তবে বেসরকারি ব্যাংকগুলো কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে কোনো ডলার পাচ্ছে না।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জুন থেকে এলসি খোলা ও নিষ্পত্তির হার নিম্নমুখী। আমদানিকারকরা জুনে ৮.৪৪ বিলিয়ন ডলারের এলসি খুলেছিলেন, যা সেপ্টেম্বরে ৫.৭০ বিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছে। জুন মাসে এলসি নিষ্পত্তির পরিমাণ ছিল ৭.৭৫ বিলিয়ন ডলার। টানা ৪ মাসের পতনের প্রবণতা অক্টোবরেও অব্যাহত ছিল। এ মাসে এলসি সেটেলমেন্ট ৬ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। এছাড়াও, এলসি নিষ্পত্তি ১.৩১ বিলিয়ন বা ১৮% কমেছে।

জানা গেছে, ২০২২-২৩ অর্থবছরে প্রথম চার মাস (জুলাই, আগস্ট, সেপ্টেম্বর, অক্টোবর) রিজার্ভ থেকে ৫০০ কোটি (৫ বিলিয়ন) ডলারের বেশি বিক্রি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ফলে দিন দিন রিজার্ভের ওপর চাপ পড়ছে। গত রোববার(২০ নভেম্বর) দিন শেষে রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩৪ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার। অথচ গত বছর একই সময়ে রিজার্ভ ছিল ৪৬ দশমিক ৪৯ বিলিয়ন ডলার। দেশের ইতিহাসে গত বছরের আগস্ট মাসে অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে রিজার্ভ ৪৮ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক অতিক্রম করেছিল।

এদিকে দেশের বৈদেশিক মুদ্রা আয় বা রিজার্ভের বড় দুই উৎস রফতানি ও প্রবাসী আয় টানা দুই মাস ধরে কমছে। এতে ডলার সঙ্কট আরও প্রকট হচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের দেওয়া সবশেষ হিসেব অনুযায়ী, গত অক্টোবর মাসে যে পরিমাণ প্রবাসী আয় এসেছে, তা গত আট মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন। আর গত বছরের অক্টোবরের তুলনায় ৭ দশমিক ৩৭ শতাংশ কম। রফতানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) অথ্য অনুযায়ী, অক্টোবরে রফতানি আয় গত বছর একই মাসের তুলনায় কমেছে প্রায় ৮ শতাংশ। গত সেপ্টেম্বরেও কমেছে রফতানি আয়। এর আগে টানা ১৩ মাস রফতানি আয় বেড়েছিল।

ডলার সঙ্কটের এ প্রভাব পড়েছে দেশের শীর্ষ রফতানি খাত পোশাক শিল্পেও। একাধিক পোশাক রফতানিকারক বলেন, ডলার সঙ্কটে আমদানির উদ্দেশ্যে কোনো ঋণপত্র খোলা সম্ভব হচ্ছে না। ব্যাংকে ১০০ শতাংশ মার্জিন দিলেও এলসি খুলছে না। ভালো ক্লায়েন্টের সঙ্গে কাজ করতে গেলে অনেক ধরনের সার্টিফিকেট দরকার পড়ে। সার্টিফিকেট নবায়ন করতে গেলেও ডলারে পেমেন্ট করতে হয়। এ ছাড়া বিভিন্ন ধরনের এক্সেসরিজ বাইরে থেকে আনতে হয়, কিন্তু ডলার সঙ্কটে ব্যাংক আমাদের নিরুৎসাহিত করছে। ব্যাংকগুলো চাহিদার ৫০ শতাংশ ডলারও দিতে পারছে না।

নিট পোশাক প্রস্তুত ও রফতানিকারক সমিতির (বিকেএমইএ) নির্বাহী সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, ব্যবসায়ীরা কাপড়ের এলসি খুলতে পারছেন না। রফতানি বাড়াতে মূলধনী যন্ত্রপাতি আনা জরুরি, কিন্তু এ জন্যও ঋণপত্র খোলা যাচ্ছে না। বস্ত্রশিল্পের জন্য দেশের বাইরে থেকে তুলা আমদানি করতে হয়। তুলা আমদানি করা না গেলে সুতা তৈরি হবে না। সুতা তৈরি না হলে কাপড়শিল্পের অগ্রগতি ব্যাহত হবে, কিন্তু তুলা আমদানিতেও এলসি খোলা যাচ্ছে না।

অর্থনীতিবিদরা বলছেন, বিদায়ী অর্থবছরে দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ বাণিজ্য ঘাটতির কারণে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমতে থাকে। ২০২১-২২ অর্থবছরের শেষ নাগাদ রিজার্ভ ৪১.৮২ বিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছে, যা আগেরবারের থেকে কমেছে প্রায় ৭ বিলিয়ন ডলার।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, জাপান, চীন, থাইল্যান্ড ও ভারত থেকে উন্নত মানের গাড়ি ও পোশাক এনে ঋণপত্র খুলতে গিয়ে বিপদে পড়ছেন আমদানিকারকরা। দেশের আন্তঃব্যাংক মুদ্রাবাজারে বাংলাদেশ ব্যাংক ঘোষিত প্রতি ডলারের মূল্য ১০৬ টাকা। যদিও এ দামে কোনো ব্যাংকেই ডলার পাওয়া যাচ্ছে না। ব্যাংকগুলো বড় ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে ডলারপ্রতি ১১০-১১২ টাকা পর্যন্ত আদায় করছে। আর মাঝারি ও ছোট ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে আদায় করছে তারও বেশি। আর মানি চেঞ্জারগুলো প্রতি ডলারের দাম নিচ্ছে ১১৪-১১৫ টাকা। ডলারের দাম অনিয়ন্ত্রিত হওয়ায় এলসি কোনো এলসিই খুলতে পারছেন না ব্যবসায়ীরা।

ব্যবসায়ীদের ভাষ্য, ব্যাংক কর্মকর্তারা বলছেন, বাজারে ডলার নেই। এজন্য এলসি খোলা কঠিন হয়ে গেছে। চাপাচাপি করলে ব্যাংকাররা যে দর বলছেন, সে দরেই ডলার কিনতে হচ্ছে। গত সপ্তাহে ১১০ টাকা দরেও ডলার কিনতে হয়েছে।

ব্যবসায়ীদের অভিযোগ স্বীকারও করছেন ব্যাংকাররা। তারা বলছেন, মানি এক্সচেঞ্জ প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছ থেকে ১১৪ টাকা দরেও রেমিটেন্স কিনতে হচ্ছে। ব্যাংক তো গ্রাহকদের কাছে লোকসানে বিক্রি করবে না। ব্যাংকের স্বার্থে বড় ব্যবসায়ীদের কেনা দামেও ডলার দিতে হচ্ছে। কিন্তু ছোট ও মাঝারি ব্যবসায়ীদের একই দামে ডলার দেয়া সম্ভব নয়। ফলে এ শ্রেণির ব্যবসায়ীদের থেকে বাড়তি দাম নিতে হচ্ছে। দেশের অন্তত তিনটি ব্যাংকের শীর্ষ নির্বাহীর পাশাপাশি বেশ কয়েকটি ব্যাংকের শাখা ব্যবস্থাপকরা এসব কথা বলেছেন। তবে তাদের কেউই নিজেদের নাম উদ্ধৃত করে বক্তব্য দিতে রাজি হননি।

রপ্তানি আয়ের পাশাপাশি অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ এই সূচক কমায় বিদেশি মুদ্রার সঞ্চয়ন বা রিজার্ভ নেমেছে ৩৪ বিলিয়ন ডলারে। রোববার দিন শেষে রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩৪ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার। গত বছরের আগস্টে এই রিজার্ভ অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে ৪৮ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করে। এক বছর আগে ১৭ নভেম্বর রিজার্ভ ছিল ৪৪ দশমিক ৯৫ বিলিয়ন ডলার।

এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর সালেহউদ্দিন আহমেদ গণমাধ্যমকে বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক যখন আমদানির ওপর শর্ত আরোপ করে তখন আমদানি নিয়ন্ত্রণ জরুরি ছিল। কারণ অনেক অপ্রয়োজনীয় পণ্য আমদানি করা হয়েছে। তিনি বলেন, আমাদের দেশ অনেকাংশে আমদানির ওপর নির্ভরশীল। তাই শিল্প যন্ত্রপাতি ও কাঁচামাল আমদানি পুরোপুরি বন্ধ করে দিয়ে কোনো কাজ হবে না। আমাদের বড় আমদানি অব্যাহত রাখতে হবে।

তিনি বলেন, আমদানির মূল্য বাড়লেও আয়তন বাড়েনি। বাংলাদেশ ব্যাংককে আরও গভীরভাবে দেখা উচিত যে, পণ্যগুলো ঠিকভাবে আসছে কি না। এখন মেশিন আনা হচ্ছে, নাকি মেশিন আমদানির নামে ওভার ইনভয়েসিং করে টাকা পাচার করা হচ্ছে।

এদিকে দেশের রফতানি খাতে বড় প্রবৃদ্ধি সত্ত্বেও চলতি অর্থবছরে বাণিজ্য ঘাটতি রেকর্ড ছাড়িয়েছে। ফলে অর্থবছরের প্রথম নয় মাসেই সরকারের চলতি হিসাবে ঘাটতি তৈরি হয়েছে ১৪ বিলিয়ন ডলার। দেশের ব্যালান্স অব পেমেন্টের ঘাটতিও ৩ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। রেমিট্যান্সের মন্দা ভাবের পাশাপাশি আমদানি প্রবৃদ্ধির চাপ সামাল দিতে ব্যর্থ হওয়ায় এ ঘাটতি তৈরি হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক রোববার চলতি মাসের রেমিটেন্স প্রবাহের ১৮ দিনের তথ্য প্রকাশ করেছে। তাতে দেখা যায়, নভেম্বর মাসের প্রথম ১৮ দিনে ১০৬ কোটি (১.০৬ বিলিয়ন) ডলার পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। এই হিসাবে প্রতিদিন গড়ে ৫ কোটি ৮৮ লাখ ডলার রেমিটেন্স এসেছে দেশে।

ডলারের বাজারের অস্থিরতার কারণে অবৈধ হুন্ডি বেড়ে যাওয়ায় রেমিটেন্স কমছে বলে জানিয়েছেন অর্থনীতির গবেষক আহসান এইচ মনসুর। এটা বন্ধ করতে না পারলে রিজার্ভের পরিমাণ আরও কমে যাবে বলে আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন তিনি। চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রথম দুই মাস জুলাই ও আগস্টে প্রতিদিন গড়ে ৭ কোটি ডলার করে রেমিটেন্স পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা। চলতি মাসের বাকি ১২ দিনে এই হারে রেমিটেন্স এলে সেপ্টেম্বর-অক্টোবরের মতো নভেম্বর মাসেও দেড় বিলিয়ন ডলারের কিছু বেশি রেমিটেন্স আসবে। গত বছরের নভেম্বর মাসে ১৫৫ কোটি ৩৭ লাখ ডলার পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা।

চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে (জুলাই-আগস্ট) ২ বিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিটেন্স পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা। জুলাইয়ে এসেছিল ২ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলার; যা ছিল আগের ১৪ মাসের মধ্যে সবচেয়ে বেশি। আর গত বছরের জুলাইয়ের চেয়ে বেশি ছিল ১২ শতাংশ। আগস্টে আসে ২ দশমিক শূন্য ৪ বিলিয়ন ডলার। প্রবৃদ্ধি হয়েছিল ১২ দশমিক ৬০ শতাংশ। ওই দুই মাসে মোট রেমিটেন্স এসেছিল ৪ দশমিক ১৩ বিলিয়ন ডলার। গত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে যা ছিল ১২ দশমিক ৩০ শতাংশ বেশি।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যে দেখা যায়, গত সেপ্টেম্বরে বিভিন্ন দেশে অবস্থানকারী প্রবাসীরা ১৫৩ কোটি ৯৫ লাখ ডলার দেশে পাঠিয়েছেন, যা ছিল গত বছরের সেপ্টেম্বরের চেয়ে ১০ দশমিক ৮৪ শতাংশ কম। ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে ১৭২ কোটি ৬৭ লাখ ডলার এসেছিল। পরের মাস অক্টোবরে এসেছিল ১৫২ কোটি ৫৪ লাখ ডলার। এ মাসে ১৫২ কোটি ৫৪ লাখ (১.৫২ বিলিয়ন) ডলার রেমিটেন্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা, যা গত আট মাসের মধ্যে সবচেয়ে কম।

রেকর্ড বাণিজ্য ঘাটতির সঙ্গে নতুন দুশ্চিন্তাও যুক্ত হচ্ছে দেশের অর্থনীতিতে। প্রতি বছর যে পরিমাণ অর্থের পণ্য রফতানি হচ্ছে, সেটি প্রত্যাবাসিত হচ্ছে না। শুধু গত আড়াই বছরেই রফতানি ও অর্থ প্রাপ্তির ব্যবধান ১ হাজার ২৯১ কোটি বা ১২ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে।

এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আবুল কালাম আজাদ এ প্রতিবেদককে বলেন, ইমপোর্টর ক্ষেত্রে এসেন্সিয়াল কমোডিটিস আন্তর্জাতিক রেট বিবেচনা সাপেক্ষে কমার্শিয়াল এলসির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকের কোনো নিষেধ নেই। প্রতিটি ব্যাংক তাদের নিজস্ব বৈদেশিক মুদ্রার মাধ্যমে এলসি ওপেন করবে। সেটি বাংলাদেশ ব্যাংক তাদের নীতি মোতাবেক তদারকি করবে। এক্ষেত্রে জ্বালানি, সার ও খাদ্যের ক্ষেত্রে সরকারি সহায়তা বাংলাদেশ ব্যাংক দিয়ে আসছে এবং দিয়ে যাবে।

বন্ধুদের মাঝে শেয়ার করুন

এরকম আরও বার্তা
স্বত্ব © ২০১৫-২০২২ এশিয়ান বার্তা  

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft