1. aknannu1964@gmail.com : AK Nannu : AK Nannu
  2. admin@asianbarta24.com : arifulweb :
  3. angelhome191@gmail.com : Mahbubul Mannan : Mahbubul Mannan
  4. info@asianbarta24.com : Dev Team : Dev Team
সোমবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২২, ০৯:৫৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
আজ শেষ ষোলর ম্যাচে ক্রোয়েশিয়ার মোকাবেলা করবে জাপান হাফ টাইমে ১-০ জিরোডের গোলে এগিয়ে যায় ফ্রান্স নেদারল্যান্ডসকে হারিয়ে সেমিফাইনালে খেলবে আর্জেন্টিনা: কোচ স্কালোনি টেকনাফে আগুনে পুড়ে গেল পর্যটক জাহাজ আমরা আপনাদের দোয়া, সহযোগিতা ও ভোট চাই: প্রধানমন্ত্রী রাজধানীর  খিলগাঁও হতে চাঞ্চল্যকর গণধর্ষণ মামলার আসামী গ্রেফতার গোবিন্দগঞ্জে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠির ২শ ৮০ জন সুবিধাভোগীর মাঝে ভেড়া বিতরণ নাটোরের বাগাতিপাড়ায় প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির অবৈধ কমিটি বাতিল ও নির্বাচনে অংশ নেওয়ার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন পলাশবাড়ীর বরিশাল ইউনিয়নে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ব্রেঞ্চ প্রতিবন্ধীদের মাঝে হুইল চেয়ার বিতরণ ফুলছড়ি হানাদার মুক্ত দিবস পালিত

গুলিতে বিজিবি সদস্যের মৃত্যু নিয়ে ধোঁয়াশাঃ পলাতক এক সিপাহী

  • আপডেট করা হয়েছে : রবিবার, ২০ নভেম্বর, ২০২২
  • ৩৬ বার দেখা হয়েছে
জয়পুরহাট প্রতিনিধি

জয়পুরহাটে নেপাল দাস (৩১) নামে বিজিবি’র সিপাহী বিশেষ ক্যাম্পে কর্মরত অবস্থায় গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যাওয়ার পর থেকে একই ক্যাম্পের হযরত জাকারিয়া নামে অপর এক সিপাহী পলাতক রয়েছেন।  এ নিয়ে জেলা জুড়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে।

নিহতের ভাই গোপাল দাস বলেন, ভাইয়ের লাশ নিতে শুক্রবার দুপুরে আমি বিজিবির জয়পুরহাট ক্যাম্পে গিয়েছিলাম। তখন সিও স্যারের কাছে ভাইয়ের মৃত্যুর কারণ জানতে চাইলে তিনি আমাকে সান্ত্বনা দিয়ে বলেন, তোমার ভাই ডিউটিতে ছিলো। তার ডিউটি ছিলো গেইটে। রাত ১০টার দিকে দুটি গুলির শব্দ হয়। তখন ওই ক্যাম্পে যারা ছিলো, তারা গুলির শব্দ পেয়ে দৌড়ে গিয়ে দেখে নেপাল গুলিবিদ্ধ। পরে বিজিবির সদস্যরা নেপালকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। তখন আমি সিও স্যারকে বলেছিলাম, স্যার আমার ভাইকে কে গুলি করল?  তিনি এমন প্রশ্নের জবাবে  বলেন, বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে। শুধু আমাদের একজন সৈনিক পলাতক আছে। তাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।

নেপাল দাস নিহতের ঘটনায় ২০-বিজিবির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে বিজিবি-২০ জয়পুরহাট ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রফিকুল ইসলাম শনিবার  মুঠোফোনে বলেন, বিশেষ ক্যাম্পে শুক্রবার রাত ১০টার দিকে ফায়ারিংয়ের শব্দ হয়েছে। ওখানে অন্যরা ছিল না। ফায়ারিংয়ের শব্দে অন্য সদস্যরা এসে দেখে নেপাল গুলিবিদ্ধ হয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছেন। এটি একটি দুর্ঘটনা ও আমাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়।

পলাতক সিপাহী হযরত জাকারিয়ার বিষয়ে জানতে আজ রোববার আবারও অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রফিকুল ইসলামের মুঠোফোনে কল করলেও তিনি ফোন রিসিভ না করায় এ ব্যাপারে কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এদিকে গুলিতে নিহত বিজিবির সিপাহী নেপাল দাসের মরদেহ শুক্রবার রাত সাড়ে ৭টার দিকে তার নিজ গ্রামের বাড়িতে পৌঁছে। রাত দেড়টায় তার দাহ কার্য শেষ করা হয়। সেসময় বিজিবি সদস্যরা সেখানে উপস্থিত ছিলেন। নিহত নেপালের বাড়িতে চলছে শোকের মাতম আর পুরো এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

উল্লেখ্য,, বৃহস্পতিবার (১৭ নভেম্বর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে জয়পুরহাট আধুনিক জেলা হাসপাতালে বিজিবির পোশাক পরা ও বুকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় নেপাল দাসকে জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তার শরীরে দুটি গুলি লাগে। একটি পিঠ দিয়ে ঢুকে বুক দিয়ে বের হয়ে যায়, আরেকটি তার ডান হাতের আঙুলে লেগেছিল। হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ও ময়নাতদন্তে নিয়োজিত চিকিৎসক জয়নাল আবেদীন এ তথ্য৷ নিশ্চিত করেন।

ময়নাতদন্তের পর শুক্রবার দুপুরে ২০-বিজিবি জয়পুরহাট ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রফিকুল ইসলাম মরদেহটি নেপালের বড় ভাই গোপাল দাসের কাছে হস্তান্তর করেন।

নেপাল দাসের বাড়ি ফরিদপুর জেলার মধুখালী উপজেলার মেঘচামী ইউনিয়নের কলাগাছি দাসপাড়া গ্রামে। নেপাল ওই গ্রামের নারায়ণ দাসের ও কানন বালা দাস দম্পতির ছেলে। এক বোন ও তিন ভাইয়ের মধ্যে নেপাল ছিলেন মেজ। বোন হাসি রাণী দাস বিবাহিত। বড় ভাই গোপাল দাস ব্র্যাক ব্যাংকে ও ছোট ভাই বাদল দাস সেনাবাহিনীতে কর্মরত। তার স্ত্রী অঞ্জনা দাস ও চার বছরের অর্ণব দাস নামের এক ছেলে রয়েছে।

বন্ধুদের মাঝে শেয়ার করুন

এরকম আরও বার্তা
স্বত্ব © ২০১৫-২০২২ এশিয়ান বার্তা  

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft