1. aknannu1964@gmail.com : AK Nannu : AK Nannu
  2. admin@asianbarta24.com : arifulweb :
  3. angelhome191@gmail.com : Mahbubul Mannan : Mahbubul Mannan
  4. info@asianbarta24.com : Dev Team : Dev Team
বৃহস্পতিবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২২, ০৩:২৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
মির্জাপুরে অবৈধ ৯ টি ইটভাটাকে ১ কোটি ১৮ লাখ টাকা জরিমানা ১ ডিসেম্বর ‘মুক্তিযোদ্ধা দিবস’ রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দিন : বাংলাদেশ ন্যাপ  ফুলবাড়ীতে স্কাউটস ভবন নির্মান কাজের ভিত্তি প্রস্তর উদ্বোধন পুলিশি বাধাঁয় ১৫ কিলোমিটার রাস্তা হেঁটে নেতা-কর্মী পৌছালেন সমাবেশস্থলে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতি আস্থাহীনতাই খালাসী নিয়োগ পরীক্ষায় ব্যাপক অনুপস্থিতির কারণ ১০ দফা দাবিতে রাজশাহী বিভাগে পরিবহন ধর্মঘট শুরু রাজশাহীতে বিএনপির সমাবেশে যেতে পথে পথে বাধা দুই দিন আগেই নেতাকর্মীদের জনস্রোত রাজশাহীতে শীত ‍উপেক্ষা করে খোলা মাঠে রাত কাটালো বিএনপির নেতাকর্মীরা সিরাজগঞ্জে ১৩ দিনে ১১ থানায় আ’লীগের মামলার জালে বিএনপির ১৬৭৪ নেতাকর্মী : গ্রেপ্তার-৭ পোল্যান্ডকে ২-০ গোলে হারিয়ে নকআউট পর্বে আর্জেন্টিনা

মহেশখালীতে লন্ডভন্ড ১ হাজার বসতি, তলিয়ে গেছে সড়ক

  • আপডেট করা হয়েছে : মঙ্গলবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২২
  • ২৯ বার দেখা হয়েছে

 

কায়সার হামিদ মানিক,স্টাফ রিপোর্টার কক্সবাজার।

ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের তাণ্ডবে কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার নিম্নাঞ্চল পানিতে তলিয়ে গেছে। বিধ্বস্ত হয়েছে প্রায় ১ হাজার বসতবাড়ি। শতাধিক চিংড়ি ঘেরের বাঁধ ভেঙে কোটি কোটি টাকার মাছ সাগরের পানিতে ভেসে গেছে। বিশেষ করে উপজেলার মাতারবাড়ী, ধলঘাটা, সোনাদিয়া জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হয়। চালিয়াতলী টু মাতারবাড়ী সংযোগ সড়ক ভেঙে গিয়ে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। এতে দুর্ভোগে পড়েছে লোকজন।

জানাগেছে, উপজেলার সোনাদিয়া, ঘটিভাঙ্গা, তাজিয়াকাটা, বড়দিয়া, অমাবশ্যাখালী, কালারমারছড়ার কালিগঞ্জ মৌজা, পশ্চিম ঝাপুয়া, মাইজপাড়া, মাতারবাড়ী ইউনিয়নের জালিয়াপাড়া, সাইরার ডেইল, হংস মিয়াজির পাড়া ও, হোয়ানক ইউনিয়নের কেরুনতলী, ধলঘাটা ইউনিয়নের শরইতলা, সুতুরিয়া, বেগুনবনিয়া, পন্ডিতের ডেইল ও ঘাটপাড়াসহ হাজার পরিবার জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হয়। , সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে
ধলঘাটা উত্তর মহুরী ঘোনা এলাকার পাঁচশত পরিবার। সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও ক্ষয়ক্ষতি নিরুপণে জেলা প্রশাসক মামুনুর রশীদের নেতৃত্বে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে তালিকা প্রণয়নের কাজ শুরু হয়েছে।

এদিকে, উচ্চ জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত উপকূলীয় নিম্নাঞ্চল থেকে পানি সরে যাচ্ছে। তবে বাড়ছে জনদুর্ভোগ। রাতে উপকূলের ৫ শতাধিক আশ্রয় কেন্দ্রের তিন শতাধিক আশ্রয় কেন্দ্রের মধ্যে প্রায় ২ লক্ষাধিক লোক আশ্রয় নিয়েছিলেন। ধলঘাটা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান কামরুল হাসান জানান, ধলঘাটায় ৬ গ্রাম প্লাবিত হয়েছে, সেই সঙ্গে ৪টি চিংড়ি প্রজেক্ট সাগরের পানিতে ভেসে গেছে। রাতে আশ্রয় কেন্দ্রে অবস্থান করছিল প্রায় ১০ হাজার মানুষ।

কক্সবাজার জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. মামুনুর রশীদ জানান, দুর্যোগ কেটে গেছে আপাতত। সারারাত উপকূলে নজর ছিল। গভীর রাত পর্যন্ত আশ্রয় কেন্দ্রে আনা হয়েছিল লোকজনদের। তবে বড় কোনো দুর্ঘটনা বা হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। এখন পানি নেমে যাচ্ছে। ক্ষতের চিহ্ন ভেসে উঠছে। ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের আঘাতে জেলায় কি পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে তা নিরুপনের চেষ্টা চলছে। খুব শিগগিরই এসব বিষয় জানানো হবে।

বন্ধুদের মাঝে শেয়ার করুন

এরকম আরও বার্তা
স্বত্ব © ২০১৫-২০২২ এশিয়ান বার্তা  

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft