1. aknannu1964@gmail.com : AK Nannu : AK Nannu
  2. admin@asianbarta24.com : arifulweb :
  3. angelhome191@gmail.com : Mahbubul Mannan : Mahbubul Mannan
  4. info@asianbarta24.com : Dev Team : Dev Team
রবিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২২, ১০:৫৫ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
জীবনের পরম তৃপ্তি আর ভালোবাসায় জড়িয়ে আছে সলঙ্গার প্রিয় নীড়ের তৃতীয় লিঙ্গের বাসিন্দারা রাণীশংকৈলে ২০০ ফুট পতাকা নিয়ে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের মিছিল জয়পুরহাট আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে নৃপেন্দ্রনাথ সভাপতি  ও শাহীন সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত বঙ্গবন্ধুসেতু পূর্বপাড়ের বাগান থেকে অজ্ঞাত যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার মানবিক গুণাবলি বিকাশে লেখকদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ : লায়ন গনি মিয়া বাবুল গাইবান্ধা পুলিশ সুপার মুহাম্মদ তৌহিদুল ইসলামকে বদলি নতুন পুলিশ সুপার মো. কামাল হোসেন গাইবান্ধায় বাংলাদেশ শ্রমিক কর্মচারী ফেডারেশনের ১ম জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত গোবিন্দগঞ্জের সাঁওতাল নারীদের ক্রীড়া ও ঐতিহ্যবাহী তীর ছোড়া প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক উৎসব পলাশবাড়ীর অসচ্ছল বীরমুক্তিযোদ্ধাদের জন্য তৈরী হচ্ছে ১২ বীর নিবাস জাতীয়পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক মামলা প্রত্যাহারের দাবীতে গাইবান্ধায় বিক্ষোভ

জয়পুরহাটের কালাইয়ে অসময়ে কৃষকের ফসলের মাঠে মই দিয়ে গেলো সিত্রাং

  • আপডেট করা হয়েছে : মঙ্গলবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২২
  • ৩৫ বার দেখা হয়েছে
শারমিন আশা স্বর্ণা, জয়পুরহাট প্রতিনিধি: অসময়ে ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের প্রভাবে জয়পুরহাটের কালাইয়ে আমন ধান ও শীতকালীন আগাম সবজির ব্যাপক ক্ষতির হয়েছে।
গতকাল সোমবার বিকেল থেকে সকাল পর্যন্ত দমকা হাওয়ার সঙ্গে মাঝারি থেকে গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টি অব্যাহত ছিলো। এতে উপজেলার কৃষকের পাকা ধানে মই দিয়ে যায় ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং। এই সিত্রাংয়ের কারণে বৃষ্টি ও ঝড়ো হাওয়ায় এলাকার বহু স্থানে কাঁচা-পাকা ধান কাদামাটির সঙ্গে লেপ্টে গেছে। মাঝারি বৃষ্টি এবং দমকা বাতাসে পাকা ও কাঁচা ধানসহ শীতকালীন আগাম সবজির গাছগুলো ক্ষেতে হেলে পড়ে পানির নিচে ডুবে আছে। ঘাম ঝরানো স্বপ্নের ফসলের এমন দৃশ্যে নির্বাক উপজেলার কৃষকরা।
সরেজমিনে দেখা গেছে, ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের করণে উপজেলার বেশির ভাগ বাসগুলো নির্ধারিত সময়ের মধ্যে গন্তব্যে রওনা দিতে পারেনি, গাড়ির সংখ্যাও কম ছিলো। সেই সঙ্গে এই এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ হয়ে যায়। ফলে উপজেলা এলাকাজুড়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে দুর্ভোগ ও আতঙ্ক তৈরি হয়।
এদিকে অসময়ে ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের প্রভাবে মাঝারি বা গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টির কারণে সব থেকে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষ। এসময় খেটে খাওয়া মানুষদের বেকায়দায় পড়তে হয়েছে। অপরদিকে বিকেল থেকে সকাল পর্যন্ত দমকা হাওয়ার সঙ্গে মাঝারি থেকে গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টির ফলে ব্যাপক ক্ষতির মুখে শীতকালীন আগাম সবজি ও আমন ধানের চাষিরা। অধিকাংশ মাঠের ধানের গাছ জমিতে পড়ে গেছে। পড়ে যাওয়া ধানের গাছগুলো নষ্ট হওয়ার হাত থেকে রক্ষার জন্য কৃষকেরা মাঠে নেমে তাদের ধানের চারাগুলো রক্ষার শেষ চেষ্টা করছেন। কৃষকদের স্বপ্নের পাকা ও কাঁচা ধান ক্ষেতে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে অভাবনীয় ক্ষতি হয়েছে। এতে করে উপজেলার হাজার হাজার কৃষকেরা বর্তমান দিশেহারা হয়ে পড়েছে।
উপজেলার রোড়াই গ্রামের কৃষক আব্দুর রউফ বলেন, এবার ৭ বিঘা জমিতে কাটারী জাতের ধান রোপন করেছি। ধানগাছে যে শীষ এসেছিল তাতে ফলনও খুব ভালো হতো। আগামী সপ্তাহে ধানও কাটারও উপযোগী হতো। কিন্তু অসময়ে ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের প্রভাবে বৃষ্টি ও বাতাসে আমার বেশির ভাগ ধানগাছ মাটিতে পড়ে গেছে। এর ফলে আমার ধানের ফলন অনেক কমে যাবে।
একই উপজেলার ঝামুটপুর গ্রামের মোতালেব নামে এক কৃষক বলেন, আর কয়েক দিন পর ৫০ শতক সুগন্ধি আতব ধান কাটবো। অনেক কষ্ট করে ৫০শতক সুগন্ধি আতব ধান চাষ করতে প্রায় ৩০ হাজার টাকা ব্যয় হয়েছে। মাঠে এবার যে ধান হয়েছে, তাতে বিঘাপ্রতি ২২ থেকে ২৪ মণ ধান হবে। হিসাব অনুযায়ী এই ধান বিক্রি করে উৎপাদন খরচসহ লাভ হতো। বর্তমান ধানগাছগুলো মাটিতে হেলে পড়ায় অনেক ক্ষতি হয়েছে। এতে উৎপাদন খরচ তুলতে পারবো কি না, তা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে।
উপজেলার বহুতী গ্রামের শীতকালীন আগাম সবজি চাষী মোজাহার ও আজাহার জানান, ৪০ শতক জমিতে লালশাক, পুইশাক, কলমি শাকসহ চিচিংগা, সীম, বেগুন ও করলা রোপন করেছেন। রোপনকৃত গাছগুলো অনেক ভালো হয়েছে। এরমধ্যে চিচিংগা, বেগুল ও করলা কিছু বিক্রি করেছেন। হঠাৎ মাঝারি থেকে গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টির পানি জমিতে জমে গেছে আর দমকা হাওয়ার কারণে অনেক সবজির গাছ ছিড়ে গেছে। এমন অবস্থায় খুব দুশ্চিন্তায় রয়েছেন তারা।
কালাই উপজেলা কৃষি অফিসার অরুন চন্দ্র রায় বলেন, উপজেলায় এবার আমন মৌসুমে ১১ হাজার ৮শ ৩০ হেক্টর জমিতে আমন-ধান চাষাবাদ হয়েছে এবং ৫৫ হেক্টর জমিতে সবজি আবাদ হয়েছে। ইতোমধ্য কৃষকেরা প্রায় ২০ হেক্টর জমির ধান কর্তন করেছেন। কিন্তু ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের প্রভাবে কিছু কিছু স্থানে প্রায় ১ হাজার ৬০শ হেক্টর জমির পাকা ও কাঁচা ধানের গাছগুলো হেলে পড়েছে। তবে ধানের তেমন ক্ষতি হবেনা। আর কৃসকদের চিন্তার কোন কারন নেই। আবহাওয়া ভালো হলেই জমি থেকে পানি নেমে যাবে। তখন ওই জমির ধানসহ সবজিগুলো আগের মতোই ভালো হবে। তাছাড়া উপজেলার সকল কৃষদের সু-পরামর্শসহ সব ধরণের সহযোগীতা দিয়ে আসছি। তাই আশা করছি এবারেও আমন ধানসহ সবজি বাম্পার ফলন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

বন্ধুদের মাঝে শেয়ার করুন

এরকম আরও বার্তা
স্বত্ব © ২০১৫-২০২২ এশিয়ান বার্তা  

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft