1. aknannu1964@gmail.com : AK Nannu : AK Nannu
  2. admin@asianbarta24.com : arifulweb :
  3. angelhome191@gmail.com : Mahbubul Mannan : Mahbubul Mannan
  4. info@asianbarta24.com : Dev Team : Dev Team
মঙ্গলবার, ১৬ অগাস্ট ২০২২, ০৩:০৯ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
জাতীয় শোক দিবসে বঙ্গবন্ধু গবেষণা পরিষদের বিভিন্ন কর্মসূচি পালন রাজধানীর চকবাজারে পলিথিন কারখানায় আগুন নিয়ন্ত্রণে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নাটোরের কলেজ শিক্ষিকার মৃত্যুর নেপথ্যে উদঘাটন যারা আন্দোলন করছে তাদের কাউকে যেন গ্রেফতার করা না হয়: প্রধানমন্ত্রী কলেজছাত্রকে বিয়ে করা নাটোরের সেই শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্প ও ঔষধ বিতরণ গোপালগঞ্জে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের ৭টি উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শণ করেছেন এলজিইডি’র প্রধান প্রকৌশলী নওগাঁর মহাদেবপুরে প্রাইভেট কার খাদে পড়ে স্বামী ও অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী নিহত নলডাঙ্গায় মোটরসাইকেল ও সিএনজি মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ২

গোবিন্দগঞ্জে সিজারে প্রাণ হারালো গৃহবধূ মুনমুন

  • আপডেট করা হয়েছে : শনিবার, ৬ আগস্ট, ২০২২

গাইবান্ধা প্রতিনিধি:
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে সিটি জেনারেল হাসপাতাল অ্যান্ড কনসালটেশন সেন্টারে সিজার পরবর্তী বøাড কন্ট্রোল করতে না পারায় বগুড়া শহীদ জিয়া মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতালে প্রাণ হারালো গৃহবধূ মুনমুন (২৬)। মুনমুন উপজেলার ফুলবাড়ী ইউনিয়নের কানিপাড়া গ্রামের আ. আজাদের স্ত্রী ও পৌরসভার খলসী গ্রামের মিলনের কন্যা।

শুক্রবার (৫ আগস্ট) সকালে ডেলিভারির জন্য সিটিতে ভর্তি হয় মুনমুন। বেলা ১১টায় হাসপাতার কর্তৃপক্ষ অনকলে পলাশবাড়ী থেকে জনৈক মহিলা সার্জন এনে সিজার করায়। সিজার পরবর্তী রোগীর ব্লাড বন্ধ না হওয়ায় বিপাকে পড়ে ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ ও রোগীর স্বজনরা। এসময় দ্রুত রোগীকে রেফার্ড না করে নিজেরাই চেষ্টা করার একপর্যায়ে অবস্থা বেগতিক দেখে বিকাল প্রায় ৪টার দিকে বগুড়া শহীদ জিয়া মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতালে পাঠায়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সন্ধ্যা ৭টার দিকে রোগী মৃত্যুবরণ করে।

মুনমুনের বাবা জানান, প্রায় ১১ বছর আগে মুনমুনের বিয়ে হয়। তার একটি পুত্র সন্তান রয়েছে। আজ সিজারে তার একটি কন্যা সন্তান জন্ম নিয়েছে। সে সুস্থ্য আছে। কিন্তু সিজার পরবর্তী ব্লাড বন্ধ না হওয়ায় বিকালে বগুড়ায় শহীদ জিয়া মেডিকেলে ভর্তি করালে সন্ধ্যা ৭টার দিকে মুনমুন মারা যায়।

এদিকে রাত ১১টার দিকে মুনমুনের মরদেহ সিটি জেনারেল হাসপাতালের সামনে আনলে শোকের ছায়া নেমে আসে। রোগীর আত্মীয়-স্বজনদের আহাজারি করতে দেখা যায়। এসময় ওই হাসপাতালের কোন কর্তৃপক্ষ বা কতর্ব্যরত ডাক্তারের দেখা পাওয়া যায়নি। তাদের ব্যবহৃত হটলাইন ও সাইনবোর্ডে ব্যবহৃত মোবাইল নাম্বারে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাদের পাওয়া যায়নি।

এরকম আরও বার্তা
স্বত্ব © ২০১৫-২০২২ এশিয়ান বার্তা  

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft