1. aknannu1964@gmail.com : AK Nannu : AK Nannu
  2. admin@asianbarta24.com : arifulweb :
  3. angelhome191@gmail.com : Mahbubul Mannan : Mahbubul Mannan
  4. info@asianbarta24.com : Dev Team : Dev Team
মঙ্গলবার, ১৬ অগাস্ট ২০২২, ০৩:৫২ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
জাতীয় শোক দিবসে বঙ্গবন্ধু গবেষণা পরিষদের বিভিন্ন কর্মসূচি পালন রাজধানীর চকবাজারে পলিথিন কারখানায় আগুন নিয়ন্ত্রণে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নাটোরের কলেজ শিক্ষিকার মৃত্যুর নেপথ্যে উদঘাটন যারা আন্দোলন করছে তাদের কাউকে যেন গ্রেফতার করা না হয়: প্রধানমন্ত্রী কলেজছাত্রকে বিয়ে করা নাটোরের সেই শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্প ও ঔষধ বিতরণ গোপালগঞ্জে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের ৭টি উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শণ করেছেন এলজিইডি’র প্রধান প্রকৌশলী নওগাঁর মহাদেবপুরে প্রাইভেট কার খাদে পড়ে স্বামী ও অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী নিহত নলডাঙ্গায় মোটরসাইকেল ও সিএনজি মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ২

প্যানেলভিত্তিক নিয়োগের দাবিতে দীর্ঘ ৪১ দিন ধরে অনশন করছেন এনটিআরসিএর সনদধারীরা

  • আপডেট করা হয়েছে : শুক্রবার, ১৫ জুলাই, ২০২২

ডেস্ক রিপোর্টঃ
প্যানেলভিত্তিক নিয়োগের দাবিতে দীর্ঘ ৪১ দিন
ধরে অনশন করছেন এনটিআরসিএর সনদধারীরা। রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় গ্রন্থাগারের সামনে এই গণ-অনশন করছেন তারা। ‘সনদ যার, চাকরি তার’ স্লোগান নিয়ে গত ৫ জুন থেকে তারা গণ-অনশন কর্মসূচি পালন করছেন। এরই মধ্যে শতাধিক প্রার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। ঈদের ছুটিতেও তারা তাদের ন্যায্য দাবিতে অনশন পালন করে যাচ্ছেন।

মুসলমানের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় অনুষ্ঠান পবিত্র ইদ-উল-আজহা। সেই ইদের নামাজ শাহবাগে আদায় করেন। দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে এসে অনশনে অংশ নিয়েছেন এসব সনদধারী।
অনশনকারীরা রংপুর বিভাগীয় প্রতিনিধি ও শিক্ষক নেতা মোঃ আল মুমিন জানান তিনটি দাবিতে তারা রাজপথে নেমেছেন। প্রথমত, এক আবেদনে নিবন্ধনধারী চাকরিপ্রত্যাশীদের কোটাবিহীন প্যানেলে নিয়োগ দিতে হবে।

দ্বিতীয়ত, চাকরিপ্রত্যাশীদের নীতিমালায় নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত নিবন্ধন পরীক্ষা বন্ধ রাখতে হবে এবং তৃতীয়ত ইনডেক্সধারীদের প্যানেলের অন্তর্ভুক্ত না করে, আলাদা বদলির ব্যবস্থা করতে হবে।
অনশনকারীদের দাবি, প্যানেল ভিত্তিতে প্রথম নিবন্ধনধারীদের অগ্রাধিকার দিয়ে ক্রমেই সবাইকে নিয়োগ দেয়া হোক। এরই মধ্যে এই দাবিনামা ও স্মারকলিপি শিক্ষামন্ত্রী, শিক্ষা সচিব ও উপসচিবকে দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্যানেল প্রত্যাশিত শিক্ষক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

অনশনকারীরা আরো জানান, প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে সনদ পেলেও সনদের মেয়াদ ছিল পাঁচ বছর। ২০১৩ সালের ২০ মে রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে হাইকোর্টের রায়ে ১-১২তম নিবন্ধনকারীদের সনদের মেয়াদ পাঁচ বছর বাক্যটি বিলুপ্ত করে সনদের মেয়াদ আজীবন করা হয়। ২০১৫ সালের ২২ অক্টোবর মন্ত্রণালয়ে পাস হয় নতুন গেজেট। ২০০৬ সালে প্রকাশিত গেজেটের আলোকে পূর্বনিবন্ধিত শিক্ষকদের নিয়োগের কোনো সুরাহা না করে এককভাবে প্রার্থী নির্বাচন করে শূন্য পদে নিয়োগ সুপারিশের উদ্দেশ্যে ১৩তম নিবন্ধন পরীক্ষা নেয় এনটিআরসিএ।

তারা বলেন, সরকারি কোনো আইন বা প্রজ্ঞাপন দ্বারা কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হলে তাকে পুনর্বাসন করা সরকারের দায়িত্ব ও কর্তব্য। ক্ষতিগ্রস্ত ও নিয়োগবঞ্চিত ১-১২তমদের কিছু অংশ আদালতের দ্বারস্থ হলে আটকে যায় ১৩তমদের নিয়োগ সুপারিশের কার্যক্রম। এনটিআরসিএ ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এর মাঝে সমন্বয়হীনতা আধুনিক সময়োপযোগী একটি শিক্ষক নিয়োগ পদ্ধতিকে জটিল থেকে জটিল করে তুলেছে।

১৩তম, ১৪তম, ১৫তমসহ নতুন ১৬তম নিবন্ধন পরীক্ষার ক্ষেত্রেও সৃষ্টি হতে যাচ্ছে একই জটিলতা। এদের ক্ষেত্রে আছে আবার বয়সের বেড়াজাল। হঠাৎ এক দিন হয়তো শোনা যাবে আইনি জটিলতার কারণে এদেরকে আর নিয়োগ সুপারিশ করা সম্ভব হচ্ছে না। সুতরাং যা হচ্ছে সবই পরিকল্পনাহীন ও সমন্বয়হীনতার বহিঃপ্রকাশ ছাড়া কিছুই না।

এনটিআরসিএর দ্বিমুখী নীতির কারণে কেউ ৪০ নম্বর পেয়ে চাকরি করছে, কেউ ব্লক পোস্ট পেয়ে চাকরিতে যোগদান করছে, আবার অবৈধ সনদ দিয়েও চাকরি করছে। অথচ বৈধ সনদধারীরা অযোগ্য হচ্ছে। একসময়ের টপ লেভেল মার্কধারীরা প্রেক্ষাপট বিবেচনা না করায় তলানিতে পড়ে যাচ্ছে। এনটিআরসিএ এদেরকেই এক দিকে অযোগ্য বলছে আর অন্য দিকে নিয়োগ সুপারিশের প্রলোভন দেখিয়ে হাজার হাজার আবেদনের বিপরীতে সর্বস্বান্ত করে তুলছে। অন্য দিকে ইনডেক্সধারীদের সনদ রহিতকরণে হাইকোর্টে রায় থাকা সত্ত্বেও এনটিআরসিএ দায়িত্ব নিয়ে এদেরকেই গণবিজ্ঞপ্তির অন্তরালে বদলি ব্যবস্থার কাজটি করে যাচ্ছে।

যেখানে পদের সংখ্যা যাই হোক সব নিবন্ধনধারী আবেদন করবে যত খুশি তত, কিন্তু চাকরি নামক সোনার
হরিণ ধরা দেবে ইনডেক্সধারীদের কাছে। তৃতীয় গণবিজ্ঞপ্তিতে ১৫ হাজার পদে আবেদনকারীর তালিকা প্রকাশ না করে কার স্বার্থে, কী কারণে ওই ১৫ হাজার পদের বিপরীতে আবার বিশেষ বিজ্ঞপ্তি নামক লটারি আয়োজনের অনুমতি এনটিআরসিএ পায় কে জানে? ১৫ হাজার পদের বিপরীতে কি কোনো যোগ্য শিক্ষক খুঁজে পাওয়া গেল না?

প্যানেল প্রত্যাশী নিবন্ধিত শিক্ষক সংগঠনের সভাপতি মো: আমির হোসেন নয়া দিগন্তকে জানান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৮৫ হাজার পদ এখনো খালি। এবার ৫৪ হাজার ৩০৭টি পদ থেকে আবার খালি থাকছে প্রায় ৪০ হাজার। ১-১৬তম সব নিবন্ধনধারী যোগ্যতার পরীক্ষা দিয়ে সনদ অর্জন করেছে। সুতরাং সরকারের ভাবমর্যাদা সমুন্নত রাখতে এবং কৃত্রিম শিক্ষক সঙ্কট দূরীকরণে এখন প্যানেলভিত্তিক নিয়োগের বিকল্প নেই।

প্যানেল প্রত্যাশী নিবন্ধিত শিক্ষক সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক জি এম ইয়াছিন জানান, কৃত্রিম শিক্ষক সঙ্কট দূরীকরণে চাকরিপ্রত্যাশী নিবন্ধনধারীদের এক আবেদনে ইনডেক্সধারীদের অন্তর্ভুক্ত না করে কোটাবিহীন নীতিমালায় নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত নিবন্ধন পরীক্ষা বন্ধ রেখে প্যানেল ভিত্তিক নিয়োগের ব্যবস্থা গ্রহণ করার দাবি জানাচ্ছি আমরা।

এরকম আরও বার্তা
স্বত্ব © ২০১৫-২০২২ এশিয়ান বার্তা  

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft